শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করায় ব্যারিস্টার সুমনকে এ্যাডভোকেট তুষারের কঠোর হুঁশিয়ারি!


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও ভুল তথ্য প্রকাশের ইস্যুতে ব্যারিষ্টার সুমন কে হুশিয়ারী দিয়েছেন মানিকগঞ্জ জেলা জজ আদালতের আইনজীবি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও নব্বই দশকের জনপ্রিয় ছাত্রনেতা এ্যাড. আবু বকর সিদ্দিক খান তুষার। সেই সাথে জনগণের সামনে ক্ষমা চেয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের আপ্রাণ চেষ্টা ও সফলতাকে তুলে ধরার পারামর্শ দেন তিনি। নচেৎ ভুল তথ্য প্রকাশ , দেশের জনগের মাঝে বিভ্রান্ত সৃষ্টি ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একজন দেশপ্রেমী আদর্শবান নেতার মান হানির চেষ্টার অপরাধে দেশের প্রচলিত আইনে তার শাস্তি অবধারিত হবে।

তুষার আরো জানান, গত সাপ্তাহে ব্যারিষ্টার সুমন তার ফেসবুক পেজে লাইভে এসে ভ্রান্ত তথ্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কোটুক্তি মূলক মন্তব্য করেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে সুমনের মন্তব্যের প্রতি তিব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানিয়ে ঝড় তোলে ফেসবুক ব্যাবহারকারীরা। অনেকেই তার শাস্তির দাবী জানান নিজ নিজ ওয়ালে। আমি বলবো, সাহস থাকলে আপনি মানিকগঞ্জ এসে লাইভ করেন, ধান খেতে দাড়িয়ে নয়। ফেসবুকে দুই-চারটা লাইক কমেন্ট আর সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য জাতিকে বিভ্রান্ত করবেন না। আপনি ব্যারিষ্টার থেকে খাম্বা সুমন হয়েছেন, হাসির পাত্র হয়েছেন। সেখানেই থাকুন। জনগনের কাঠ গোড়ায় সাধারন জনতার শাস্তি একদিন আপনায় মাথা পেতে নিতে হবে।
তুষার আরো জানান, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে অক্লান্তিক পরিশ্রম করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। সুমনের মন্তব্যে সুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় নয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেও কোটুক্তি করা হয়েছে। একজন জাহিদ মালেক সুধু একজন মন্ত্রী নন, ৫৪ হাজার বর্গ মাইলের একটি বাংলাদেশ হৃদয়ে ধারন করেই তিনি দেশ ও জাতির জন্য কাজ করেন। সুধুমাত্র এই কারনেই জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব অর্পন করেছেন।

জাহিদ মালেক স্বপনের দুরদর্শিতায় ‘১৬২৬৩’ নম্বর ব্যবহারের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত তথ্য প্রদান এবং ৯৫টি হাসপাতালে টেলিমেডিসিন সেবা চালু হয়েছে। জাতিসংঘ কর্তৃক বাংলাদেশকে ‘ডিজিটাল হেলথ ফর ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। মজবুত অবকাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাত্রার ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে, যা উন্নয়নশীল অনেক দেশের জন্য মডেল। জনবল বৃদ্ধি, অবকাঠামোর উন্নয়ন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক বাংলাদেশকে পোলিও এবং ধনুষ্টঙ্কারমুক্ত ঘোষণা, ওষুধের সরবরাহ বৃদ্ধি, উন্নত শিশু স্বাস্থ্যসেবা, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের স্বাস্থ্য পরিসেবা ব্যবস্থা, চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ, মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের জন্য ফ্রি চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং টিকাদানে দৃষ্টান্তমূলক সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। এগুলো কি ব্যারিষ্টার সুমনের চোখে পরে না?

‘১৬৭৬৭’ নম্বর ব্যবহার করে ‘সুখী পরিবার’ সেবায় প্রদান করা হচ্ছে পরিবার-পরিকল্পনা কার্যক্রম। কয়েক দফায় গত ১০ বছরে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রায় ৫০০ অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়েছে। দেশের সব স্থানে গর্ভবতী মায়েদের অ্যাম্বুলেন্স সেবা বিনামূল্যে প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারা দেশে ১৩ হাজার ৭৭৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক, ১ হাজার ২৭৫টি ইউনিয়ন সাব সেন্টার এবং ৮৭টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। অচিরেই আরও চার হাজার ৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হবে।এ ছাড়া ‘কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট’ গঠন করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী, মধুপুর ও ঘাটাইলে অতি দরিদ্রদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রাপ্তি সহজলভ্য করতে ‘শেখ হাসিনা হেলথ কার্ড’ বিতরণ শুরু। ৫০টি রোগের চিকিৎসার খরচ এই কার্ডের মাধ্যমে বহন করা হবে। পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
মেডিকেল কলেজগুলোর জন্য ৭৫০টি আসন বাড়ানো হয়েছে। সরকারি হাসপাতালে নতুন ১০ হাজার ৯৮৩ শয্যা বাড়ানো হয়েছে। নতুন ১৩টি বেসরকারি হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ, সরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে ২২৫ জন হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল অফিসার ও প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন অনেক হাসপাতাল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যেমনÑশেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতালের সম্প্রসারণ, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডাইজেস্টিভ ডিজিজেস রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালকে সরকারি হাসপাতালে রূপান্তর, জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, মুগদায় ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, জাতীয় নার্সিং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, কুর্মিটোলা ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, খুলনার আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, ঢাকার ফুলবাড়িয়ায় সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, গোপালগঞ্জের শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল এবং এই হাসপাতালকে কেন্দ্র করে অনলাইন চক্ষুসেবা কার্যক্রম চালু করতে ‘ভিশন সেন্টার’ স্থাপন করা হয়েছে।

ব্যারিস্টার সুমন ! হাত পা নেড়ে আপনি যে ভাবে কথা বলেন তাতে মনেহয় না আপনি একজন ব্যারিস্টার মানুষ । এসব তথ্য হয়তো আপনি নিজেই জানেন না। প্রতিনিয়ত আপনি অসুস্থ / অশিক্ষিত মানুষের মতো নিজেকে জাতির কাছে উপস্থাপন করছেন । জাতির কাছে ভালো তথ্য গুলো উপস্থাপন করুন, তবে জাতিও আপনাকে ভালো কিছু উপহার দিবে।

মনে রাখবেন, জাহিদ মালেক চিটাগাঙ মেডিকেল কলেজে ডাক্তারী পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে ডাক্তারী পড়তে ভর্তি হয়েছিলেন । এক বাবার এক সন্তান হওয়ায় তিনি বাবার ইচ্ছায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী সাহিত্যের উপর অনার্স মাষ্টার্স সম্পূর্ণ করেছেন ।মানিকগঞ্জ ০৩ আসন থেকে পরপর ০৩ বার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে একবার এমপির দায়িত্ব ও একবার স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব ও বর্তমানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন । মানিকগঞ্জ ০৩ আসনের জনগনের কাছে একজন সৎ - যোগ্য -আদর্শ মানুষ হিসেবে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে অবস্থান করছেন । যার ফলেই প্রতিনিয়ত তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন এবং হবেন । এজন্য তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করাটা সমিচিত না

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ