করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিতে পারিনি এখনও ভ্যাকসিন জটিলতায় মিস ইউনিভার্স থেকে বাদ পড়লেন বাংলাদেশের মিথিলা।
‘মিস ইউনিভার্স ২০২০’-এর ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে বাংলাদেশের একমাত্র নির্বাচিত প্রতিযোগী তানজিয়া জামান মিথিলার নাম! ফলে আগামী মে মাসে মিস ইউনিভার্সের ৬৯তম আসরে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারছেন না ২০২০ সালের মুকুটজয়ী মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ।
তবে এ ঘটনার সঙ্গে মিথিলার বয়স কিংবা পুরুষ হয়রানী সংক্রান্ত অভিযোগের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা- এ বিষয়ে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লকডাউন ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়নি বলে ২০২০ সালের মিস ইউনিভার্সের মূল আসরে যোগ দিতে পারছেন না মিথিলা। এমনকি বিশ্বসুন্দরীদের আসরে না যাওয়ার বিষয়টি মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষকেও জানিয়ে দিয়েছে তারা।
এ একই বিষয়ে অনলাইন পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনকে মিথিলা জানান, আমি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিতে পারিনি এখনও। দ্বিতীয়ত, আমরা ভিসা ফেসের জন্য যে আবেদন করেছিলাম, লকডাউনের কারণে সে তারিখ ক্যানসেল হয়েছে। এ কারণে আমরা ন্যাশনাল কস্টিউমসহ কোনও ভিডিওর শুট করতে পারিনি। ভিসা আবেদনের আগে যে কাজগুলো করতে হয় সেগুলোর কিছুই করতে পারিনি। পরে তো ভিসা অফিস ভিসা ফেসের ডেটই বাতিল করেছে।
মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ খেতাব জেতার পরপর এক সাক্ষাৎকারে ঢাকা ট্রিবিউনকে তিনি জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে মিস ইউনিভার্স-এর খেতাব জেতাই তার একমাত্র বিষয় কিন্তু ৩ এপ্রিল মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের মুকুট জেতার পর থেকেই যেন দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়ছে না মিথিলার।
পুরুষদের শৌচাগারে গোপন ক্যামেরায় একজনের ভিডিওচিত্র ধারণ করে ফেসবুকে প্রকাশ করায় তার বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যদিও পরে বিষয়টিতে দুঃখপ্রকাশ করে ক্ষমাও চান তিনি।
এছাড়া বয়স সংক্রান্ত বিতর্কেও জড়িয়ে পড়েছেন এ সুন্দরী। মিস ইউনিভার্সের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীর বয়স ২৮ বছরের কম হতে হবে। মিথিলা এ বয়সের সীমা আগেই পেরিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে মিথিলা জানান, বয়সের কোনও তথ্য আমি গোপন করিনি। আমার জন্মনিবন্ধন, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট সবকিছুতে লেখা আছে, ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে আমার জন্ম। ১৯৯২ হলেও আমি কোয়ালিফাইড, ১৯৯৪ হলেও আমি কোয়ালিফাইড। আর বয়সের বিষয়টি মিস ইউনিভার্স বুঝবে। তাদের কাছে সব তথ্য দেওয়া আছে।


0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা