পৃথিবীর জন্য করোনা সবচেয়ে যে বিশাল ইতিহাস রচনা করে গেলো তা হচ্ছে আমেরিকার আন্তর্জাতিক অপকর্মের অবসান ও ভারতের নিরব বিশ্ববাজার দখল স্বব্ধ।
"আমেরিকা", -আটলান্টিকের ওপারের এই দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার মতো বৃহত্তম দেশটি ভেঙ্গে এগারো টুকরো হবার পর থেকে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে এসে সারাবিশ্বে একটা অদ্বিতীয় ভুমিকা রেখে চলছিল। আমেরিকার সেই ভূমিকার একমাত্র উদ্দেশ্য ও বিধেয় ছিল সারা বিশ্বের মানুষের ধ্বংস এবং ইহুদী তন্ত্রে একটা নতুন বিশ্ব তৈরি। সেই বিশ্ব কাজ করবে, উৎপাদন করবে আর তারা তা ভোগ করবে নিজ দেশে।
আমেরিকান নামের মিশ্রিত মানুষের জাতিটি তাদের এই বদইচ্ছা পুরণ করতে সারাজীবন তারা নষ্ট করেছে অসংখ্য জাতির জীবনের সুখশান্তি। ধ্বংস করেছে জাতির পর জাতির অধিকার, সভ্যতা। তারা রাজনীতির নামে সারা বিশ্বে কায়েম করেছে একটা নোংরানীতির প্রচলন। সেদেশে একের পর এক নতুন মুখ হিসেবে এসেছে প্রেসিডেন্ট যারা প্রত্যেকেই হতাশ করেছে পৃথিবীবাসীকে। যাদের প্রত্যেকের জীবন বৃত্তান্ত অস্বাভাবিক অন্যরকম। এই অন্যরকমের মধ্যে বর্তমান চলমান প্রেসিডেন্টটি এতোই অন্যরকম যে তার আর যা যা কিছু আছে তার মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো ক্যাসিনো তথা জুয়ার দোকানটি তার!
ভাবতেই অবাক লাগে একটি জাতির কর্ণধার ও তার বিচিত্র-বৃত্তান্ত। ট্রাম্পের রুচি, নারীর প্রতি আসক্তি ও আচরণ পৃথিবীর জন্য একটা লজ্জার বিষয়, আশা করি এতে কারো দ্বিমত নেই, ইহুদীবাদীদের কথা ভিন্ন।
একের পর এক পৃথিবীর মানুষের জন্য ভয়ঙ্কর থেকে ভয়ঙ্করতর প্রেসিডেন্ট আসতে আসতে বর্তমান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্প যখন সবাইকে ছাড়িয়ে পৃথিবীর সব মানব সভ্যতার জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক নেতা হয়ে অপকর্ম একশো ভাগ সচল রেখেছিল, ঠিক এমন সময় এলো "করোনা" আমাদের বাসভূমি এই পৃথিবীতে।
"করোনা", -মহামারী, ভাইরাস, দুর্যোগ, গজব ইত্যাদি বহু বিশেষণে পৃথিবীতে প্রচলিত হলেও প্রকৃতিগতভাবে এটাকে সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত গজব বলাই ঠিক হবে বলে মনে করে পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ ও জাতি। করোনা নিয়েছে এবং এখনো নিয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর হাজার হাজার প্রাণ। লন্ডভন্ড হয়ে গেছে পৃথিবীর জীবন ব্যবস্থা। পৃথিবীর মানুষের কাছে এখন পর্যন্ত করোনাই সবচেয়ে বড়ো আতঙ্ক এবং অজানা রহস্য। করোনা কালের সবচেয়ে বড়ো রহস্য আমেরিকার ক্ষমতায় ধ্বস! যে ধ্বস ক্ষমতাহীন করে দিয়েছে আমেরিকা নামের দেশটির প্রেসিডেন্টের অবস্থান।
যে ট্রাম এই ছয়মাস আগেও গোটা বিশ্বটাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে খেলছে এখন সে যেনো 'কেউ না' পৃথিবীর!
চীন বিশ্বের লিডিং নিয়ে নিচ্ছে ওপেন! আর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট শুধু চেয়ে চেয়ে দেখেন! তার যেনো কিচ্ছু করার নেই! এমতাবস্থায় আমেরিকার বুদ্ধিমান সমাজ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট চরিত্রটিকে আবার চাঙ্গা করার উদ্দেশ্য নিয়েছে। সেই উদ্দেশ্যেই তারা নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে ডোনান্ড ট্রাম্পকে।
নোবেল শান্তি পুরস্কার কি?
একটি মুসলিম রাষ্ট্রের সাথে ইহুদী রাষ্ট্রের চুক্তিতে সহায়তা করায় নোবেল পুরস্কারে মনোনীত করা হয়।
নোবেল শান্তি পুরষ্কারে মনোনীত ডোনাল্ড ট্রাম্প,
০৯-০৯-২০২০, ১৬:৩৪
২০২১ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরায়েলের ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তিতে মধ্যস্থতা করার মাধ্যমে তিনি এই পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্কাই নিউজ এর একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নরওয়েজিয়ান রাজনীতিবিদ ক্রিশ্চান টাইব্রিং-জিজেদে মার্কিন রাষ্ট্রপতির নামটি এগিয়ে রেখেছে।
টাইব্রিং-জিজেদে বলেছেন, 'তার যোগ্যতার জন্য, আমি মনে করি তিনি শান্তি পুরষ্কার পাওয়ার যোগ্য। অন্যান্য মনোনীত প্রার্থীদের চেয়ে দেশগুলির মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আরও বেশি চেষ্টা করেছেন তিনি।'
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা ঘোষণা করেছেন যে, ট্রাম্প সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যকার সম্পর্ককে স্বাভাবিক করার মধ্যপ্রাচ্য চুক্তির জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর একটি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান করবেন।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে নোবেল শান্তি পুরষ্কারের জন্য ৩১৮ জন প্রার্থী ছিলেন।
আমেরিকা হাইলাইটসে আসার জন্য এখন মরিয়া কিন্তু কোন পথ খুঁজে পাচ্ছে না তারা। এই দুরহ পরিস্থিতিতে তারা নোবেল পুরস্কার নিয়ে যে গেইম রচনা করেছে তাও কোন কাজে আসবে না বলেই পৃথিবীর অধিকাংশ বোদ্ধারা মনে করেন। তাঁরা মনে করেন যে কোন প্রাকৃতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া আমেরিকার আবার পূর্যের অবস্থায় ফিরে যাওয়া অসম্ভব। আর এইসব নোবেল পুরস্কার? বর্তমান যে ধারায় পৃথিবী চলছে তা আর কিছু দিন চলার পর নোবেল পুরস্কারের ধারারই পরিবর্তন করতে হবে বাধ্য হয়ে, নয়তো এই নোবেল পুরস্কারও আমেরিকার নৈরাজ্যময় ক্ষমতার মতো হয়তো একদিন এই পৃথিবী থেকে উবে যাবে, সবাই শুধু চেয়ে চেয়ে দেখবে। তাদের কিচ্ছু করার থাকবে না, ভিতরে তিতরে আফসোস করা ছাড়া।

0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা