
৩২ দিনেও বিচার চায়নি ভয়ে! নোয়াখালীতে মধ্যযুগীয় কায়দায় গৃহবধূকে ধর্ষণ করার পর বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে কুখ্যাত দেলোয়ার বাহিনী।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মধ্যযুগীয় কায়দায় স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে নিজ ঘরে ধর্ষণ করে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করেছে স্থানীয় বখাটে একদল যুবক। এখানেই শেষ নয়, শেষে নির্যাতিতা ওই গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারধর করে তার ভিডিও চিত্র ধারণ করে।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরের দিকে ঘটনার ৩২দিন পর গৃহবধূকে নির্যাতনের ঐ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রকাশ পেলে ইতিমধ্যে তা ভাইরাল হয়ে গেলে টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের।
ঘটনার পর থেকে গত ৩২ দিন অভিযুক্ত স্থানীয় দেলোয়ার, বাদল, কালাম ও তাদের সহযোগীরা গণধর্ষিতা গৃহবধূর পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখলে পুরো ঘটনা থেকে যায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ প্রশাসনের অগোচরে। বর্তমানে নির্যাতিতা ওই পরিবারের বসত ঘরে তালা ঝুলছে, ভুক্তভোগি পরিবার নিখোঁজ রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ রোববার বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্ত এক যুবককে আটক করে। আটককৃত, আব্দুর রহীম (২৭) একলাশপুর ইউনিয়নের পূর্ব একলাশপুর গ্রামের হাড়িধন বাড়ির বাসিন্দা।
স্থানীয়রা বলছে, গত মাসের (২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার নূর ইসলাম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ভয়ে গণধর্ষিতার পরিবার এ নিয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করে। তাই ঘটনার ৩২ দিন অতিবাহিত হলেও ভুক্তভোগি পরিবার এ ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি।
বেগমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.হারুন উর রশীদ জানান, পুলিশ বতর্মানে ঘটনাস্থলে রয়েছে।
এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিমের ঘরে তালা ঝুলছে, ওই গৃহবধূকে তার বসত ঘরে পাওয়া যায়নি। ভিকটিমকে পাওয়া গেলে জানা যাবে এটি গণধর্ষণ না নির্যাতনের ঘটনা।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে এবং নির্যাতিতা পরিবারকে উদ্ধারে জেলা পুলিশের ৫টি ইউনিট মাঠে কাজ করছে।সারা দেশে এমন ন্যাক্কার জনক ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদে মানুষ সোচ্চার হয়েছে।নির্যাতিতা নারীকে খুঁজে বের করা এবং জড়িত চিহৃিত সকল অপরাধীকে দ্রুত সময়ে গ্রেফতারের দাবীতে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানায়, খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ রোববার বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্ত এক যুবককে আটক করে। আটককৃত, আব্দুর রহীম (২৭) একলাশপুর ইউনিয়নের পূর্ব একলাশপুর গ্রামের হাড়িধন বাড়ির বাসিন্দা।
স্থানীয়রা বলছে, গত মাসের (২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার নূর ইসলাম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ভয়ে গণধর্ষিতার পরিবার এ নিয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করে। তাই ঘটনার ৩২ দিন অতিবাহিত হলেও ভুক্তভোগি পরিবার এ ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি।
বেগমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.হারুন উর রশীদ জানান, পুলিশ বতর্মানে ঘটনাস্থলে রয়েছে।
এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিমের ঘরে তালা ঝুলছে, ওই গৃহবধূকে তার বসত ঘরে পাওয়া যায়নি। ভিকটিমকে পাওয়া গেলে জানা যাবে এটি গণধর্ষণ না নির্যাতনের ঘটনা।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে এবং নির্যাতিতা পরিবারকে উদ্ধারে জেলা পুলিশের ৫টি ইউনিট মাঠে কাজ করছে।সারা দেশে এমন ন্যাক্কার জনক ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদে মানুষ সোচ্চার হয়েছে।নির্যাতিতা নারীকে খুঁজে বের করা এবং জড়িত চিহৃিত সকল অপরাধীকে দ্রুত সময়ে গ্রেফতারের দাবীতে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে।
উল্লেখ্য যে এই দেলোয়ার বাহিনীর দেলোয়ার উক্ত এলাকার এমপি মামুনুর রশিদ কিরণের খুব কাছের মানুষ!
এই ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে গণমাধ্যম ফেইসবুকে। ফেইসবুক ব্যবহারকারীরা এই ঘটনার কারণে অত্যন্ত কঠিন ভাষায় তাদের ক্ষোভ, অভিযোগ, অভিমান প্রকাশ করে প্রশাসনের কার্যকলাপ নিয়ে।
তারা আক্ষেপ করে বলেন যে দেশের প্রশাসন কি এতটাই দুর্বল যে তারা মাদকের মতো ধর্ষণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারছেনা? যেখানে বিচার বিভাগ বারবার অপারগতার পরিচয় প্রদান করছে। হ্যাঁ প্রশাসনের একাধিক সাফল্যের কথা অস্বীকার করবো না তবে অপরাধীর মনে যদি এই ভয়টা ঢুকিয়ে দেওয়া যায় যে ধর্ষণ করলেই আমার ক্রস ফায়ার হবে তাহলে ধর্ষকরা হিজরা হয়ে থাকতো তাও ধর্ষণ করতে সাহস পেতো না। প্রশাসনে যারা কর্মরত আছেন তারা যদি একটা বার এটা ভাবেন যে ওই ধর্ষিতা মেয়েটি তার আদরের রাজকন্যা যে রাজকন্যা বাবা ঘরে ফিরলেই দৌড়ে বাবার বুকে ছুটে আসে,বাবাকে কাছে পেলে ভুলে যায় সব কিছু সেই রাজকন্যা। বা তার মা সেই মা যে দশ মাস দশ দিন অসহনীয় কষ্ট সহ্য করে জন্ম দিয়েছে, সেই মা যে নিজে না খেয়ে শত কষ্ট করে তাকে আজ প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাহলে তার বিচার কেমন করতেন সেভাবেই একটি বার শুরু করুন। গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আর কারো সাহসে কুলাবেনা ধর্ষণ করার কথা চিন্তা করতে। শুধু দরকার আপনাদের একটি সাহসী পদক্ষেপ।
বিঃদ্রঃ অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের দূরে রাখুন। ভিডিওটি সংযোজিত হইলোঃ

0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা