উদ্ধারকৃত চালগুলো ১০ টাকা কেজি দরে দুস্থদের জন্য রাখা খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের স্ত্রী রহিমা বেগমের নামে ডিলারশিপে বরাদ্দকৃত ওই চাল। রহিমা বেগম চার দিন আগে স্থানীয় সরকারি খাদ্য গোডাউন থেকে ২৬ টন ৭০ কেজি চাল উত্তোলন করেন। পরে সেই চাল তার নিজ বাড়ির পাশে মুরগির খামারের ভিতরে রাখেন।
স্থানীয়রা জানান, রোববার (১৯ এপ্রিল) গোপনে চালগুলো বিক্রি করার সময় দুপুরে স্থানীয় জনতার তোপের মুখে হাকিমপুর সার্কেল (পুলিশ) আখিউল ইসলামসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানম ঘটনাস্থল থেকে চাল উদ্ধার করেছে। ওয়াহিদা খানম জানান, আটক চাল সোমবার (২০ এপ্রিল) করোনাভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে।
তদন্ত পূর্বক ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ডিলারশিপ রহিমা বেগমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন।
এদিকে এ ঘটনার পর পরই ব্যাপক দৌঁড় ঝাপ শুরু হয়ে যায় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার দলীয় লোকজনদের। তারা ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন। এমনকি এ সংক্রান্ত কোন সংবাদ যাতে পত্রিকা বা টেলিভিশনে প্রচার না হয়, সেজন্য নগদ অর্থ দেওয়া হয়।

0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা