নাজমুল হুদা ভাই-এর স্টাটাসটি তুলে রাখলাম।
নিচে হুবুহু তুলে ধরা হয়েছে,
প্রতিদিনই একটা করে নতুন ইস্যু তৈরি হচ্ছে। সেদিন সেনাবাহিনীর কবরস্থানে একটি দাফনকাজ এ গিয়ে দেখে এলাম মেজর (অবঃ) সিনহা'র কবর। সুন্দর সবুজ ঘাসের আচ্ছাদনে শুয়ে আছে একজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ এক ঘোরতর অন্যায়ের শিকার হয়ে। আমরা অবলীলায় ভুলে যাচ্ছি তাকে। সাকিবের তিন ম্যাচ নিষিদ্ধের শাস্তিও অচিরেই শেষ হয়ে যাবে। পাচ লক্ষ টাকা জরিমানা তার জন্য বড় কোন বিষয় নয়। কিন্তু পচে গলে দুর্গন্ধ ছড়ানো দুর্ণীতিবাজ ক্রিকেট প্রশাসনের কিছুই হয়নি। দু'জন তরুণ খেলোয়াড় এরকম বাটপাড়ি আম্পায়ারিং এর প্রতিবাদে অস্বাভাবিক রান দেয়ার শাস্তি হিসাবে স্থায়িভাবে বহিষ্কৃত হয়েছিল। তখন আম্পায়ারের কিছু হয়েছিল কি? সাকিবের পক্ষে আমরা কেউ ছিলাম না কিন্তু প্রকাশ্যে ম্যাচ ফিক্সিং এবং চৌর্যবৃত্তির আম্পায়ারিং এর বিপক্ষে বেশিরভাগ মানুষই ছিল। 'সাকিব বেয়াদব' হুজুগ তুলে বিষয়টা ধামাচাপা দেয়ার দলে উপেক্ষাযোগ্য কিছু সুশীল বদমায়েশ সবসময়ই ছিল এবং থাকবে।পরীমনি'র ধর্ষণ বা হত্যাচেষ্টার ইস্যু সফলভাবেই আগের সব ইস্যু ভূলিয়ে দিল। একপক্ষ পরীমনি'র চরিত্র বিশ্লেষণ করে তাকে ধর্ষণ জায়েজ ঘোষণার আয়োজন করলো। আরেকপক্ষ ব্যাক্তিস্বাধীনতার সবক দিয়ে আবেগময় মাতমে নামলো। সংবাদ সম্মেলনে মিডিয়া কীটেরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কিছু গরম মশল্লা আবিস্কারের প্রাণপণ চেষ্টা করলেন। ইতিমধ্যেই শিল্পপতি নাসিরুদ্দিন সহ ছয়জন গ্রেফতার হয়ে গেলেন। নাসিরুদ্দিন পরীমনি'র কাছে দুই কোটি টাকা পাওনা দাবী করে ষঢ়যন্ত্রের অভিযোগ করছেন। মাঝখানে চাপা পড়ে গেল আবু ত্বহা'র গুম হয়ে যাওয়ার ঘটনা। ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সালাহউদ্দিন আহমদের গুম হওয়ার ঘটনা আমরা ফাইল চাপা দিয়ে ফেলেছি। ত্বহা'র স্ত্রী তিনদিন ধরে থানায় থানায় ঘুরে একটা জিডি লেখাতে ব্যার্থ হয়েছেন। আমার মতে, সব আলেমের এখন একজন করে চিত্রনায়িকা বিয়ে করা উচিৎ। এই সময়ে একজন আলেমের জেল বা গুম হয়ে যাওয়া একটি খুব স্বাভাবিক ঘটনা। এসব ক্ষেত্রে মিডিয়া বা প্রশাসনের মনযোগ পেতে একজন সাধারণ গৃহবধূর কোন মূল্যই নেই। ধর্ষণ কিংবা হত্যাচেষ্টার চাইতে গুম কি একটি ভয়াবহ অপরাধ নয়? প্রানীর শ্রেণীবিন্যাসে আমরা কি কর্ডাটা গোত্রে এখনও আছি? বৈজ্ঞানিকরা কি এখনও আমাদের হেমো স্যাপিয়েন্স বলেন?
0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা