শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

বাংলাদেশ ট্রাফিক বাহিনী ও পোশাক পরে দুর্নীতি

মঞ্জুর মোর্শেদ : আমাদের দেশে পোশাকী ও প্রশাসনিক দুর্নীতি বলতে অধিকাংশ মানুষের কাছেই বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী একনম্বরে চিহ্নিত হলেও অনুসন্ধানবাদ প্রশ্নের সম্মুখীন হয় বাংলাদেশ ট্রাফিক বাহিনী‌ও। বলা হয়ে থাকে যে পরিবহনের সাথে যারা জড়িত নয় তারা কিছুতেই অনুমান করতে পারবে না যে এই দেশের ট্রাফিক ডিপার্টমেন্ট পোশাকে কতটা নির্মম ও খামখেয়ালি, কারণ একমাত্র উৎকোচ। এইদেশের একজন এস‌আই-এর চেয়ে কোনো অংশেই খারাপ চলে না একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট পরিবার। একজন টিআই মানে বিশাল সম্পদ এদিকে ওদিকে! তাদের নামে শত শত গাড়ি 'মানতি' চলে।
'মানতি' হচ্ছে পরিবহন সেক্টরের বহুল পরিচিত অনেক পুরোনো একটি অনৈতিক ধান্দা। এই ধান্দায় রুটপারমিট, আনফিট(কাগজ ও গাড়ি), লাইসেন্স বিহীন চালক, গাড়ীর ক্যাপাসিটি, বৈধতা ইত্যাদি অনেক ক্যাটাগরির অভাব থাকা সত্ত্বেও গাড়ী রাস্তায় চালানো হয় বিনিময়ে টিআই ও দাপুটে সার্জেন্টরা মাসিক হিসেবে অবৈধ টাকা নেয়।

পরিবহন শ্রমিকদের মতে, 
"ট্রাফিক ডিপার্টমেন্টের টাকা আগে পকেটে নেই তারপর গাড়ি স্টার্ট দেই .....!"

পরিবহন চালকদের মতে, ট্রাফিক ডিপার্টমেন্টের খামখেয়ালি মামলা পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ইয়াবা রিকভারি দিয়ে তৈরি অবৈধ মামলার চেয়ে কোনো অংশে কম ভয়ংকর নয়!

আর এইসব মামলার টাকা আসলে কতো কি কোথায় যায় তা জানলে মূর্ছা যাবার উপক্রম হয়। এছাড়া অবৈধ পার্কিং বানিজ্য, নো এন্ট্রি অমান্য, অসৎ আচরণ, খেয়াল খুশি মতো ডিউকি এগুলো তো ট্রাফিক ডিপার্টমেন্টের জন্য নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়।

এই করোনা কালেও ট্রাফিক বিভাগের হয়রানির শিকার একজন সাধারণ মানুষ আজ একটি ফেসবুক ষ্টাটাসে তুলে ধরেছেন তার হয়রানি ও সমাধানের প্রশ্ন। তার সেই স্টাটাসটি সত্যিই হতাশাজনক এবং কঠিন হয়রানি‌ও বটে।

উল্লেখ্য স্টাটাসটি নীচে হুবুহু তুলে দেওয়া হোলো এবং সেই সঙ্গে আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ‌ও করছি।

পুলিশের হয়রানির শিকার,,,, আমার ফার্মেসি দোকান আছে আমি হাজারি লাইন থেকে ওষুধ আনার সময় আমাকে আন্দরকিল্লায় সিগনাল দিলে আমি দারায় তারপর আমার ডকুমেন্ট দিতে বলে দেখার পর সবকিছু ঠিক ছিল তারপরও আমাকে মামলা দিবে বলছে,, আমি জিজ্ঞেস করেছি কিসের মামলা তারা বলে সরকারের আইন অমান্য করেছি,,,আমি ওষুধ নিয়ে আসছিলাম তারপর ও আমাকে মামলা দিছে রাইড শেয়ারিং মামলা,, আমিতো রাইড শেয়ারিং করি নাই আমার গাড়ির পেছনে আমার ভাই ছিল সাথে ৩ কার্টুনওষুধ ছিল,,,সার্জেন্ট মোহাম্মদ শাহিন,,, ট্রাফিক মোহাম্মদ শাহ আলম ,,আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে,,, কথা বললে ৬ হাজার টাকার মামলা দিবে বলছে এখন আমার করনীয় কি???

#এই_বিষয়টা_কোথায়_গেলে_সমাধান_পেতে_পারি অগ্রীম ধন্যবাদ

https://www.facebook.com/groups/364153520930958/permalink/774091176603855/

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ