শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement


কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে চাঁন্দের বাগ ব্রিজে ঘুরতে আসা চার পর্যটককে অস্ত্রসহ আটক করে পিপড্যা গ্রামবাসী, পরবর্তীতে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হলো।






বিমানবন্দর থানা ওসি ফরমানের কুকীর্তি ফাঁস

সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাক্ষী ভিডি ভাইরাল

______________________________________________ রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে করোনার মহামারীতে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। সকলের মনে স্থান করে নিলোও কিছু কিছু পুলিশের কর্মকান্ড প্রশ্নবিদ্ধ পুলিশ শব্দটি।অনুসন্ধানে জানা যায় ।তৎকালীন বনানী থানার (ওসি) বি এম ফরমান আলী বর্তমান বিমানবন্দর থানা । তার অফযোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। মামলায় অপরাধ বিচিত্রা সংবাদকর্মী স্বাধীন কে মিথ্যা মামলা ফাসালে ও দীর্ঘ অনুসন্ধানের মূল রহস্য বেরিয়ে আসে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষীর ভিডিও ইতিপূর্বে অপরাধ বিচিত্রা সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে। তৎকালীন বনানী সাবেক ওসি ফরমান সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তাকে হুমকি দিয়ে হুমকি দিয়ে চার্জশিট কোর্টে প্রেরণ করেন। সাক্ষী রাহুল আলামিন সিকদার বলেন ওসি ও তাহের স্যারের নির্দেশেই আমি সাক্ষী দিয়েছি। স্যারেরা বলেছে সংবাদকর্মী স্বাধীন কে ফাঁসাইতে হইবো, ওরে না ফাঁসাইলে আমগো চাকরি থাকবো না।ডিএমপি’র বনানী থানার সাবেক (ওসি) বি এম ফরমান আলী, এসআই শাহিন আলম,এএসআই সুজন সাহা , এএসআই ইমরান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবু তাহের ভূঁইয়া । স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় ।আবু তাহের ও ফরমান আলীর কর্মকান্ডে মানুষ ভয়ে টু শব্দটিও করেননি। যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বহু ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন। সম্প্রতি একটি মামলায় তাদের বানানো একজন মিথ্যা সাক্ষীর সাক্ষাৎকারের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

২০১৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বনানী থানার সাবেক (ওসি) বি এম ফরমান আলীর নির্দেশে ৬৮ পিস ইয়াবা দিয়ে অপরাধ বিচিত্রার সাংবাদিক হাবিব সরকার স্বাধীনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসায় বনানী থানা পুলিশ। মামলা নং-৪১।

ওইদিন মিথ্যা সাক্ষীকে ফোন করে রাত ১২টায় বনানী থানায় ডেকে নিয়ে সাবেক এসআই আবু তাহের ভূঁইয়া ও‌ এএস আই ইমরান সোর্স রুহুল‌ কে অনুরোধ করেন মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার জন্য।সাক্ষী বলেন, ‘আমি মিথ্যা সাক্ষী দিমু, হেয় সাংবাদিক পরে আমার কোনো সমস্যা হইলে?’

‘তোর কোনো সমস্যা হইলে আমরা দেখমু’ বলেন- বনানী থানার সাবেক (ওসি) বি এম ফরমান আলী, আবু তাহের ভূঁইয়া, শাহিন আলম এএসআই ইমরান,এসআই সুজন সাহা।পরে সাক্ষীকে কি কি বলতে হবে তা শিখিয়ে নিজের মোটর সাইকেলের পেছনে বসিয়ে ডিসি, এসি’র কাছে নিয়ে যান এসআই আবু তাহের ভূঁইয়া। সরেজমিন অনুসন্ধানে আরো জানা যায়।

(আবু তাহের ভূঁইয়া সীমাহীন অপকর্মের আমলনামা)

বনানী থানা এলাকা তৎকালীন সাবেক এসআই আবু তাহের ভূঁইয়ার অপরাধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন কড়াইল বস্তিতে। বনানী থানার সাবেক এসআই (কড়াইল বিট ইনচার্জ) আবু তাহের ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে নিরীহ ও ব্যবসায়ীদেরকে মাদক মামলার আসামী করে হয়রানী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অভিযোগ থাকলেও এসআই আবু তাহের ভূঁইয়া সব অভিযোগই অস্বীকার করে আসছে। তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ বনানী থানায় থাকাকালীন সময় থেকেই। বর্তমানে তিনি বদলি হয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত আছেন। সাংবাদিক নির্যাতন, ব্যবসায়ী লোকজন টার্গেট করে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করেও মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো এসআই আবু তাহের ভূঁইয়ার কাছে এগুলো স্বাভাবিক ব্যাপার।বনানীর বউ বাজার কড়াইল বস্তির মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রক বাবা কাশেম ১৬টি মাদক মামলার আসামি। একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৫ এপ্রিল ২০১৮ বনানীর কড়াইল বস্তি থেকে কাশেমকে আটক করেন বনানী থানার এসআই আবু তাহের। পরে মাত্র ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এসআই আবু তাহের ভূইয়া বলেন, ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে। আমি এমন কিছু করিনি।’সূত্রে জানা গেছে, বনানী থানার সাবেক এ পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতার কাছে এলাকার অনেকেই অসহায় ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, কড়াইল বস্তিতে ঘর বেচা-কেনায় চাঁদা দিতে হতো তাকে। এছাড়া বস্তির ঘর দখলও করতেন তিনি। অপরাধী, মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল তার। বনানী থানা এলাকায় পুলিশের একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন তিনি। এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতে তার কিছু বাহিনী ছিল।তারা বনানী থানা এলাকার অলিগলি থেকে নিরীহ সাধারণ মানুষকে গ্রেপ্তার করে মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময় ছেড়ে দেন। যারা চাহিদামত টাকা দিতে পারতেন না তাঁদেরকে ইয়াবা মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠানোটা নিত্যদিনের ঘটনা ছিল।




অনুসন্ধানে জানা যায়, একসময়ে কড়াইল বস্তির বাসিন্দা রাজু বর্তমানে গ্রামের বাড়ি জামালপুরে থাকেন। তার বাড়ি দখল ও তাকে এলাকাছাড়া করতে পুলিশ ও প্রভাবশালীরা নানাভাবে হয়রানি করেছেন তাকে। পেন্ডিং মামলার আসামি করে বনানী থানার তৎকালীন এসআই আবু তাহের ভূইয়া গ্রেপ্তারও করেছিলেন রাজুকে। তাহের তখন কড়াইল বিট ইনচার্জ ছিলেন। বস্তিতে রাজুর বসবাসের বাড়ির রাস্তা বের করে দেওয়ার নামে তার কাছ থেকে এসআই তাহের অবৈধভাবে ২০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাজুর সঙ্গে ফোনে কথা হয় এ প্রতিবেদকের।




কথপোকথনের একপর্যায়ে রাজু আরও জানান, বেলতলা ভাঙাওয়াল বস্তি ও বউবাজার বস্তিতে তার কয়েকটি বাড়ি ছিল। তিন বছর আগে একটি দোতলা আধাপাকা বাড়ি ১৬ লাখ টাকায় তিনশ টাকার স্ট্যাম্প করে দিদার নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন তিনি। এটি সরকারি জায়গা হওয়ায় রেজিস্ট্রি বা দলিল করার কোনো সুযোগ ছিল না। যে কারণে স্ট্যাম্পের ওপর ভিত্তি করেই বস্তির বাড়ি বা ঘর বেচাকেনা হয়। বাড়িটির পাশেই আরও একটি টিনের বাড়ি ছিল তার। সেখানে ঘর সংখ্যা ১৫টি। ভাড়াটেদের পাশাপাশি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাসও করতেন সেখানে। এসব ঘরের বাসিন্দাদের বের হওয়ার রাস্তা দিদারের কাছে বিক্রি করা বাড়ির পূর্ব পাশে। দিদার বাড়িটি কেনার পরই এসআই আবু তাহের সহায়তায় ওই রাস্তা বন্ধ করে দেন ।স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জুনায়েদ ও তার সহযোগীরা। রাজুর অভিযোগ- রাস্তা বন্ধে সহায়তা করেছিলেন এসআই আবু তাহের ভূইয়া। পরে রাস্তা বের করে দেওয়ার নামে তার কাছে আবু তাহের ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। রাজু রাস্তা পাওয়ার প্রত্যাশায় নগদ ২০ হাজার টাকা দেন আবু তাহেরকে। পরে আরও ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন তিনি। এই টাকা না দেওয়ায় রাস্তা আর পাননি রাজু। বাড়িটির দখল নিতে এসআই আবু তাহেরকে হাত করেন জুনায়েদ। আবু তাহের নানাভাবে হয়রানি করতে থাকেন রাজুকে, যাতে তিনি বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন। শুধু তাই-ই নয়, রাজুকে বাড়ি ছেড়ে দিতে হুমকিও দেওয়া হয়। একপর্যায়ে বাড়িটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন রাজু। বছর দুই-এক আগে দুই লাখ টাকায় ১৫টি ঘর জুনায়েদ নিজের নামে স্ট্যাম্প করে নেন রাজুর কাছ থেকে।অভিযোগের বিষয়ে এসআই আবু তাহের ভূঁইয়া বলেন, প্রায় দেড় বছর আগে তিনি বনানী থানা থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি হয়েছেন। রাজু নামে তিনি কাউকে চেনেন না। রাস্তা বের করে দেওয়ার নামে কারোর কাছ থেকে তিনি টাকা নেননি। পেন্ডিং মামলায় গ্রেপ্তারের বিষয়ও তার মনে নেই। জুনায়েদকে তিনি চেনেন। তবে বাড়ি কেনায় জুনায়েদকে তিনি কোনো প্রকার সহায়তা করেননি বলে দাবি করেন। বলেন ‘এতদিন পর আমার বিরুদ্ধে সব মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। আমাদের অনুসন্ধান চলবে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় বিমানে এলো কোটি টাকার গরু, মালিক নিখোঁজ !


যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ব্রাহমা জাতের ১৮টি গরু জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টম হাউস। গরুগুলো সোমবার দুপুরে তার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে আসে। বাংলাদেশে ব্রাহমা জাতের গরু আমদানী অনুমতি না থাকা এবং গরুর আমদানীকারককে না পাওয়া জব্দ করা হয়েছে।




বাংলা অ্যাভিয়েশনের ফেসবুক পেইজে জানানো হয়েছে, ১৩ মাস থেকে ৬০ মাস বয়সী ১৮টি গরু আনা হয়। তবে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গরুগুলো আসলেও সেগুলোকে নিতে আসেনি কেউ। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এসে নিশ্চিত করেন গরুগুলো ব্রাহমা জাতের। গরুগুলোকে সাময়িকভাবে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের হেফাজতে রাখা হয়েছে।




বিল অব এন্ট্রিতে গরুগুলোর মূল্য ধরা হয়েছে সবগুলোর ৪০ হাজার ডলার। তবে কাস্টম কর্মকর্তারা ধারণা করছে গরুগুলো প্রতিটির মূল্য ১২-১৫ লাখ টাকারও বেশি। গরুগুলোর কোনও দাবিদার না পাওয়া গেলে নিলামে বিক্রি করা হবে। গরুগুলোকে সাময়িকভাবে সংরক্ষণের জন্য সাভারের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে রাখা হবে।

এর আগে চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু আমদানির ঘোষণা দিয়ে ব্রাহমা জাতের ৩০টি গরু আমদানি করা আনা হলে সেগুলোও আটক করে কাস্টম হাউস। সে সময় খিলক্ষেতের ডেইরি সান প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি ফার্ম ওই গরুগুলো আমদানী করেছিলো।





যাদের দিনে লাখ টাকা আয় আছে, কোটি টাকার ব্যাবসা আছে, যারা মোটা বেতনের চাকরি করে, যাদের কারাখানা আছে এবং যারা শিল্পপতি তাদের জন্য কোন লক ডাউন নাই, লক ডাউন শুধু তাদের জন্য যারা ২০০ টাকা আয় করে ১০ টাকা গাড়ী ভাড়া দিয়ে বাসায় গিয়ে বাজার করে মা-বাবা, ছেলে-মেয়ে ও বউয়ের মুখে খাবার তুলে দিবে। ০৫-০৭-২০২১ সোমবার ঢাকা শহরের এই ছবিটা সেটা'ই প্রমাণ করে। যদি তাই হয় তাহলে লক ডাউন কেন, এর পিছনে কি যুক্তি আছে? "করোনা"কি শুধু বাসে, রাস্তায় ও মার্কেটে ছড়ায়, এই ছবিতে যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে এখানে কি "করোনা" ছড়ায়না? তাহলে কি বুঝে নিবো যে, গরীব'কে না খাইয়ে মারার জন্য ই লক ডাউন "করোনা'র" জন্য নয়।এটা কি ধরনের লক ডাউন হলো?

https://www.facebook.com/groups/364153520930958/permalink/774519536561019/










ঘুষ নিয়ে প্রকল্পের ঘর 'বিক্রি' করেছেন ইউএনও!
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
৬ জুলাই, ২০২১ ১৫:৪৩


ঘুষ নিয়ে প্রকল্পের ঘর 'বিক্রি' করেছেন ইউএনও!
ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান।


Shareঅ+অ-
মুজিববর্ষে গৃহহীনদের দেওয়া ঘর বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রালয়ে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউএনও মো. আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে।




গতকাল সোমবার বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রালয়ের উপসচিব আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রে বরগুনা জেলা প্রশাসক কার্যালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর অধীনে বরগুনার আমতলী উপজেলায় ৩৫০টি গৃহ বরাদ্দ দেওয়া হয়। ঘরগুলো উপজেলার অসহায়, গৃহহীন ও দুস্থ ভূমিহীন পরিবারগুলোকে যাচাই-বাছাই করে তাদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়ার কথা। উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নে বরাদ্দ দেওয়া ১১০টি গৃহের মধ্যে উপজেলায় ওই প্রকল্পের সভাপতি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান তার অফিস সহকারী এনামুল হক বাদশার মাধ্যমে ঘর বরাদ্দ দিয়েছেন।


তার অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন যুবলীগের এক নেতা বরগুনা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্ত করার দায়িত্ব দেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অফিস সহকারী এনামুল হক বাদশাকে অভিযুক্ত করে জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে অফিস সহকারী এনামুল হক বাদশাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়ার কিছুদিন পরে বরিশাল বিভাগীয় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে একটি টিম সরেজমিনে তদন্ত করতে আমতলী আসেন। তারাও গুলিশাখালীসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্মাণাধীন গৃহগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে নানা অনিয়ম ও নীতিমালাবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পায়।




আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব হোসেন জানান, ঘর বরাদ্দে অনিয়ম এবং ঘর নির্মাণ নিয়ে নীতিমালাবহির্ভূত কর্মকাণ্ড করার অভিযোগও প্রমাণিত হয়েছে।


বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামানের শাস্তিমূলক বদলি ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অনিয়ম করলে প্রশাসনের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।


রাস্তায় কাপড় খুলে ফেললেন যুবতী, অতঃপর যানজট!


বুধবার সকালে আমস্টারডামের রাস্তায় ব্যস্ততা ছিল আর পাঁচটা দিনের মতো। হঠাৎই বড় রাস্তার মোড়ে এক যুবতীর আবির্ভাব। একটি বড় ঝুলওয়ালা নীল ঢলঢলে জামা গায়ে। জামাটা হাঁটু পর্যন্ত নেমে এসেছে। এ ছাড়া তাঁর শরীরে আর কোনও পোশাক ছিল না। হঠাৎ লোকজনকে হাত নেড়ে ডাকতে লাগলেন। তাকে দেখে ইতোমধ্যেই অনেকে গাড়ি রাস্তার ওপর ব্রেক কষে ফেলেছে। ভিড় জমাতে ওই যুবতী তখনই একটানে নিজেই খুলে ফেললেন জামাটা। রাস্তার ওপর এমন নগ্ন নারীকে দেখে লোকজনের চোখ তখন কপালে! এ বার ভিড়টা ঠেলে এগিয়ে এলেন দুই টিভি সাংবাদিক। তাঁরা ভিডিও তুলতে লাগলেন। যুবতী কিছুক্ষণ ক্যামেরার সামনে পোজ দিলেন, তার পর রাস্তায় জড়ো হওয়া কাউকে কাউকে চকাস করে চুমু খেয়ে নিলেন। এদিক-সেদিক দৌঁড়ে বেড়ালেন বেশ কিছুক্ষণ। তার পর এসে আবার জামাটা গায়ে তুলে নিলেন।


পেলব শরীর। উন্মুক্ত বক্ষ। সোনালি চুল নেমে এসেছে খোলা নিতম্ব পর্যন্ত। এই অবস্থায় এক যুবতীর রাস্তায় ছোটাছুটি! মূহুর্তেই যানজটে স্থবির হয়ে পড়ল আমস্টারডামের প্রধান সড়ক। পরিস্থিতি সামলাতে ট্রাফিক পুলিশের ভিরমি খাওয়ার জোগাড়! হবেই না কেন? তার নিজেরই তো চোখ কপালে! বুধবার সকালে অফিস টাইমে রাস্তার নগ্নিকার দৌড় ঘিরে চারিদিকে যেন হইহই রইরই।


https://just24allnews.com/archives/47742




রান্না ভালো হলে কৃতিত্বের একমাত্র অধিকারী গৃহিণী। খারাপ হলে তার দায় বুয়ার মশলাবাটার ত্রুটি কিংবা গৃহকর্তার বাজারের মান। মধ্যবিত্ত বাংগালী এই সংস্কৃতিতে বেশ অভ্যস্ত হয়ে গেছে। একটি দেশের জনগনের রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক চিন্তা চেতনা সাধারণত মধ্যবিত্তরাই নিয়ন্ত্রণ করে। তাই মাথার ঘাম পায়ে ফেলে প্রবাসীর আয় করা রেমিটেন্স এবং মালিক শ্রমিকের উদয়াস্ত শ্রমে আনা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের কৃতিত্বের হকদার হন মাননীয়। কিন্তু গৃহহীন মানুষের জন্য হাজার কোটি টাকায় বানানো ঘর, মডেল মসজিদ, স্কুল বা ব্রীজ রাস্তাঘাট দু'দিনেই ধসে পড়লে ওএসডি হয় পুচকে টিএনও। স্বাস্থ্যখাতে নজিরবিহীন দুর্ণীতির দায়ে বড়জোর মাঝারি আমলা পর্যন্ত বলী হয়। এসব আমরা আনন্দের সাথেই মেনে নিয়েছি। হাসপাতাল গায়েব হয়ে যায়, ভূয়া কোভিড সার্টিফিকেট দেয়া হয়, মানহীন পিপিই এবং মাস্ক দিয়ে ডাক্তার বলী হলেও মন্ত্রীসভার কোন পরিবর্তনের দরকার হয়না। আসলে দুধেল গাই কেইবা বাদ দিতে চায়। এসব নিয়ে চুপচাপ থাকাই ভালো। পচাব্দী গাজী বা জিম করবেট এর চাইতেও বড় শিকারি 'সাংবাদিক শিকারী'র স্বীকৃতি এখন আমাদের হাতে চলে এসেছে।


ক'দিন আগে ইসরাইল ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা'র কথা থেকে তুলে দিয়ে আমরা পাসপোর্টের মান বৃদ্ধি করলাম। আজকে দেখি সেই মান আরো কিছুটা কমেছে আর ইসরাইল বাদ দেয়া মালয়েশিয়া একধাপ এগিয়ে গেছে। এই দোষও অবশ্যই শুধুমাত্র অপরিণামদর্শী কুটনীতিবিদদের। ভুল বুঝিয়ে আমাদের পথভ্রষ্ট করে বলেই, আমাদের মাদুর নিয়ে ঘোরার দিন আর শেষ হয় না। আজ দেখালাম সেনাপতির সাথে স্বামীজি'র বৈঠক। ক'দিন আগে কোতওয়াল সাহেবের সাথে বৈঠক নিয়ে যারা উদ্বিগ্ন হয়েছিলেন তার নিশ্চয়ই এখন তাদের ভুল বুঝতে পারবেন। আসলে বাংলাদেশের ভালো-মন্দ এখন কার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে তা' আল্লাহ'ই বলতে পারবেন। প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং বহুবারের সাংসদ তোফায়েল আহমেদ বললেন দেশ চালাচ্ছেন আমলারা। আবার একটা অডিও ভেসে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, যেখানে একজন টিএনও অসহায় হয়ে বলছেন এই প্রবীণ নেতার লোকদের কাজ দেননি বলে তাকে তার কর্মস্থল থেকে বিদায় করে দেয়া হচ্ছে।এজন্যই এসব প্রসংগ বাদ দিয়ে পরীমনি'র প্রসংগে মিডিয়ার উৎসাহ।


হজরত সোলায়মান (আঃ) এর শাসনামলে বায়তুল মুকাদ্দাস প্রথম নির্মিত হয়। শুনেছিলাম তিনি দুষ্ট জ্বীনদের দিয়ে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ চালিয়েছেন। নিজের জীবদ্দশা'য় এই মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ করার ব্যপারে সন্দিহান হয়ে পড়েছিলেন। তাই তিনি তার আসনে বসে একটি বিস্ময়কর লাঠিতে ঠেস দিয়ে এই কাজ প্রত্যক্ষ করার ভান করেছিলেন। তার উপস্থিতির ফলে দুষ্ট জ্বীনেরা ভয়ে কাজে কোন ফাঁকি দেয়নি। মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর বাদশাহকে অবহিত করতে এসে দেখা গেল তিনি অনেক আগেই ইন্তেকাল করেছেন। তার লাঠি ঘুণপোকা খেয়ে ফেলায় ভেংগে গিয়ে তার মৃত্যুর সত্য প্রকাশিত হয়ে যায়। আজকের বাদশাহী'কে অন্ধ সমর্থন দিয়ে যারা নিজেদের স্বার্থ নিরাপদ রাখার প্ল্যান করছেন, তাদেরও এই শাসনদণ্ডটা নেড়েচেড়ে দেখা উচিৎ। বলা তো যায়না, কাকে আড়াল করতে গিয়ে কাকে আড়াল করছেন..??


https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=10159627380117022&id=668467021


১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বয়স ছিল মাত্র ৩ বছর। অথচ ভুয়া জন্মসনদ ও অন্যান্য কাগজপত্র তৈরি করে ২০০৪ সালে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের শিশু মুক্তিযোদ্ধা খ্যাত বিমল চন্দ্র মজুমদার।


এ ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর তিনি নিজেই উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির কাছে লিখিতভাবে জানান তিনি মুক্তিযোদ্ধা নন এবং ওই তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেয়ার জন্য আবেদন জানান।




গত ১৭ বছর ধরে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভাতাসহ সব ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছিলেন। ১২ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক মীর স্বাক্ষরিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে প্রেরিত প্রতিবেদনে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বিমল চন্দ্র মজুমদারকে তালিকা থেকে বাদ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, বিমল চন্দ্র মজুমদার ২০০৪ সালে ভুয়া জন্মসনদ দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। তারপর দীর্ঘ ১৭ বছর রাষ্ট্রীয় সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন তিনি। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২০১৬ সালে তার ছেলে সীমান্ত চন্দ্র মজুমদারকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে ভর্তি করান। সে এখনও ওই মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত আছে। অথচ এখন বিমল নিজেই বীর মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়ার আবেদন করেছেন।


উপজেলা সমাজসেবা অফিস সূত্র জানায়, বিমল চন্দ্র মজুমদার ২০০৪ সালে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়ে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পেলেও তার মুক্তিযোদ্ধা ভাতাপ্রাপ্তি শুরু হয় ২০১৪ সালের জুলাই মাস থেকে।


সোনালী ব্যাংক বসুরহাট শাখা সূত্রে জানা যায়, বিমল চন্দ্র মজুমদারের মুক্তিযোদ্ধা হিসাব নম্বরে মোট চার লাখ ৭৫ হাজার ৯৬২ টাকা জমা হয়েছে। সেখান থেকে দুই লাখ ২৮ হাজার ৫২৪ টাকা উত্তোলন করা হয়। বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের ওই হিসাবে দুই লাখ ৪৭ হাজার ৪৩৮ টাকা জমা আছে।




অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিমল চন্দ্র মজুমদারের প্রকৃত জন্মতারিখ ১৯৬৮ সালের ১ জানুয়ারি। ভুয়া জন্মসনদ দিয়ে ১৯৯৯ সালে কোম্পানীগঞ্জের বামনী ডিগ্রি কলেজে সাচিবিক বিদ্যা বিষয়ে প্রদর্শক পদে নিয়োগ পান। ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি ভুয়া জন্মসনদ ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে তিনি ২০০৪ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় গেজেটভুক্ত হয়েছিলেন।


উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রাসেল আহমেদ জানান, বিমল চন্দ্র মজুমদারের বীর মুক্তিযোদ্ধার বিষয়টি সন্দেহ হলে ২০১৯ সালে সোনালী ব্যাংক বসুরহাট শাখাকে তার ভাতা উত্তোলন স্থগিত রাখতে নির্দেশনা দেয়া হয়। এখন তার ওই হিসাব নম্বরে দুই লাখ ৪৭ হাজার ৪৩৮ টাকা জমা আছে। বিমলের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উত্তোলনকৃত টাকা উদ্ধারের বিষয়ে সরকারি নির্দেশ মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


বিমল চন্দ্র মজুমদার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, দুষ্ট লোকের প্ররোচনায় আমি মিথ্যা তথ্য ও ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলাম। বর্তমানে আমি সেই তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে আবেদনও করেছি।


উত্তোলনকৃত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ফেরত দেয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমে এড়িয়ে গেলেও পরে উত্তোলনকৃত ভাতার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেবেন বলে জানান।


উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (মুজিব বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার) স্থানীয় সংসদ সদস্য (সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের) ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান বলেন, বিমল চন্দ্র মজুমদার কখনই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। তখনকার সময়ে তাকে বীর মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়েছিল। এখনো কোম্পানীগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন বলে তিনি দাবি করেছেন।


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক মীর বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি নির্দেশনা পেয়ে গেজেটপ্রাপ্ত সন্দেহভাজন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কমিটিতে ডাকা হয়। উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মোহন্ত ডাক্তার বাড়ির মৃত পরেশ চন্দ্র মজুমদারের ছেলে বিমল চন্দ্র মজুমদার একাত্তর সালের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না বলে লিখিত স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
























একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ