শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

পঞ্চগড়ে ১৮ দিনে বিদেশফেরত ৯০০, কোয়ারেন্টাইনে ৯




পঞ্চগড়ে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে বৃহস্পতিবার সকালে জরুরি বৈঠক করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিদেশফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে প্রতি ওয়ার্ডে মনিটরিং কমিটি গঠনের তাগিদ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও কোচিং সেন্টার বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ সরকারি-বেসরকারি দফতর, শপিংমলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক সবিনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, সিভিল সার্জন ডা. ফজলুর রহমান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত, পৌর-মেয়র তৌহিদুল ইসলাম, জেলার পাঁচ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ জেলার ৪৩ ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বলা হয়, গত ১ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৯০০ বিদেশফেরত যাত্রী ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছেন। কিন্তু তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত এক নারীসহ নয়জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। বাকিদের নিয়ে কোনো তথ্য বা উদ্যোগ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে নেই।

বিদেশফেরতদের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে তালিকা করে মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার কথা বলা হয়। এছাড়া জেলা চেম্বার অব কমার্সসহ বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে করোনা সচেতনতায় লিফলেট ও স্থানীয়ভাবে স্বাস্থ্যসম্মত মাস্ক তৈরি করে বিলি করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, গত ১ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশের বাইরে থেকে আসা প্রায় ৯০০ বিদেশফেরতের স্থায়ী ঠিকানা পঞ্চগড়। তাদের অনেকেই বর্তমানে পঞ্চগড়ে অবস্থান করতে পারেন। পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে তালিকা করে মনিটরিং কমিটির কাছে তা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিদেশফেরতদের প্রত্যেককে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনার সব রকম চেষ্টা করা হবে।

জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আমরা জেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশনা দিয়েছি। এ মনিটরিং কমিটি বিদেশ থেকে সাম্প্রতিক ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করবেন। এছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও কোচিং সেন্টার বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে। করোনা সচেতনতায় প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ নিজ নিজ উদ্যোগে লিফলেট এবং স্থানীয়ভাবে মাস্ক তৈরি করে বিলি করার তাগিদ দেয়া হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ