(একটা নীতিগত মানসিক সমস্যা)
অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে অনেক রাঘববোয়াল পুলিশ অফিসার রিটায়ার্ড করার পর নিজ প্রয়োজনে একজন এসআইকে পরিচয় দিলে অবজ্ঞার চোখে দেখে আর চাকুরীকালে কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না, সুবিধা না হলেই ফাঁসিয়ে দেওয়ার অমানবিক পদক্ষেপ নেওয়া ইত্যাদি অনেক অনেক বিষয় আছে যা ডিপার্টমেন্টের মনের কষ্ট। তারা তা তাদের স্ত্রীকেও বলতে পারেনা। শুধু বলে থাকেন,"পুলিশের চাকরীর কষ্ট কি জানো না!"
আজ গণমাধ্যম ফেইসবুকে একজন পুলিশ ভাই তাঁর মনের কষ্ট লিখেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী বরাবর। আশাকরি পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ফেইসবুক মিডিয়া থেকে একজন পুলিশ ভাইয়ের আওয়াজ আমাদের প্রধানমন্ত্রী তক্ পৌঁছাবে ইনশাআল্লাহ।
পুলিশ ভাইটির স্টাটাসটি নীচে হুবুহু তুলে দেওয়া হোলো,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই দেশে এখন বেঁচে থাকাটাও প্রায় অসম্ভব। আমার লাইভটি শেয়ার করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট পৌঁছে দিন।
আমি পুলিশ অফিসার ছিলাম কিন্তু মহামারী করোনায় গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে এখন জীবন্ত লাশ হয়ে বেঁচে আছি !! সেই লাশের সাথে যাঁহারা অমানবিক ও নিষ্ঠুর আচরন করেন তাঁহারা সত্যিই ভাগ্যবান !! আমার কপালডাই খারাপ তা-না-হলে ব্যক্তি জীবনে, সাংসারিক জীবনে, পারিবারিক জীবনে এবং চাকুরী জীবনে সর্বত্রই বার বার ভুল বিচারের সম্মুখীন হবো কেন? কারন একটাই উপর ওয়ালাকে ভয় করে কিংবা মৃত্যুকে ভয় করে আবেগ, বিবেক আর বাস্তবতার সাথে সমন্বয় করে চলতে গিয়ে খেয়াল করি নাই মুখের উপর সত্য কথা বলে আমি জীবনের শেষ প্রান্তে একা হয়ে যাবো !! করোনায় গুরুতর অসুস্থ্য হবার পরে আমার পাশে না আছে পরিবার, না আছে টাকা, না আছে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট !! শেষান্তে নিজের অযান্তে প্রশ্ন জাগে আমি কি খুব স্বার্থপর ছিলাম? আমি কি খুব লোভী ছিলাম? আমি কি খুব বিলাসী ছিলাম? আমি কি খুব অসৎ ছিলাম? চাকুরী জীবনে আমি ২০০৭-২০১২ সালে ভোলা সদর থানায় চাকুরী করিয়াছিলাম তখনও বেশ কয়েকবার আমাকে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসাবে পুলিশ সুপার, ভোলা মহোদয় নির্বাচিত করিয়াছিলেন। আমি ২০১২-২০১৪ সালে ঝালকাঠি সদর থানায় চাকুরী করিয়াছিলাম তখন বাংলাদেশের সংকটময় মূহুর্ত চলছিলো অর্থাৎ একটি বাহিনী সারা বাংলাদেশে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার মানষে ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড পরিচালনার অপতৎপরতায় লিপ্ত ছিলো। উক্ত পরিস্থিতি রোধকল্পে ঝালকাঠি জেলা শহরের গ্রেফতার হওয়া এসব রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসীদের মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগ আমার একার নেতৃত্বে গ্রেফতার করায় বেশ কয়েকবার আমাকে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসাবে পুলিশ সুপার, ঝালকাঠি মহোদয় নির্বাচিত করিয়াছিলেন। সর্বশেষ ২০১৫-২০১৬ সালে আমাকে বিএমপি, বরিশালের গোয়েন্ধা শাখা (ডিবি) তেও বেশ কয়েকবার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসাবে মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় নির্বাচিত করিয়াছিলেন। আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি তবে বরিশাল মহানগরীতে এপ্রিল ও মে/২০২০ মাসের করোনার করুন পরিস্থিতির সময় একমাত্র থানায় কর্মরত পুলিশের ভূমিকা দেখিয়াছি এবং সর্ব সাধারনকে সচেতন করার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে গিয়ে করোনায় গুরুতর আক্রান্ত হয়েছিলাম। আমি পুলিশে চাকুরী করে পুলিশের বদনাম করতে চাই নাই কিন্তু দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে তখন কি করার থাকে? বার বার ভুল বিচারের সম্মুখীন কেন হবো? পুলিশের বিপদে সাধারন মানুষ পুলিশকে কতো বাজে ভাবে মন্তব্য করে সেটাও নিচের ভিডিও বার্তার লিংকের মাধ্যমে উপলদ্ধি করলাম !! আজকের এই পোস্টের কারনে উপযাচক হয়ে কোন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা পুনরায় বিভাগীয় অত্যাচারের কথা জন সম্মুখে প্রকাশ করার অপরাধে শৃংখলা লংঘনের অপরাধে আমার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করবে তাই ঐ সব মামলা, হামলা ও হত্যার হুমকির জ্বালা যন্ত্রনায় পাগোল হওয়ার উপক্রম থেকে নিজেকে দুরে রাখার জন্য ঐ মানবিক পুলিশ পেশা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম না হয় সিনিয়রের অবিচার আর অত্যাচারে সরে যেতে বাধ্য হয়েছি !! যাইহোক অনেক কস্টের পরে যখন চিকিৎসার জন্য ছুটি পেলাম তখন আবার লক ডাউন। লক ডাউনের মধ্যে চিকিৎসা করানোর সুযোগটাও অনিশ্চিত হয়ে গেলো !! আসলে আমার ভাগ্যটাই দুঃখে গড়া সুখ পাবো কেমন? আশায় আছি ঐ পাড়ে বিধাতা হয়তবা হয়তবা সুখে রাখবেন.......
আজ গণমাধ্যম ফেইসবুকে একজন পুলিশ ভাই তাঁর মনের কষ্ট লিখেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী বরাবর। আশাকরি পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ফেইসবুক মিডিয়া থেকে একজন পুলিশ ভাইয়ের আওয়াজ আমাদের প্রধানমন্ত্রী তক্ পৌঁছাবে ইনশাআল্লাহ।
পুলিশ ভাইটির স্টাটাসটি নীচে হুবুহু তুলে দেওয়া হোলো,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই দেশে এখন বেঁচে থাকাটাও প্রায় অসম্ভব। আমার লাইভটি শেয়ার করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট পৌঁছে দিন।
আমি পুলিশ অফিসার ছিলাম কিন্তু মহামারী করোনায় গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে এখন জীবন্ত লাশ হয়ে বেঁচে আছি !! সেই লাশের সাথে যাঁহারা অমানবিক ও নিষ্ঠুর আচরন করেন তাঁহারা সত্যিই ভাগ্যবান !! আমার কপালডাই খারাপ তা-না-হলে ব্যক্তি জীবনে, সাংসারিক জীবনে, পারিবারিক জীবনে এবং চাকুরী জীবনে সর্বত্রই বার বার ভুল বিচারের সম্মুখীন হবো কেন? কারন একটাই উপর ওয়ালাকে ভয় করে কিংবা মৃত্যুকে ভয় করে আবেগ, বিবেক আর বাস্তবতার সাথে সমন্বয় করে চলতে গিয়ে খেয়াল করি নাই মুখের উপর সত্য কথা বলে আমি জীবনের শেষ প্রান্তে একা হয়ে যাবো !! করোনায় গুরুতর অসুস্থ্য হবার পরে আমার পাশে না আছে পরিবার, না আছে টাকা, না আছে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট !! শেষান্তে নিজের অযান্তে প্রশ্ন জাগে আমি কি খুব স্বার্থপর ছিলাম? আমি কি খুব লোভী ছিলাম? আমি কি খুব বিলাসী ছিলাম? আমি কি খুব অসৎ ছিলাম? চাকুরী জীবনে আমি ২০০৭-২০১২ সালে ভোলা সদর থানায় চাকুরী করিয়াছিলাম তখনও বেশ কয়েকবার আমাকে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসাবে পুলিশ সুপার, ভোলা মহোদয় নির্বাচিত করিয়াছিলেন। আমি ২০১২-২০১৪ সালে ঝালকাঠি সদর থানায় চাকুরী করিয়াছিলাম তখন বাংলাদেশের সংকটময় মূহুর্ত চলছিলো অর্থাৎ একটি বাহিনী সারা বাংলাদেশে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার মানষে ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড পরিচালনার অপতৎপরতায় লিপ্ত ছিলো। উক্ত পরিস্থিতি রোধকল্পে ঝালকাঠি জেলা শহরের গ্রেফতার হওয়া এসব রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসীদের মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগ আমার একার নেতৃত্বে গ্রেফতার করায় বেশ কয়েকবার আমাকে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসাবে পুলিশ সুপার, ঝালকাঠি মহোদয় নির্বাচিত করিয়াছিলেন। সর্বশেষ ২০১৫-২০১৬ সালে আমাকে বিএমপি, বরিশালের গোয়েন্ধা শাখা (ডিবি) তেও বেশ কয়েকবার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসাবে মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় নির্বাচিত করিয়াছিলেন। আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি তবে বরিশাল মহানগরীতে এপ্রিল ও মে/২০২০ মাসের করোনার করুন পরিস্থিতির সময় একমাত্র থানায় কর্মরত পুলিশের ভূমিকা দেখিয়াছি এবং সর্ব সাধারনকে সচেতন করার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে গিয়ে করোনায় গুরুতর আক্রান্ত হয়েছিলাম। আমি পুলিশে চাকুরী করে পুলিশের বদনাম করতে চাই নাই কিন্তু দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে তখন কি করার থাকে? বার বার ভুল বিচারের সম্মুখীন কেন হবো? পুলিশের বিপদে সাধারন মানুষ পুলিশকে কতো বাজে ভাবে মন্তব্য করে সেটাও নিচের ভিডিও বার্তার লিংকের মাধ্যমে উপলদ্ধি করলাম !! আজকের এই পোস্টের কারনে উপযাচক হয়ে কোন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা পুনরায় বিভাগীয় অত্যাচারের কথা জন সম্মুখে প্রকাশ করার অপরাধে শৃংখলা লংঘনের অপরাধে আমার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করবে তাই ঐ সব মামলা, হামলা ও হত্যার হুমকির জ্বালা যন্ত্রনায় পাগোল হওয়ার উপক্রম থেকে নিজেকে দুরে রাখার জন্য ঐ মানবিক পুলিশ পেশা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম না হয় সিনিয়রের অবিচার আর অত্যাচারে সরে যেতে বাধ্য হয়েছি !! যাইহোক অনেক কস্টের পরে যখন চিকিৎসার জন্য ছুটি পেলাম তখন আবার লক ডাউন। লক ডাউনের মধ্যে চিকিৎসা করানোর সুযোগটাও অনিশ্চিত হয়ে গেলো !! আসলে আমার ভাগ্যটাই দুঃখে গড়া সুখ পাবো কেমন? আশায় আছি ঐ পাড়ে বিধাতা হয়তবা হয়তবা সুখে রাখবেন.......

0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা