একজন অনুসন্ধানী সাংবাদিক গতকাল বিজয়নগর থানা এলাকা থেকে ঘুরে আসেন,
![]() |
| (সম্পুর্ন বৈধ পথে সৌদি আরব গেলেও এলাকায় দাপুটে আর থানা পুলিশ মিলে মিথ্যা মানবপাচার ও গুমের মামলা করেছে।) |
মঞ্জুর মোর্শেদ : গতকাল, জেলা: ব্রাহ্মণবাড়িয়া; উপজেলা ও থানা: বিজয়নগর; পোস্ট: পত্তন; ওয়ার্ড নং: ২; গ্রাম: আতকাপাড়া এলাকা থেকে ঘুরে এসেছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক Md Jaj Mia.
একজন অনুসন্ধানী প্রতিবেদক হিসেবে সাংবাদিক জজ মিয়া আসলে কেমন করে কি অনুসন্ধানে গিয়ে, কি দেখে এসেছেন তা এডমিনের একান্ত বিষয় বলে জানিয়েছে তারা।
তবে সেখানে গিয়ে বরাবরের মতো সাফকথা'র সহজাত নিয়মে ক্যামেরা ভিত্তিক সাংবাদিকতার কোনো রকম কোনো নজির রেখে আসেন নি তিনি। কারণ দর্শকের জন্য উক্ত সাংবাদিক অনুসন্ধানে যায়নি বলে জানান তার এডমিন। কেননা,
"সাফকথার পাঠকরা আসলে দর্শক শ্রেণীর লোক নয়।"
আর একথা বলাই বাহুল্য যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দেশে একটা বিশেষ শ্রেণীর লোকেরাই প্রতিনিয়ত পড়েন ও লিখেন, যা তাদের কাজ। যেমন একজন বিচারক। একজন বিচারক তার কর্মজীবনে নিজ-জাতি ও বিশ্বমানবতার লক্ষ্যে পড়েন, শোনেন এবং সত্য বা মিথ্যা নয়, বরং ন্যায্য রায় লিখে দেন, -এটা একটা ভিন্ন ও সর্বোচ্চ জগতের জন্য কৃত কর্মকাণ্ড, যে জগতে দর্শক নয় একমাত্র পাঠকরাই সব। যেমন: কলম ভিত্তিক সাংবাদিকতা।
ওদিকে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানা নিবাসী দেশের সম্পদ, বর্তমানে একজন রেমিট্যান্স সৈনিকের সাথে যে মারাত্মক ভাবে প্রতারণা করে, আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছেন (যা দন্ডনীয় অপরাধ) একদল চক্রান্তকারীরা মিলে, তার সকল কাগজপত্র, তথ্য-উপাত্তের ফাইলটিরও কপি অনেক আগেই উক্ত অনুসন্ধানের প্রমাণ স্বরুপ পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।
উল্লেখ্য, একাধিক ভালো মানুষেরা সাক্ষ্য দেন, 'আসলে ওরা একদল চিহ্নিত দাপুটে চক্রান্তকারী এবং এবার যেহেতু তাদের দ্বারা দেশের একজন বৈদেশিক মুদ্রা আয়কারী শ্রমিকও ক্ষতিগ্ৰস্থ হলেন, এতএব একথাও বলা চলে যে তারা আসলে এক প্রকারের দেশের শক্র, দেশদ্রোহী'।
একথা বলাই বাহুল্য, এদেশের মেথর থেকে প্রধানমন্ত্রী কিছু করতে পারুক বা না পারুক কিন্তু এদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের সকলেই সবচেয়ে সম্মানের চোখে দেখেন।
এমতাবস্থা সত্যেও দুবাই নিবাসী সাহাবুদ্দিন নামক রেমিট্যান্স সৈনিকটির ধ্বংস নিশ্চিত করতে একদল চক্রান্তকারী নিজেদের নগদ টাকা ইনভেষ্ট করে, ঘৃণ্য পথ অবলম্বন করে, তার বিরুদ্ধে একটি আজব-গজব মামলা ঠুকে দিয়েছে মহামান্য আদালতকে অন্ধকারে রেখে! মামলার নথিপত্র মতে, যার পুরো বিষয়টাই করা হয়েছে কেবল মাত্র তথ্য উপাত্ত ধামাচাপা দিয়ে।
![]() |
| শাহাবুদ্দীন ও তার সহজ-সরল অশিক্ষিত বাবার ধ্বংস নিশ্চিত করাই এই মামলার উদ্দেশ্য |
মামলার নথিপত্র ঘেটে আইন বিশেষজ্ঞরা জানান, আলোচ্য মামলায় চক্রান্তকারীরা তেমন কোনো তথ্য উপাত্ত ছাড়াই মহামান্য আদালতের মিনিমাম শর্ত মানতে নিজস্ব আত্মীদের মধ্যে দুজন লোককে (অনুসন্ধানে মিলেছে যারা সমাজে সমালোচিত, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীও বটে) সাক্ষীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তাদের দেয়া মৌখিক(শেখানো কাল্পনিক) সাক্ষীর অযুহাতে একটি মানব পাচার-এর মিথ্যা মামলা দায়ের করে। মহামান্য আদালত যার সত্যতা যাচাই করতে পুলিশকে দায়িত্ব দিলে বিজয়নগর থানার বিচক্ষণ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একই থানার ভারপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তাকে মামলাটির তদন্তের কাজে নিয়োজিত করলে সেই পুলিশ সদস্য ভুক্তভোগী শাহাবুদ্দিনদের বাড়িতে গিয়ে প্রকাশ্যে লোকজনের সামনেই শাহাবুদ্দিনের বাবার সাথে এবিষয়ে ও বিভিন্ন বিষয়ে কথাবার্তা ও দরকষাকষি করে ঘুরে আসার সময় সাহাবুদ্দিনকে না পেয়ে তার বাবার কাছ থেকে চেয়ে মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে শাহাবুদ্দিনকে ফোন দিয়ে তাকেও বিষয়টি অবগত করে থানায় এসে দেখা করার কথা বললে, শাহাবুদ্দিন যথারীতি তার প্রমাণাদি নিয়ে থানায় গিয়ে হাজির হন এবং থানায় বসে তাকে ফোনে তলব করেছেন যে থানার ভারপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা বাবু বিমল, তার সাথে এনিয়ে আলোচনা করেন।
থানায় গেলে বাবু বিমল সাহাবুদ্দিনকে প্রথমেই তার বিরুদ্ধে মামলার এজাহারের বিষয়ে শোনান।
শাহাবুদ্দিন সবশুনে প্রতিউত্তরে তার সাথে করে গুছিয়ে নেয়া ফাইলটি খুলে দেখান যা প্রমাণ করে যে উক্ত মামলায় গুম হওয়া বা মানব পাচারে আক্রান্ত উল্লেখিত নজরুলকে কোনো ভাবেই পাচার করা হয়নি বা অদ্যবধি তিনি গুম হয়ে আছেন, -একথার কোনো প্রশ্নই আসে না।
![]() |
| মারাত্মক মা |
কেননা ফাইলের কাগজপত্র ও তার তথ্য উপাত্ত পরিস্কার ভাবে প্রমান করছে যে নজরুল বর্তমানে নেবানন সরকারের দেয়া বৈধ ওয়ার্ক পারমিট পেয়ে সেদেশেই একটি প্রতিষ্টানে বৈধ কাজ করে যাচ্ছেন নিয়মিত ভাবেই। তিনি ও তার সৌদি নিবাসী ভাই নিয়মিত দেশে টাকা পয়সাও পাঠাচ্ছেন, যার মধ্য থেকে ৭০ হাজার টাকা ভেঙ্গে এই ভৌতিক মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে ছোট ভাই তারেক জিয়া বাবাকে গালাগালি করে এই টাকার ভাগও নিজের কাঁধে নেবার কথা অস্বীকার করে নেবাননে থাকা বড়ো ভাই নজরুলের সাথে ইমুতে রাগারাগী করে ভয়েস চ্যাটিং করেন। যার প্রমাণও ওই ফাইলে নিহিত রয়েছে!
২০২৩ইং সালের জুন-জুলাই মাসে নজরুল ও তারেক জিয়া যথাক্রমে লেবানন ও সৌদি আরবে অবস্বানরত থেকে ইমুতে যেসব ভয়েস চ্যাটিং করে তার ভয়েস ক্লিপ:
![]() |
| সৌদির জেদ্দায় কর্মরত নজরুলের এই ছোট ভাইয়ের সাথে সে প্রতিদিনই মোবাইল ফোনে কথা বলে |
১) বৈধ মেডিকেল করেছেন;
২) বিএমইটি সেন্টারে তিনদিন ট্রেনিং দিয়েছেন;
৩) বিএমএটি সেন্টারে ফিঙ্গার দিয়েছেন এবং
৪) সে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত বৈধ বিএমএটি বৈধ কার্ড সংগ্রহ করে (একটি বৈধ ভিসার পক্ষে);
৫) বাংলাদেশ থেকে সৌদি রুটের বৈধ এয়ারলাইন্সের বৈধ টিকেট কেটে বডিংপাশ নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানে করে সৌদি আরবের পথে গমন করেছেন।
-তারও সকল প্রমানাদি আছে সেই ফাইলে, যা নজরুলের বিদেশে সফরটি কোনো ভাবেই মানব পাচার বলে গণ্য হতে পারে না বলে প্রমাণ করে, -এসব কিছুর পুংখানপুং তথ্য উপাত্তসহ ফাইলটি বাবু বিমল চন্দ্র কর্মকারের বরাবরে পেশ করে আসেন স্মার্ট রেমিট্যান্স সৈনিক, যা দেখে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিজেও 'নজরুলের গুম বা পাচার হয়ে যাবার পক্ষে' এজাহারে কপি ও মহামান্য আদালতের তদন্ত করার হুকুমের আদেশ ছাড়া কিছুই দেখাতে পারেন নি বলে চুপ হয়ে যান এবং যা দেখে শাহবুদ্দিনের বাবার সাথে করা দরকষাকষির পর্বটা শাহাবুদ্দিনের সাথেও তেমনভাবে আগে বাড়ানোর চেষ্টাটা বাদ দিয়ে দেন। যদিও শাহাবুদ্দিন আসার সময় তাকে চা-নাস্তা খেতে ভালোবেসে এক হাজার টাকা দিয়ে আসেন।
প্রমাণ মিলেছে, এই শাহাবুদ্দিনের ফোনে দেয়া নির্দেশে সেদিনও একাধিক লোকের সামনে এক লাখ থেকে ৭০ হাজার টাকার দরকষাকষি বাদ দিয়ে শাহাবুদ্দিনের সহজ-সরল বাবা পুলিশ কর্মকর্তাকে দুটি হাজার টাকা দিয়ে দেন যাতায়াত ও খাতিরদারি করে....
মূলকথা, নিয়মনীতি মেনেই বৈধ ভাবেই নজরুলকে সৌদি আরব পাঠানো হয়েছে তার মামার মাধ্যমে তা কাগজপত্রে প্রমাণ করতে সক্ষম হন সাহাবুদ্দিন। এমনকি নজরুলের বর্তমান অবস্থান ১০০% বৈধ ভাবে যে নেবাননে তাও কাগজপত্রে প্রমাণ করেন শাহাবুদ্দিন।
সেদিন থানায় গিয়ে রেমিট্যান্স সৈনিক অত্যন্ত মেধাবী ও দক্ষ লোকের মতোই সফল ভাবে বৈধ প্রমাণাদিগুলো মৌখিক ভাবে বুঝিয়ে দিয়ে ও সেই কাগজপত্র সম্বলিত ফাইলটি (কপি) পুলিশ কর্মকর্তার হাতে দিয়ে আসেন, যার মধ্যে অত্যন্ত পরিস্কার ভাবে প্রমানিত হয়ে আছে যে নজরুল সৌদি আরবের বৈধ আইনে প্রবাসী শ্রমিক হয়ে প্রবেশ করেছেন, যাকে কোন দিক থেকেই মানবপাচার বলা যাবে না।
এমনকি সেই ফাইলে নজরুল যে বর্তমানে বৈধ ভাবে লেবাননে অবস্বান করছেন তারও সকল বৈধ তথ্য উপাত্ত, অনলাইন ওয়ার্ক পারমিটের কপিসহ থরে থরে গুছিয়ে দেয়া হয়েছে, যা প্রমাণ করে, নজরুল কোনো ভাবেই গুম হয়ে নেই।
কেননা, ভুক্তভোগী সাহাবুদ্দিন তার বিরুদ্ধে করা অনৈতিক মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তার কাছে যে ফাইলটি দিয়ে এসেছেন তাতে যে তথ্য উপাত্ত রয়েছে তার বদৌলতে পরিস্কার ভাবে প্রমানিত হয়, নজরুল বর্তমানে লেবানে কাজ করছেন এবং বৈধ ভাবে (শোনা কথা, যদিও একটি মেয়ের সাথে নকল কাগজপত্রে স্বামীস্ত্রী সেজে অনৈতিক জীবন যাপন করছে। যতটুক জানা গেছে সে একজন ঢাকা মানিকগঞ্জের মেয়ে।)
এমনকি সেই ফাইলে যে প্রমাণাদি আছে তা লেবনিস হাইকমিশনে জমা দিয়ে সার্চ দিলেই দুই ঘন্টার মধ্যে নজরুলের অবস্থান নিশ্চিত করা যাবে একথাও বলাই বাহুল্য। কেননা ওখানে নজরুলের অনলাইন ওয়ার্ক পারমিটের কপি দেয়া আছে যাও ১০০% বৈধ।
সেই ফাইলটিতে যে তথ্য প্রমাণ আছে তাতে করে বাংলাদেশের ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার সন্তান নজরুল একজন এই মুহূর্তেও(যখন প্রতিবেদনটি লেখা হচ্ছে) প্রবাসে কর্মরত থাকা বৈধ শ্রমিক, তাই কোনো ভাবেই সে গুম হয়ে আছেন বা পাচার হয়ে বিদেশে গেছেন তা ১০০% মিথ্যা বলে গণ্য হয়।
আইন বিশেষজ্ঞরা খতিয়ে দেখে মত প্রকাশ করেন যে উক্ত ফাইলের তথ্যউপাত্ত মহামান্য আদালতের সমীপে পেশ করলে মহামান্য আদালতের কাছে সব দিনের আলোর মতো পরিস্কার হয়ে যাবে যে আসলে এটি একটি সম্পূর্ণ রূপে ষড়যন্ত্রের উপর ভিত্তি করে দু'জনের মৌখিক সাক্ষীতে ঠুকে দেয়া প্রতারণার উদ্দেশ্যে অবৈধ মামলা, তাই নিমিষেই বিজ্ঞ আদালত তা খারিজ করে দিতে আজ্ঞা হবেন, -এটাই বাস্তব।
এমনকি, কেন ওই চক্রান্ত ও হয়রানি মুলক মামলা দায়ের করাকে মারাত্মক অপরাধ বলে গণ্য হবে না? কেনো একজন জাতির সম্পদ বলে বিবেচিত রেমিটেন্স সৈনিকের মানহানী করা হয়েছে বলে গণ্য হবেনা? কেনো এহেনো অপরাধের কারণে মামলাকারী পক্ষের বিরুদ্ধে মানহানীর মামলাও বৈধ বলে বিবেচিত হবে না? -এমন আরও প্রশ্নও রাখতে পারেন বিজ্ঞ আদালত!
কিন্তু মামলার নথিপত্র দেখে প্রমাণ মেলে পুলিশের কাছে শাহাবুদ্দিনের পেশ করা ওইসব সকল তথ্য উপাত্তের ফাইলটি আদালতের বরাবরে উপস্থাপন না করা ও তার উপর ভিত্তি করে পুলিশের করা যোগ্য তদন্ত রিপোর্টের অভাবেই কেবল মাত্র দুজন লোকের মৌখিক সাক্ষীর উপর ভিত্তি করে শাহাবুদ্দিনদের বিরুদ্ধে করা ভৌতিক মামলাটির প্রয়োজনে ওয়ারেন্ট জারি করতে হয় মহামান্য আদালতের...
সে এক বিচিত্র প্রহসন!....
আসছে দৈনিক পত্রিকাতে বিস্তারিত, স্থান কাল পাত্র, নামধাম ও প্রমাণাদিসহ প্রতিবেদন, চোখ রাখুন, সাথেই থাকুন,
[বিঃদ্রঃ - ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এই ঘটনার উপর ভিত্তি করে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখা একটি স্ট্যাটাসে একজন ব্যক্তির লেখা একটি ভিত্তিহীন মন্তব্য।
অনুসন্ধানে মিলেছে এই ব্যক্তিটি মোঃ এরশাদ মিয়া নামক এক ব্যক্তির পুত্র। মোঃ এরশাদ ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া মডেল থানার রাইটারএকজন রাইটার এবং তিনিও এই মামলার চক্রান্তের সাথে যে ওতপ্রোতভাবে জড়িত তার প্রমাণ উপস্থাপন করা হবে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ইনশাআল্লাহ।]
তদন্ত কর্মকর্তা ও দাপুটে এলাকাবাসীর কারসাজিতে এক রেমিট্যান্স সৈনিক আজ ভৌতিক মানব পাচারের মামলার আসামি!
![]() |
| (ছবি: তথ্য সংগৃহীত ও নিজস্ব তৈরি) |
শাহাবুউদ্দিন নামক দুবাইয়ে কর্মরত এক প্রবাসী জানান, "গত ২৭/০৩/২০২২ইং তারিখে আমার পরামর্শে আমার এক মামার মাধ্যমে সম্পুর্ন বৈধ ভাবে সরকারি আইনের আওতায় সৌদি আরব যান নজরুল। সেখানে যাবার পর নজরুলের ভিসা প্রদানকারী কোম্পানি তাকে বৈধ ওয়ার্ক পারমিট তথা ইকামা দিয়ে যথারীতি কাজ দিলে সে কাজ করা শুরু করে। তারপর কোম্পানির কাছে ছুটির আবেদন করলে কোম্পানি গত ০২/০৯/২০২২ইং তারিখ হতে ১৬/০৯/২০২২ইং তারিখ পর্যন্ত মোট ১৪ দিনের ছুটি মঞ্জুর করলে নজরুল বৈধ প্রকৃয়ায় লেবানন চলে যায় প্রবাসী বাঙালী তার এক বান্ধবীর কাছে। তখন আমি ইরাকে ছিলাম।"
তিনি বলেন,"গত ০৯/০২/২০২৩ইং তারিখে আমি দেশে আসি। তারপর গত ১৫/০২/২০২৩ইং তারিখে উক্ত নজরুলের বাবা এলাকার এরশাদ মিয়া যিনি আমার এলাকায় খুব দাপুটে তার ও আমাদের এলাকার কিছু ষড়যন্ত্রকারীদের পরামর্শ, সহযোগিতায় আমার, আমার বাবা-মা ও আমার মামা ফেরদৌসের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে একটি মানব পাচারের মামলা দায়ের করেন যা আমরা কেউ জানতাম না। উল্লেখ্য ফেরদৌসের সহযোগিতাতেই নজরুল সৌদি আরবের বৈধ ভিসাটি পেয়েছিলো।
এর কিছুদিন পরে হঠাৎ একদিন বিজয়নগর থানা তদন্ত কর্মকর্তা বিমল বাবু সেই মামলার তদন্ত করতে আমাদের বাড়িতে আসলে তখনই প্রথম আমরা সেই আজব মামলার কথাটা জানতে পারি। ওই দিন আমি বাড়িতে ছিলাম না, বিমল বাবু আমার বাবার সাথে কথা বলেন এবং আমার ফোন নাম্বার নিয়ে আমাকে কল দিয়ে বলেন আমি যেনো থানায় গিয়ে তার দেখা করি।
যেদিন আমার বাবার সাথে ওনার দেখা ও কথা হয় তার দুই/তিন দিন পরেই আমি থানায় গিয়ে তার সাথে দেখা করলাম এবং আমাদের নামে যে মিথ্যা উদ্দ্যেশ্য প্রনোদিত মামলা দেয়া হয়েছে তা আমি স্যারের কাছে সম্পূর্ণ বিস্তারিত বললাম। পাশাপাশি নজরুলের বৈধ প্রকৃয়ায় বিদেশে যাবার যেসব বৈধ ডকুমেন্টগুলো আছে ওইগুলিও স্যারের হাতে দিলাম।
আমি ওনাকে জিজ্ঞেস করি স্যার মানব পাচার কাকে বলে? একজন মানুষ বৈধ ভিসা নিয়ে বৈধ ভাবে সৌদি আরবে যাবার পরেও এটাকে কি করে মানব পাচার বলা যায়? মানব পাচার মানে তো অবৈধ পথে বিদেশে লোক পাঠানোকে বলে, অর্থাৎ আইন ভঙ্গ করে নৌ-যোগে বা সড়ক-পথে আন্তর্জাতিক ইমেগ্ৰেশন আইন ভঙ্গ করে এক দেশ থেকে আরেক দেশে অবৈধ ভাবে জনবল অনুপ্রবেশ করানোর কর্যকলাপ করলে তাকে মানব পাচার বলে তাই না? কিন্তু যেহেতু নজরুল বৈধ ভিসায় সৌদি আরবে গিয়েছে, তাকে কোম্পানি বৈধ একামা দিয়েছে, বৈধ চুক্তিমতো কাজ দিয়েছে, সে টাকা রোজগার করে দেশে পাঠিয়েছে, এমনকি তাকে বৈধ ভাবে ছুটিও দেয়া হয়েছে যা নিয়ে সে বৈধ ভাবে লেবাননে গিয়ে তার এক বান্ধবীর সাথে এখন মিথ্যা স্বামীস্ত্রীর পরিচয় নিয়ে একসাথে থাকে ও এখন লেবানে কাজ করেও রীতিমতো বাড়িতে টাকা পয়সা পাঠাচ্ছে, বাড়ির সবার সাথে সে যোগাযোগ রেখে চলছে, তার ছোট ভাই সৌদি আরবের প্রবাসী তারেক জিয়ার সাথেও ইমুতে রীতিমতো কথাবার্তা বলছে, তাহলে এটাকে কি করে মানব পাচার বলা যাবে? সেদিন বিমল স্যারকে আমি তার সব কাগজপত্র খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখাই ও এক কপি দিয়েও আসি। নজরুল যে ১৪ দিনের ছুটি নিয়ে লেবান যাবার পরে আর সৌদি আরবে ফিরে না আসার কারণে সৌদি হুকুমা তার বিরুদ্ধে রেড এলার্ট জারি করেছে তার কাগজপত্রও আমি তাকে দেখালাম। তারপরও তিনি কি রিপোর্ট করলেন বুঝলাম না! আমাদের বিরুদ্ধে কিভাবে মানব পাচারের মামলা হতে পারে? আমরা তো নজরুলের পরিবারের জন্য চরম উপকার করেছি, অথচ তার বিনিময়ে এ কেমন প্রতিদান!?"
আক্ষেপ করে শাহাবুদ্দিন বলেন, "আমরা অনেক কষ্ট করে বিদেশে থেকে, বাবা মা, পরিবার পরিজন সবাইকে দূরে রেখে হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে দেশে টাকা পাঠাই এটাই কি তারই প্রতিদান?"
শাহাবুদ্দিন মিনতির সুরে বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী'র কাছে আমার আকুল আবেদন আমাদেরকে আপনি এই অন্যায়ের হাত থেকে রক্ষা করুন বঙ্গবন্ধু কন্যা। আমার ও আমার পরিবারের আপনার কাছে প্রশ্ন, আমাদের সাথে এটা কেমন অবিচার করা হোলো? একজন লোক আমার পরামর্শে ও আমার মামার সহযোগিতায় দুই দেশের সরকারের সকল আইনের আওতায় থেকে বৈধ ভিসা পেয়ে, বৈধ প্রকৃয়ায় বিদেশে গেলো, টাকা-পয়সা রোজগার করে রীতিমতো দেশেও পাঠাচ্ছে অথচ সেই আমাদের বিরুদ্ধেই মানব পাচারের অযুক্তিক মামলা হোলো কিভাবে? কোন অপরাধে!? আমরা একজন বেকার মানুষকে সাহায্য করে বৈধ ভাবে বিদেশে গিয়ে কাজ করে টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের পরিবার ও দেশের উন্নয়নের পথ তৈরি করে দিয়ে কি অপরাধ করলাম? নয়তো আমাদের বিরুদ্ধে কি করে এমন আজগুবি মামলা হয়? আমাদের প্রতি তো কৃতজ্ঞতা জানানোর কথা ছিলো? তদন্ত কর্মকর্তা কেনো এতোকিছু দেখে শুনে, প্রমাণ পেয়েও তা আদালতে পেশ না করে ধামাচাপা দিলেন? আমরা তাকে তার কথা মতো খুশি করি নি বলেই কি এই আজ পরিনাম!? নয়তো তিনি সব বৈধ কাগজপত্র ধামাচাপা কেনো দিলেন? নজরুল তো ১০০% বৈধ প্রকৃয়ায় সৌদি আরবে গিয়েছে! তাকে সব কাগজপত্র দেয়া হয়েছে! আমরা কি তার বা সমাজের অথবা দেশের কোনো ক্ষতি করেছি? আমরা তো সবার উপকার করলাম! উপকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা না প্রকাশ করে এ কোন বেঈমানির পথ তৈরি করে দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা বিমল চন্দ্র কর্মকার স্যার এলাকার দাপুটে মোঃ এরশাদ মিয়ার সাথে যোগসাজশে। এরশাদ মিয়া আগেই একবার প্রকাশ্যে বলেছিলেন যে সে নাকি আমাদের ধ্বংস করে ছাড়বেনই, তাহলে এই ভাবে মামলা করেই কি আমাদের ধ্বংস করার রাস্তা তৈরি করলেন তারা দুজন মিলে। উল্লেখ্য মোঃ এরশাদ মিয়াও পুলিশের একজন রাইটার হিসেবে কাজ করেন। আমরা এটাকে কি মনে করবো? এই অনৈতিক পথে তথ্য ধামাচাপা দেয়া মামলাটা কি একজন তদন্ত কর্মকর্তা ও একজন থানার রাইটারের মিলিত ষড়যন্ত্রের ফসল? সবাই বলে, আমরা নাকি দেশের মানুষের জন্য গর্বের কারণ। এটাই কি তার প্রতিদান!?"
রেমিট্যান্স সৈনিক শাহাবুদ্দিন কাঁদতে কাঁদতে বলেন, "আমি বিমল স্যারকে সবশেষে একটাই কথা বলছি, 'স্যার আমি ন্যায্য বিচার চাই, আমি যদি অন্যায় করে থাকি অবশ্যই আমার শাস্তি হবে কিন্তু আমার অপরাধ কি?' এ কথা বলে আমি ডকুমেন্টগুলো উনার হাতে দিয়ে চলে আসি তিনি ভালোমন্দ কিছুই বলেননি শুধু একটা ডিমান্ড করেছিলেন যা আমি পুরণ করিনি। কেননা আমাদের কষ্টের পয়সা দিয়ে তার ওই ডিমান্ড পুরণ করলে দেশ ও জাতির অপমান করা হবে, আমি অপরাধী হয়ে যাবো কোনো অপরাধ না করেও। আমাদের সকল কষ্ট বৃথা হয়ে যাবে...., -এর মাস দেড় মাস পরেই শুনি আমার ও আমার বাবা এবং মামার নামে মানব পাচারের মামলার ওয়ারেন্ট হয়ে গেছে! কিন্তু আমি যে বিমল বাবুর কাছে এতগুলা সঠিক ডকুমেন্ট দিলাম ওইগুলি রিপোর্টে আসে নাই কেনো? এখন আমি প্রধানমন্ত্রী কাছে বিচার চাই। আমি মিডিয়ার কাছে ন্যায় বিচার পেতে সাহায্য চাই।"
[বিঃদ্রঃ- ছবিতে যা যা রয়েছে:
১) নজরুলের একটি ছবি;
২) নজরুলের বৈধ ভিসা লাগানো পাসপোর্টের কপি;
২) নজরুলের সৌদি আরবের বৈধ ইকামার কপি;
৩) নজরুলের বিরুদ্ধে সৌদি হুকুমার রেড এলার্ট জারী করার কাগজের কপি;
৪) নজরুলের সৌদি আরবে যাবার প্লেনের বৈধ টিকিটের কপি।
৫) নজরুলের ১৪ দিনের ছুটির শুরু ও শেষ হবার তারিখ;
৬) তদন্ত কর্মকর্তা বাবু বিমল চন্দ্র কর্মকারের ছবি;
৭) থানার রাইটার মোঃ এরশাদ মিয়ার ছবি।]
মানুষকে বিভিন্ন কায়দা কৌশলে আটকে টাকা আদায় করাও তার কাজ!
একজন রাইটারের বেতন আর কত হতে পারে? অথচ সে গ্রামে তার বাড়ি করেছে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যে ফ্লাট ভাড়া নিয়ে থাকে ছেলেমেয়েদেরকে ভালো প্রাইভেট স্কুলে পড়াশোনা করে। একজন রাইটারের বেতন সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা হতে পারে; তাহলে সে এত টাকা পায় কোথায়? গ্রামের যা জমিজমা কিনেছে তার দাম কমপক্ষে কোটি টাকার কাছাকাছি হবে।
প্রশ্ন একটাই, এরশাদ মিয়া এতো টাকা পায় কোথায়?
এই এরশাদ মিয়ার আদ্যপান্ত জানতে আমাদের একদল অনুসন্ধানী প্রতিবেদকরা
এখন মাঠে আছেন। অচিরেই আপনারা জানতে পারবেন তার মারাত্মক কর্মকাণ্ড!
(চোখ রাখুন, সাথেই থাকুন...)





0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা