
সোহেল রানা : সাংবাদিক পরিচয়ে লকডাউনে যাত্রী পরিবহণ অবশ্যই শাস্তিযোগ্য অপরাধ!!
সংবাদ সংগ্রহসহ জরুরী কাজে সাংবাদিকরা চলতে ফিরতে পারবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে।
তবে, এই পরিচয়ের অন্তরালে লকডাউনে যাত্রী পরিবহণ অবশ্যই শাস্তিযোগ্য অপরাধ কিন্তু বাংলানিউজের নিউজটা পড়ে দেখলাম নিউজে কিছু বিতর্কিত শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।
যেমন "নাম সর্বস্ব পত্রিকা" এখানে উল্লেখ্য যে, নাম সর্বস্ব পত্রিকা" বলতে কোন শব্দ নাই।
সরকারী নিবন্ধন থাকলে ক্ষুদ্র, মাঝারি, বড় কিংবা টাইটানিক সাইজের যেকোন পত্রিকা বা গণমাধ্যমই বৈধ।
নিবন্ধিত কোন পত্রিকাকে "নাম সর্বস্ব পত্রিকা" বলার কোন সুযোগ বা রাইট এন্ড টাইটেল অধস্তন কারো নাই।
বাংলানিউজের উক্ত সংবাদে আরও একটি অর্থবোধক শব্দ আছে "সেটা হচ্ছে" "নামধারী"।
হ্যাঁ, এই শব্দটা যৌক্তিক।
তবে কেউ যদি মোটেও কোন নিবন্ধিত গণমাধ্যম বা পত্রিকার সাথে সরাসরি না হয়েও যদি মিথ্যা স্টিকার লাগিয়ে সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে লোকসমাজকে কিংবা জনপ্রশাানকে ধোকা দিয়ে যেকোন অপরাধ ঘটায় তখন সেটা অবশ্যই শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আর অপরাধ তো অপরাধই" তা যে ব্যানারেই অসংগঠিত হোক না কেন।
তবে, দ্যর্তহীন কণ্ঠে স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই।
সরকার নিবন্ধিত ক্ষুদ্র, মাঝারি, বড় আর টাইটানিক সাইজের সকল গণমাধ্যমই বৈধ।
জনপ্রশাানের উচিৎ হবেনা, কোন পক্ষের কান কথায় কিংবা বিশেষায়িত কোন ব্যক্তিবর্গের বেআইনী মৌখিক সার্টিফাইয়ে কাউকে ছোট করার উদ্দেশ্যে কিংবা হেয় করার উদ্দেশ্যে "নাম সর্বস্ব পত্রিকা কিংবা নাম সর্বস্ব সাংবাদিক বলা সমিচিন নয় বরং আইনের সুস্পষ্ট লংঘণ।
যদি কেউই উক্ত ক্ষেত্রে কেবল মিথ্যাচারের বশবর্তী হয় সেটাকে কেবল নামধারী সাংবাদিক বলে আখ্যায়িত করা যেতে পারে।
কারণ, চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের আনাচে কানাচে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে ছিড়িয়ে হাজার হাজার বৈধ গণমাধ্যম তথা সংবাদ কর্মী।
এদেরকে অস্বীকার করার কোন সু্যোগ নেই। পরিশেষে, সরকার ঘোষিত লকডাউন সকলকে মেনে চলা উচিৎ।
সে যেই হোক না কেন,
আর যারা, সাংবাদিকতার নামে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েও যাত্রীসেবা দিয়েছে তারা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে।
এটা গণমাধ্যমের প্রতি অন্যায় ও অবিচার।
এটা গণমাধ্যমের গালে চপেটাঘাত!
সুতরাং, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ভাই-বোনেরা সকল প্রকারের অপরাধ করা বিতর থাকুন।
প্রতিষ্ঠিত মিডিয়ায় যারা কাজ করে তারা ছোটখাটো পত্রিকা অথবা অনলাইন সাংবাদিকদের সাংবাদিক'ই মনেই করে না।

0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা