ঐতিহাসিকদের মতে গ্রিক এবং হেলেনীয় জ্যোতির্বিদদের হাতে জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিকাশ ।জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসের একটি গুরুতর পর্যায়। গ্রিক জ্যোতির্বিদ্যার প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল মহাকাশীয় ঘটনাবলীর জন্য একটি বাস্তবিক, যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা খুঁজে বের করা করা।উত্তর গোলার্ধের অধিকাংশ নক্ষত্রমণ্ডলীর গঠন গ্রিক জ্যোতির্বিদ্যা থেকেই পাওয়া যায় । এমনকি বেশিরভাগ সৌরজাগতিক গ্রহের নাম, এবং বেশ কিছু নক্ষত্র এবং গ্রহাণুর নামও তাদের দেওয়া। গ্রিক জ্যোতির্বিদগণ মিশরীয় এবং ব্যাবিলনীয় জ্যোতির্বিদ্যা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। আলেকজান্ডারের রাজ্যবিস্তারের মাধ্যমে সমগ্র হেলেনীয় বিশ্বে গ্রিক ভাষা বিদ্যাচর্চার মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এসব অঞ্চলের বিদ্যার্থীরা গ্রিক বিদ্যাচর্চায় যুক্ত হয়েছিলেন।
গ্রিক জ্যোতির্বিদ্যার প্রভাব লক্ষ্য করা যায় ভারতীয়, আরব-ইসলামিক এবং পশ্চিম-ইউরোপীয় জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চায়। খ্রীষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে এই উপমহাদেশে গ্রেকো-ব্যাক্ট্রিয় রাজ্যের আই-খানুম শহরে হেলেনীয় জ্যোতির্বিদ্যার প্রচলন ছিল। সেখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে বেশ কিছু সূর্যঘড়ি পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি নীরক্ষীয় সূর্যঘড়ি উজ্জয়িনী শহরের অক্ষাংশ অনুযায়ী স্থাপিত। মৌর্য সাম্রাজ্যের সঙ্গে গ্রিক সম্পর্ক স্থাপন এবং পরবর্তীতে ইন্দো-গ্রিক সাম্রাজ্যের বিস্তারের ফলে সে সময়ে দুই অঞ্চলে জ্ঞানচর্চার আদান-প্রদান ঘটেছিল। |
0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা