শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

খায়বার‌ই তোমাদের শেষ সুযোগ!


যুবক ইহুদীর হাতে এই প্লেকার্ড কী বার্তা দিচ্ছে ?

প্লেকার্ডটিতে লেখা আছে ‘
KHAYBAR JAS YOUR LAST CHANCE

উল্লেখ্য, খায়বার মদিনা থেকে আশি মাইল দূরে অবস্থিত ইহুদি অধ্যুষিত একটি এলাকা ছিলো। যেখান থেকে ইসলাম ও মুসলমানদের ধ্বংস করার জন্য ষড়যন্ত্র করা হতো।

নবী কারীম (সা:) তাদের সাথে শান্তি চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু তারা সেই চুক্তি ভঙ্গ করে মদীনায় হামলা করার ষড়যন্ত্র করেছিলো। যার প্রেক্ষিতে সপ্তম হিজরীতে খায়বারকে অবরুদ্ধ করা হয় এবং ইহুদীরা মুসলমানদের হাতে শোচনীয়ভাবে পরাজয় বরণ করে। এটি ছিল ইহুদীদের উপর মুসলমানদের একটি ঐতিহাসিক বিজয়।

ছবিতে উল্লেখিত যুবক প্লেকার্ড হাতে মুসলমানদের এ বার্তই দিচ্ছে যে, খায়বারই তোমাদের শেষ বিজয়। ইহুদিরা আর কখনো মুসলমানদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেবে না।

একটু লক্ষ্য করুন, ইহুদি জাতি মুসলমানদের নিয়ে কতটুকু গবেষণা করে ! তারা কি পরিমান ইসলামের ইতিহাস জানে!

শিশুকাল থেকেই প্রতিটি ইহুদি একটি লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে বেড়ে ওঠে। আর তা হল ছলে, বলে, কলে, কৌশলে বা শক্তিতে যেভাবে হোক ইসলাম ও মুসলমানদের ধ্বংস করতে হবে। পৃথিবীতে ইহুদিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এজন্য তাদের যুবক-যুবতী থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকলেই প্রস্তুতি গ্রহণ করে এবং সারা বিশ্বব্যাপী তাদের স্কিম বাস্তবায়নের জন্য সর্বস্ব বিলীন করে। ইসলামকে ধ্বংস করার জন্য তারা শত বছরের পরিকল্পনা আঁটে এবং সে অনুযায়ী ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী কাজ করতে থাকে।

কিন্তু তার বিপরীতে মুসলিম জাতি সবাই আত্মকেন্দ্রিক। নামে মাত্র মুসলমান। নিজেদের দ্বীন ধর্ম ও ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞ। জীবনের কোন লক্ষ্য নেই। কারো লক্ষ্য থাকলেও কোনো সমন্বয় নেই।
অথচ প্রতিটি মুসলমানের একটি লক্ষ্য আছে। কোরআনে যাদেরকে বলা হয়েছে খলীফাতুল্লাহ বা আল্লাহ কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি।

শুধু আলেম-ওলামা বা দ্বীনদার ব্যক্তি নয়; প্রতিটি মুসলমান পৃথিবীর বুকে আল্লাহর প্রতিনিধি। অর্থাৎ আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। এটাই আমাদের লক্ষ্য এবং মুসলমান রূপে জন্ম লাভের উদ্দেশ্য। এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থেকে আজ মুসলিম জাতি কতটা দূরে। মুসলমান আজ জানেই না কী তার দায়িত্ব! কি তার সৃষ্টির রহস্য!

যারা অল্প স্বল্প ধর্মকর্ম পালন করে তারা মনে করে শুধুমাত্র ব্যক্তিজীবনে কিছু ইবাদত-বন্দেগী করলেই আমরা পার পেয়ে যাবো। অথচ এই ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল। খিলাফতের দায়িত্ব আল্লাহপাক আমাদের দিয়েছেন তা যদি আমরা পালন না করি তাহলে কেয়ামতে আল্লাহর কাছে জবাব দিতে হবে। সেই সাথে দুনিয়ার জীবনও হবে লাঞ্ছনা ও বঞ্চনাপূর্ণ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ