শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

সন্দেহটা জাগে চা-কফির প্রসঙ্গ এলে (ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন)

প্রথমপর্ব: 

(ছবি: প্রতীকী)

মঞ্জুর মোর্শেদ :‌ সামান্য চা কফি খাওয়াতে এতো সময় লাগে? আর লাখ দেড়েক নারী নিয়ে কাজ করেন! কেমন করে করেন? 

দীর্ঘ একটি ঘন্টা সময় নিয়ে একজন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলার পর একটু চা-কফির আয়োজন করাটা যেকোনো মানুষের মানবতার মধ্যে পরে। একজন লাখ লাখ মানুষের প্রতিনিধি নারী কাউকে বিশেষজ্ঞ মনে না করলে কি এক ঘন্টা সময় নিয়ে নিজের বিপদের কথা বলতে পারেন? সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করেন!? 

তাছাড়াও, উদাহরণ স্বরূপ: কেউ কি কখনও আশা করতে পারে যে ঢাকা মেডিকেলে গেলেই ডাক্তার আপনার রোগীর গলব্লাডারের অপারেশন ফ্রি করে দেবেন? 

কথা হচ্ছে, এতোটা সময় নিয়ে কেউ যদি কারো সাথে কথা বলে মিনিমাম চা কফি খাওয়াতে গেলে মিসকিন হয়ে যায় তবে তার কাছে আসলে কি আশা করা যায়!? ভালো না মন্দ? 

নেগেটিভ মাইন্ডে: শুধু শুধু তো কেউ একটা ঘন্টা ব্যায় করে না যদি না সে ফালতু লোক না হয়, তাই না?

কিন্তু এখানে উল্লেখযোগ্য, যে লোক লাখ দেড়েক নারী নিয়ে সংগঠন করে, যিনি সরকারের বিভিন্ন বরাদ্দের কোটি কোটি টাকা এনে সবাইকে বেটে দেন সেই মানুষটি তো ফালতু হতে পারে না, কি পারে?

যে একজন মেধাবী, বিশাল শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন নারী উদ্যোক্তা, হাজার হাজার নারীদের নিয়ে মেলা করে ঘুরে বেড়ায়, যে মেলায় চুনোপুঁটি থেকে রাঘববোয়াল থাকেন, তাকে তো কেউ কিছুতেই ছুঁড়ে ফেলে দিতে পারবেন না, তাই না?

আর এমন একজন কেউ যদি কারো সাথে এক ঘন্টা কথোপকথন করেন তাহলে যার সাথে করেন তাঁকেও ফেলনা মনে করা যাবে না, তাই না!?

ঘটনাক্রমে দেখাগেলো কথোপকথন শেষে যখন চা কফির প্রসঙ্গ এলো , তখন 'আসছি' বলে জাতীয় উদ্দোক্তাটি পালিয়ে যায়! কেনো? তবে তাঁকে কি মনে করা হবে!? 

তার সমস্যা কোথায়? মানসিক!? এছাড়া আর কি কিছু হতে পারে!? সেটা কি? 

সে আসলে ভুল জায়গায় এসেছে, সে আসলেই অপরাধী তা যে সে ধরা পরে গেছে তা কি সে টের পেয়ে গেলো? দ্বিতীয়বার আর যুক্ত‌ই হতে রাজি নয়, এমন কি অপরাধ সে করে যা ধরা পরে গেলে কেউ এভাবে সরে পরে!? আসলে সে কি? কে সে? তার আসল কাজটা কি? অনৈতিক নয় তো....

একটি রহস্য উন্মোচন করেছেন আমাদের একদল অনুসন্ধানী প্রতিবেদকরা মিলে। কক্সবাজার ভিত্তিক মারাত্মক একটি অপরাধী চক্রের আদৃপান্ত, এরা হতদরিদ্র পরিবারের পাশে উদ্দোক্তা'র পরিচয়ে গিয়ে 'গাছেও খাওয়া তলেও টোকানোর' মতো নিরীহ নাগরিকদের কাছ থেকেও হাতিয়েছে আর করোনা কাল থেকে সরকারের যতো অনুদান ও প্রণোদনা দেয়া হয় তাও নিজেদের হাতে পাবার একটা লাইনঘাট করে নিয়েছেন! এমনকি এদের কাছে প্রতারিত হয়ে থাকেন মেধাবী জেলা প্রশাসকরাও। 

এমন‌ও তথ্য মিলেছে একটা সিন্ডিকেট করে এমনকি নারীর দেহব্যবসা‌ও চলে উপর লেভেলে...

আসছে বিস্তারিত, চোখ রাখুন।

সাফকথা

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ