লোভ-লালসা আর ব্যবসায়ী নীতির কাছে চিকিৎসা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত।
নামমাত্র কয়েকজন ব্যতিত চিকিৎসক আর চিকিৎসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ টাকা ছাড়া কিছুই বুঝেন না! মানুষের জীবন তাদের কাছে তুচ্ছতাচ্ছিল্য!
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রি. রাত ৯ ঘটিকায় ডেলিভারির জন্য মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৭নং চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের বলিয়ারবাগ গ্রামের প্রবাসী আহাদ মিয়ার স্ত্রী গর্ভবতী লিলি বেগম মৌলভীবাজার শহরের বদরুন্নেসা প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হোন।
ভর্তির প্রায় ২ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও হাসপাতালে কর্তৃবরত চিকিৎসক, নার্সরা কোন চিকিৎসা সেবা না দেওয়ায় রাত প্রায় ১১ ঘটিকায় গর্ভবতী লিলি বেগমের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার পরপরই বদরুন্নেসা প্রাইভেট হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্টাফ সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। পরে মৃত্যু লিলি বেগমের আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং মৃত্যু লিলি বেগমের স্বজনদের আইনি সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে বলে আসস্থ করেন।
অতীতেও আমরা এরকম অনেক ঘটনাই দেখেছি। যার সঠিক কোন বিচার কিন্তু দেখিনি। বারবার এই রকম জঘন্যতম ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটতেছে কিন্তু বিচার হচ্ছে না বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
যার ফলস্বরূপ-
মৌলভীবাজার শহরে বদরুন্নেসা প্রাইভেট হাসপাতালে ঘটে যাওয়া এটি আরেকটি জঘন্যতম ঘটনার উদাহরণ।
"বিচারহীনতার কারণেই বারবার একোন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে বা ভবিষ্যতে আরও ঘটবে তাতেও সন্দেহ নেই!?এই রকম যদি চলতেই থাকে তাহলে তো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মদের জন্য আমরা রেখে যাবো একটি ঘোর অন্ধকারময় চিকিৎসা ব্যবস্থা! যার শুধুই ধ্বংস স্তুপের কারণ ছাড়া কিছুই নয়!" ,মৃতার এক আত্মীয় বলেন।
ভুক্তভোগীরা বলেন, "আমরা প্রশাসনের প্রতি বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, অবিলম্বে সকল দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা প্রদান করুন।যাতে করে অন্তত অন্যরা যেন এর থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে।"


1 মন্তব্যসমূহ
এলজ্জা রাখি কোথায়?সবার স্বপদ নিয়ে বর্তমানে বেশির ভাগ ডাক্তার টাকার জন্য কশাই বনেযায় ছি।
উত্তরমুছুনDo good not be good.
- সাফকথা