শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

অনুসন্ধান : মিশন জেলজীবন,


কারাগারের অন্ধকার জগত নিয়ে একটা অনুসন্ধানী রিপোর্ট তৈরির লক্ষ্যে আমাদের একটি রিপোর্টার্স টিম গত বছর দেড়েক যাবৎ অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তারা প্রতিমাসে জেল থেকে বেরিয়ে আসা বন্দিদের সাথে কথা বলা, অসংখ্য বন্দিদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা, নিজেরা বন্দিদের সাথে ভিজিট করে এমনকি এদের মধ্যে ক'জন আছে যারা জেল ফেরত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। ফলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার তথা কেরানীগঞ্জ জেল ও কাশিমপুর জেল ১,২,৩,৪ তাদের কাছে পরিষ্কার ছবির মতো বলে তারা মনে করে। তারা মনে করে একটা সঠিক টিম ওয়ার্ক পারে কারাগারের ভয়ংকর নোংরা দুর্নীতির খবর দিতে। আমরা কেরানীগঞ্জ কারাগার ও কাশিমপুর কারাগার ১,২,৩,৪ -এর বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের একটা ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করতে যাচ্ছি। আপনাদের চোখ রাখার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা ছয়টি পর্বের এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটির শেষ পর্বে আমাদের মতে এর সমাধান কি হতে পারে তাও প্রকাশ করবো ইনশাআল্লাহ। করা না করা আদালতের বিষয়। চোখ রাখুন আসছে,....


কেরানীগঞ্জ কারাগার:

এক্স চীফ রাইটার ফারুক আবার ফিরে এসেছেন কেরানীগঞ্জ কারাগারে চীফ রাইটার হয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেবার গোপন ইচ্ছা নিয়ে! ফারুক গত বছর‌ও চীফ রাইটার ছিল কেরানীগঞ্জ জেলের। সেখানের টাকায় সে বিশাল আয়োজনে মেয়ের বিয়ে, জমিজমা কেনা, বিল্ডিং বানানোর মতো সব স্বপ্ন‌ই সে পুরন করেছে অবৈধ পথে। 

কাশিমপুর কারাগার-১: 

যেখানে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মতো বিশ্ব পরিচিত ব্যক্তিত্ব, আমীন হুদার মতো জাতীয় শক্র, ডেসটিনির রফিকুল আমীনের মতো ক্রিটিক্যাল মাইন্ড, মগবাজারে কাইল্লা পলাশের মতো ভয়ংকর টিটি বন্দিসহ রয়েছে টপ টেনশন জেএমবি ওয়ার্ড। কাশিমপুর কারাগার-১ এমনি অনেক সংখ্যার কুখ্যাত বন্দিদের জেলজীবন চলছে পাঁচজন নারীর কাঁধের উপর!জী তাই। কাশিমপুর কারাগার-১ এর সিনিয়র সুপার রত্না রায় থেকে শুরু করে জেলার, দুই সিভিল সার্জন ও একজন ডেপুটি জেলার সবাই নারী! এরপর রয়েছেন তিনজন ডেপুটি জেলার পুরুষ সদস্য মোঃ সিরাজ, গোলাম সাকলাইন, জাহিদ যারা মূলত এই জেলের গাব্বার সিং। কে না বোঝে যে একটা পুরুষদের জেলে নারীদের প্রবেশ ও পরিচালনা অসম্ভব প্রায়। অথচ এমন একটা সেনসেটিভ জেল চলে সর্বোচ্চ পদমর্যাদায় থাকা পাঁচজন নারীসহ আরো নারীদের দেওয়া নিরাপত্তায়! 

কাশিমপুর কারাগার-২: 
চালানে আসা মাদক ডিলার ও অপরাধীদের অভয়ারণ্য চাইলেই সব মিলে , টাকা ছাড়া একফোঁটা পানিও মিলেনা । দোকান পাট সুপার স্টোর । চাহিবা মাত্র মোবাইল মিলে মাসিক ১৫ হাজার বাটন, এন্ডয়েড তিরিশ আর কিছু রোগ করলেই ট্যাব ও মিলে । 

কাশিমপুর কারাগার-৩: 
নরসিংদীর পাপী পাপিয়া , জেনেভা ক্যাম্পের মাদক ডন পাঁচুর স্ত্রীর পাপিয়া সুন্দরীরা এই কারাগারে বসে ভরপুর মাস্তি করছে , বলতে লজ্জা লাগে কিন্তু না বললেই নয় কাশিমপুর কারাগার তিন তথা এই মহিলা কারাগারটি একটি সমকামীতার আখড়া আমাদের কাছে আছে। আমাদের ১৬৪ এ যারা বর্ণনা দিয়েছে তা শুনলে ঘেন্নায় শরীর রি রি করে উঠে। মাদক আর অবৈধ মোবাইল ছাড়া তো তাদের চলেইনা। 

কাশিমপুর কারাগার ৪: 
হাই সিকিউরিটি সেল । এখানের বন্দীরা আছে যেন লাস ভেগাসে !! বিস্তারিত পরে শুনবেন।



কেইস টেবিল ,যেখানে মুরগী (জেলের ভাষায় ) সেটিং করা হয় কে কোথায় কার ওয়ার্ড এ কাকে নিবে অনেক টা গরু ছাগলের হাটের মতো , আমদানি ওয়ার্ড এ ফাইল এর নামে নির্যাতন কেসকি ফাইল ও ইলিশ ফাইল এ ঘুমাতে বাধ্য করা , পিসি কেন্টিন বর্ধিত মূল্যে পন্য কেনা বেচা , চৌকা যেখানে অবৈধ পদ্ধতিতে খাদ্য বিক্রি তাকে বলে চপ চপ সাপ্তাহিক বিল ১৫০০ , বিভিন্ন দফা যেখানে এবং কামপাশ এ দিতে হয় টাকা প্রশাসনকে মেডিকেল এ রোগী ফ্লোরে সুস্থ মানুষ বেডে বিনিময়ে পাঁচ দশ হাজার মাসে,সেল তো অনেকটা আবাসিক হোটেল , ডিভিশন একিই, ফাঁসির সেল , টাওয়ার ওয়ার্ড যেখানে উঠতেও টেকা নামতেও টেকা , ভয়ংকর জেএমবি ওয়ার্ড , ওয়ার্ড পাশ ৫০০/১০০০ , ওয়ার্ড খরচের নামে অবৈধ সুবিধা গ্রহনে আলাদা আলাদা চার্জ ওয়ার্ডভেদে ইত্যাদি ইত্যাদি আসিতেছে ........চোখ রাখুন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ