আমি ঢাকা কমলাপুরে ডিউটিরত পুলিশ এসআইকে বলতে শুনেছি,
সেপাইকে প্রশ্ন করে,"বাংলাদেশ প্রতিদিন কি?"
"পত্রিকা", সিপাহি।
"কি? অনলাইন টনলাইন নাকি?"
"না স্যার বাংলাদেশ প্রতিদিন, এইদেশের প্রথমসারির পেপার, ঐ যে পত্রিকা....", পাশ থেকে আরেক সিপাহি বলে দেয়।
একজন এসআই মানে বাংলাদেশের গ্ৰাজুয়েড, সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ সার্টিফাইড প্রাত্তন ছাত্র ......, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পর্কে সে 'ব্লাইন্ড বাই বর্ণ'! শুধু তাই নয়! তার ডিউটি রাজধানী ঢাকা শহরের মধ্যবিন্দুতে। যেখানে চোখ মেললেই রাস্তায় রাস্তায় দেখা যায় পত্রিকা থরে থরে সাজানো রয়েছে!
দেশের জরুরী সব পোষ্টগুলি দুর্নীতি করে অযোগ্য লোকজন দিয়ে ফিলাপ করে রাখা হয়েছে। যার ফলে বর্তমান বাংলাদেশের উৎপাদিত স্টান্ডার্ট অফ লাইফ হিতাহিত জ্ঞানশূন্য! বাংলাদেশের সর্বপর্যায়ে বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়ো পরিস্থিতি!
চলমান সময়ে তুলনামূলক ভাবে বাঙ্গালীর রুচিই পৃথিবীর সবজাতির রুচির তুলনায় নিম্নশ্রেনীর বলে প্রমাণ মিলে বিদেশে গিয়ে পাশাপাশি রেখে দেখলে। এর মূল কারণ 'নীতিহীন ভিত্তি'। এইদেশে গত দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে দুর্নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত উন্নয়নের ফাউন্ডেশন! মনে হয় এটা হয়তো অভিশাপের নতিজা।
আমরা ভুলি নি, বাঙ্গালী আবরার হত্যার মাধ্যমে একইসাথে ২২টি মেধা ধ্বংসকারী জাতি। তাছাড়া, এই দেশে কোটা, টাকা, নয়তো ভাই নীতির মাধ্যমে গত ২৮ বছরে অযোগ্য ও ভয়ংকর দলীয় লোকজনকে এমন ভাবে জাতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে যে আর লাগবে না .... এবং এর থেকে পরিত্রাণের উপায় মুসকিল! আর এখন পর্যন্ত আল্লাহর প্রাকৃতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এই পাপের আগুন থেকে মুক্তি লাভের জন্য অন্য কোন দ্বিতীয় ব্যবস্থা আছে বলে মিলে নি।
বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর সিনিয়র রিপোর্টার, এদেশের জীবন্ত কিংবদন্তি খ্যাত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের বাদশাহ সাইদুর রহমান রিমন আজ তাঁর ফেইসবুক স্ট্যাটাসে এমনি একটি পরিস্থিতিতে প্রশ্ন রেখেছেন, তবে বাপ্পি সিকদারের কঠিন সম্পর্ক আছে মাগুরা ডিসি'র সিও সাহেবের সঙ্গে। তিনিই কী এই জেলার দন্ডমুন্ডের কর্তা হয়ে দাঁড়ালেন কী না কে বলবে তা???
নীচে তাঁর সেই স্টাটাসটিও হুবুহু দেওয়া হয়েছে,
মাগুরার অদৃশ্য ক্ষমতার সিএ বাপ্পী সিকদারের কাহিনী
===========================================
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা ইউএনও'র সিএ (গোপনীয় সহকারী) হিসেবে বাপ্পী সিকদার নামের একজন ভাগ্যবান কর্মচারীর সন্ধান পাওয়া গেছে। ভাগ্যমান এ শ্রীমানের গত নয় বছরেও বদলী হতে হয়নি, গোটা উপজেলা পরিষদকে তিনি তার বসতবাড়ি বানিয়ে বসেছেন। তাকে হটানোর চেষ্টাকারী তিন ইউএনও'কে শ্রীপুর ছাড়তে হয়েছে, তবু তিনি আছেন বহাল তবিয়তে। তার ব্যাপারে অন্তহীন অভিযোগ রয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তও চলছে। ভারতে বাড়ি বানানো থেকে শুরু করে বিঘায় বিঘায় জমি কেনার তথ্য রয়েছে দুদকে। পত্র পত্রিকায় তার অনিয়ম, দুর্নীতি, দুর্ব্যবহারের খবরা খবর নিয়মিত প্রকাশ পেলেও অদৃশ্য খুটির বলে তিনি বরাবরই শ্রীপুরেই থেকে যান।
বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তর থেকেও তার নামে ন্তেপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু সবকিছু মাগুরার জেলা প্রশাসকের দপ্তর পর্যন্ত গিয়েই ডাস্টবিনে ঠাঁই হয়। কী এমন ক্ষমতা এ সিকদারের তা নিয়ে শ্রীপুরের মানুষজনের অন্তহীন কৌতুহল রয়েছে। তবে বাপ্পী সিকদারের কঠিন সম্পর্ক আছে মাগুরা ডিসি'র সিও সাহেবের সঙ্গে। তিনিই কী ওই জেলার দন্ডমুন্ডের কর্তা হয়ে দাঁড়ালেন কী না কে বলবে তা???
0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা