শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

করোনা আক্রান্তদের উপুড় করে শোয়ালে বেঁচে যাবে...


তীব্র শ্বাস কষ্ট নিয়ে নভেল করোনাভাইরাস বা কভিড-১৯ আক্রান্ত এক রোগী গত শুক্রবার ভর্তি হন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এক হাসপাতালে। ৪০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির অবস্থা তখন বেশ খারাপ। লাইফ সাপোর্টে নেওয়ার তোড়জোড় চলছিল। কিন্তু প্রচুর রোগী আসতে থাকায় চাপ বাড়তে থাকে আইসিইউর ওপর। ডা. মঙ্গলা নরসিমহান তখন ওই রোগীকে উপুর করে শুইয়ে দেন। এই টোটকা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। কিছুক্ষণ পর স্বাভাকিভাবে শ্বাস নিতে শুরু করেন ওই ব্যক্তি। তাকে আর আইসিইউতে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা করছেন- এমন চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে সিএনএন অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি শ্বাসকষ্টে ভুগলে তাকে উপুর করে শুইয়ে দিয়ে প্রাকৃতিকভাবেই অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়ানো যায়। এই পদ্ধতিকে বলা হয় ‘প্রোন পজিশনিং’।

ডা. নরসিমহান বলেন, এই প্রক্রিয়া শতভাগ কাজে দেয়। এটি খুব সহজ উপায়। আমরা দেখছি এতে রোগীর অসাধারণ উন্নতি হচ্ছে।

ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের পরিচালক ডা. ক্যাথরিন হিবার্ট বলেন, আপনি যখন দেখবেন এই পদ্ধতিতে কাজ হচ্ছে তখন বারবার আপনি একই কাজ করতে চাইবেন। আর কোভিড-১৯ আক্রান্ত শ্বাসকষ্টে ভোগা মারাত্মক রোগীকে উপুর করে শুইয়ে দিলে তা টনিকের মতো কাজ দিচ্ছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের অনেকেই তীব্র শ্বাসকষ্টে ভোগেন। এর সঙ্গে যদি ওই ব্যক্তির নিউমেনিয়া বা জটিল কোনো রোগ থাকে তাহলে তাকে বাঁচানো কঠিন হয়ে যায়।

সাত বছর আগে ফ্রান্সের একদল চিকিৎসক নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে একটি গবেষণা প্রকাশ করেন। তারা দেখান যে, শ্বাসকষ্টে ভোগা যেসব রোগীকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়, তাদের উপুর করে শুইয়ে রাখলে মৃত্যুর সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকরা আগে থেকেই এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। করোনাভাইরাসের মহামারির সময় এই পদ্ধতিটিই এখন দেশটিতে কাজে দিচ্ছে বেশি।

নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে দেখা গেছে, করোনাভাইরাস আক্রান্ত শ্বাসকষ্টে ভোগা এক রোগীকে উপুর করে শুইয়ে দেওয়ার পর তার রক্তে অক্সিজেনের সরবরাহ ৮৫ শতাংশ থেকে বেড়ে এক লাফে ৯৮ শতাংশে উন্নীত হয়।

যেসব রোগীকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয় তাদের সাধারণত দিনে ১৬ ঘণ্টা উপুর করে শুইয়ে রাখা হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, উপুর করে শুইয়ে রাখলে অক্সিজেন পাওয়া সহজ হয় রোগীর জন্য। কিন্তু যখন পিঠের ওপর ভর করে শোয়ানো হয় তখন অক্সিজেন সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করে।

জীবাণুমুক্ত করবেন প্রতিদিনের বাজার,
দৈনন্দিন কিছু বাজার প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে শাকসবজি, মাছ-মাংস অন্যতম। আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই তাতে নানা রকমের রাসায়নিক যেমন- কীটনাশক, ফরমালিন মেশানো থাকে। সেই সঙ্গে থাকে ক্ষতিকারক ধুলাবালি ও ময়লা। এগুলোর সঙ্গে রোগ বহনকারী জীবানু থাকে।

করোনা তাণ্ডব বেশিদিন থাকবে না:
নোবেলজয়ী জীববিজ্ঞানী মাইকেল লেভিট করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে আশার বাণী শুনিয়েছেন। এর আগে এ ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে একাধিক নির্ভুল পূর্বাভাস দেওয়া লেভিট বলেছেন, কভিড-১৯ মাসের পর মাস বা বছরের পর বছর ধরে ছড়িয়ে পড়বে না। এতে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যুও ঘটবেনা

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ