
বাস কাউন্টার, রাস্তা, ফুটপাত, সরকারি জায়গা, সবই একে একে দখল করে চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছে শনির আখড়ার ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের ৬২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারন সম্পাদক উজ্জল আহমেদ বিপ্লব ও তার পিতা দাদা আলমগীর।মার্কেট, ফুটপাত, রাস্তা, অলিগলি দখল করে হকারদের ব্যবসা করার সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে।বিনিময়ে চিহ্নিত সিন্ডিকেট প্রতিদিন মোটা অঙ্কের চাঁদা তুলছে।এ চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে সংঘর্ষের ঘটনা।তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও জুলুম নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে এলাকাবাসী গত ২০১৯ সালে এপ্রিল মাসে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর একটি আবেদন করেন।এছারাও ২০১৯ সালে অক্টোবর মাসে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার ওয়ারী বিভাগ বরাবর একটি আবেদন করেন।সেই আবেদনের সাথে ঐ এলাকার বিভিন্ন লোকের গনস্বাক্ষর সংযুক্ত করা হয়েছে।অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে উজ্জল আহমেদ বিপ্লব যুবলীগের এক গডফাদার কে দশলক্ষ টাকার বিনিময়ে ৬২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারন সম্পাদকের পদ কিনে নেন। উজ্জল আহমেদ বিপ্লব তার ফুপু জুথী আক্তার বেলী (যার নেই কোন দলীয় পদ-পদবী) এবং বিপ্লবের পিতা দাদা আলমগীর ও বিপ্লবের চাচা জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ি এলাকার কাজলা ছনটেক থেকে শনির আখড়া,শেখদী রোড পর্যন্ত সব ধরনের অপরাধ, বাসডাকাতি,চুরি,ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ মাদক ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন করে আসছে এবং এসব এলাকার চাঁদার টাকা উত্তোলন করেন ১।আতিকুর রহমান বাবু ২।দীলিপ কুমার দিপু ৩।রুবেল ওরফে দাতু রুবেল ৪।মোঃ দেলু ৫। মোঃ সায়মন।এরা সকলেই ফুটপাত,চোরাই মোবাইল মার্কেট,বাস কাউন্টার সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগৃহীত চাঁদার টাকা উজ্জল আহমেদ বিপ্লব ও তার পিতা দাদা আলমগীর ও বিপ্লবের চাচা জাহাঙ্গীরের কাছে পৌছে দেন।তাছারা বিপ্লবের ফুপু জুথী আক্তার বেলীর একমাত্র পুত্র একাধিক মাদক মামলার আসামী আকাশ এর নেতৃত্বে ঐসব এলাকায় গড়ে উঠেছে একটি ভয়ঙ্কর কিশোর গ্যাং বাহিনী।গত ২২ জুন র্যাবের হাতে আকাশ বাহিনীর ৬ জন কিশোরগ্যাং সদস্য আটক হয়েছে।তাদের ছাড়াতে তথাকথিত আওয়ামীলীগ নেত্রী জুথী আক্তার বেলী দৌরঝাপ করে ব্যার্থ হন।আটক ঐসব কিশোরগ্যাং সদস্যরা উজ্জল আহমেদ বিপ্লব এবং তার চাচা জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে আসছেন বলেও জানা যায়।সরেজমিনে শনির আখড়া এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিদিনই নতুন নতুন ফুটপাত ও রাস্তা দখল হয়ে যাচ্ছে।পুরো শনির আখড়া এলাকায় ফুটপাতের কোনো অংশ আর খালি নেই।শনির আখড়া ব্রীজের ঢালে চোরাই মোবাইল ফোনের দোকান বসিয়ে চুরি যাওয়া ও ছিনতাইকৃত মোবাইলের দোকান বসিয়ে চোর ও ছিনতাইকারীদের অভয়াশ্রম গড়ে তুলেছেন উজ্জল আহমেদ বিপ্লব পিতা দাদা আলমগীর।শনির আখড়া বাঁশপট্রি এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ীদের কাছ খেকেও নিয়মিত মাসোহারা পান যুবলীগ নেতা উজ্জল আহমেদ বিপ্লব ও তার পিতা দাদা আলমগীর।এর মধ্যে অন্যতম মাদক হেরোইন ও ইয়াবা ব্যাবসায়ী একাধিক মাদক মামলার আসামী ৬২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারন সম্পাদক উজ্জল আহমেদ বিপ্লব এর আপন ফুপাতো ভাই ও সাবেক হেরোইন ব্যাবসায়ী আজিজের একমাত্র পুত্র,কথিত আওয়ামীলীগ নেত্রী জুথী আক্তার বেলীর ছেলে মাদক ব্যাবসায়ী ও চাঁদাবাজ আকাশ ও তার কিশোর গ্যাং বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ যাত্রাবাড়ি,ছনটেক,শেখদী,শনির আখড়ার এলাকাবাসী।
কে এই জুথি আক্তার বেলি?
২০০৮ সালের ১৮ মার্চ তারিখে সাপ্তাহিক অপরাধ চিত্র ম্যাগাজিনে মক্ষীরানী হিসেবে অভিহিত করে যুথী আক্তার বেলীর নামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।বিভিন্ন সময় পুলিশ কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে উজ্জল আহমেদ বিপ্লব, দাদা আলমগীর ও বিপ্লবের চাচা জাহাঙ্গীর বা বেলির ছেলের নাম আসে তখনই নিজেকে আওয়ামীলিগের নেত্রী বলে পরিচয় দিয়ে তাদেরকে বাঁচিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন এই জুথী আক্তার বেলী।গত সিটি নির্বাচনের আগের নির্বাচনে বেলি সংরক্ষিত মহিলা আসনে কাউন্সিলর প্রার্থী হন,কোন কেন্দ্রেপাশ করতে না পেরে সেই সময়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বেলী ও তার ভাই এবং পুত্র মিলে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অগ্রদূত বিদ্যানিকেতন হাই স্কুল কেন্দ্রে নির্বাচনী কর্মকর্তা,ম্যাজিস্ট্রেট,পুলিশ,র্যাবের উপড় আক্রমন চালায় এবং নির্বাচনী সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জুথি আক্তার বেলী ও তার একমাত্র ভাতিজা উজ্জল আহমেদ বিপ্লবকে আটক করে আরো ৭/৮ জনকে আসামী করে মামলা রুজ্জু করে জেলহাজতে পাঠায়।বর্তমানে উজ্জল আহমেদ বিপ্লব ৬২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মনোনীত হয়ে তার নিয়ন্ত্রিত বাহিনী ও আকাশের কিশোরগ্যাং এর অত্যাচারে বহুগুনে বেড়ে গেছে চাঁদাবাজি,মাদক ব্যাবসা,ও বিভিন্ন অসামাজিক অপরাধমূলক কর্মকান্ড।শনির আখড়ার বাঁশপট্রি মসজিদের দক্ষিন পশ্চিম কোনে তারা গড়ে তুলেছে যুবলীগের কার্যালয়ের নামে একটি টর্চার সেল।এখানে বসেই বিপ্লবের ডান হাত বলে পরিচিত ১।আতিকুর রহমান বাবু ২।দীলিপ কুমার দিপু ৩।রুবেল ওরফে দাতু রুবেল ৪।ফিরোজ সকল অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রন করে আসছেন। এর বিরুপ প্রতিক্রিয়ায় ধ্বংশ হচ্ছে যুব সমাজ।বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য ফুটপাতের উপরে পলিথিনের ছাউনি দেয়া হয়েছে।এজন্য আর ফুটপাত দিয়ে চলার মতো কোন অবস্থা নেই।হানিফ ফ্লাইওভারের নামার অংশের সামনে ফুটপাত ছাপিয়ে রাস্তার সিংহভাগ এখন বিপ্লব বাহিনীর দখলে।সে কারণে এ স্থানে যানবাহনের জটলা লেগেই থাকছে।সৃষ্টি হচ্ছে যানজট।কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশকে সে যানজট নিরসনে মাঝে মধ্যে তৎপর দেখালেও রাস্তা বা ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কোনো উদ্যেগ নিতে দেখা যায়নি। হকাররা জানান, পুলিশকে ম্যানেজ করে লাইনম্যান নামধারী চাঁদাবাজরা তাদেরকে ফুটপাত ও রাস্তা দখলের সুযোগ করে দিয়েছে।আর এসব লাইনম্যানদের পেছন থেকে মদদ দিচ্ছে চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের প্রধান বিপ্লব।তার একাধিক গ্রুপ রয়েছে।এর মধ্যে অন্যতম বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের সহযোগী ও বিপ্লবের সহযোগীরা।এ বিষয়ে ব্যাবস্থা নিতে এলাকাবাসীরা একযোগে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী,পুলিশের আইজিপি মহোদয়,র্যাবের মহা পরিচালক সহ দেশের সকল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগীতা কামনা করেছেন।
(লিংক:)

0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা