শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

যুবায়ের আনসারীর জানাজা পড়তে গেছে লাখ লাখ মানুষ!

এই লকডাউনের মধ্যে আজকের দিনের কাহিনী এটা।

এরা নিজের বাপের জানাজা পড়ে না। নিজের মায়রে বনে ফালায়া আসে। এলাকার কেউ করোনায় মরলে তার লাশ দাফন করতে দেয় না। জানাজা পড়া লাগে পুলিশের। জানাজা পড়া লাগে ডাক্তার, ইউএনও আর ভলেন্টিয়ারদের।

আর এই অমানুষের বাচ্চারাই আবার এক হুজুরের জানাজা পড়ার জন্য জীবন দিয়া ফেলতেছে।

নিজের বাপ মায়ের জন্য যে জাতি কান্দে না তারা হুজুরের নেশায় পারলে জীবন দিয়া দিতেছে। আহারে আপনাগো মানুষ হওয়া।

দেশে যেইখানে জামাতে নামাজ পড়া অফ করা হইছে। অন্যান্য দেশ টেনশনে আছে ঈদের নামাজ হবে কীনা। ইভেন হজ্জ নিয়াও টেনশন আর সেইখানে আমাদের লাখ লাখ মানুষ জানাজা পড়তেছে। কী লাভ রে ভাই?

এইখানে জানাজা পড়া প্রতিটা মানুষ তার ফ্যামলির জন্য থ্রেড। এদের জন্য এদের বাপ মা মরবে, অসুস্থ পোলাপান মরবে। নিজেরাও মরবে। তবুওএদের কিচ্ছু হবে না। এদের পিনিক শেষ হবে না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এই কাহিনী। এখানে শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়া না। ঢাকা থেকেও মানুষজন গেছে। দেশের অনেক জায়গা থেকে গেছে। এই লকডাউনের মধ্যে হাইটা হইলেও গেছে। দরকার হইলে এরা হামাগুড়ি দিয়া যাবে। তবুও যাবে।

পুরা বাংলাদেশের জন্য এইটা একটা ডিজাস্টার। এই একটা অকেশন আউটব্রেকরে আরও ফুয়েল দেবে। এই ব্রেনলেসদের জন্য পুরাটা দেশ আরও বেশি ভুগবে।

লোকাল থানার ওসি বলছেন, আমাদের কিছুই করার ছিলো না।

এইটাই আসলে পুরা বাংলাদেশের সামারি।
মরার পর হয়ত সবারই বলা লাগবে, নিজের মরার জন্য ওয়েট করা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার ছিলো না...

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ