শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

সকল হাসি বিলিন করে তফসিল ঘোষণাও হয়ে গেলো,

(ছবি: প্রতীকী)

মঞ্জুর মোর্শেদ : এবারের নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৭ তারিখ‌ও কেউ জানতো না, এমনকি কোনো মিডিয়াও না! কি খেলা খেলতে যাচ্ছেন সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় যিনি।

রাজনৈতিক নেতাদের 'খেলা হবে, খেলা হবে' বলে ২৮ তারিখের যে খেলাটি হোলো সেই খেলার দিন কর্নফুলি টানেল উদ্ভাবন করবেন কি করবেন না এই নিয়ে একালের কারেন্ট মিডিয়া সাংবাদিক সোমারা কোনো দরকষাকষি, হাসাহাসির সুযোগ‌ই পায় নি...

🔴 ২৮ তারিখে ....,

এদেশের সবাই তার সাথে বেঈমানি করে তিনি জানতেন বলেই চট্রগ্রামের সফরটা একার করে রেখেছিলেন। তাঁর নেতা ও আত্মিয়রাও অনেক জানতে চেয়েছেন, "কার প্রতি কি নির্দেশ, আগামীকাল ২৮ অক্টোবর। কি খেলা খেলবে নেত্রী?"

তিনি কাউকে তার খেলাটা না বলে সবাইকে যার যার খেলা খেলে দেখাতে বললেন!

ঢাকা শহরে সেদিন সবাই যার যার খেলাই খেলেছেন বটে কিন্তু একমাত্র প্রধানমন্ত্রী তার ছোট্ট টিম নিয়ে একাকী চলে গেলেন "এশিয়ার এক প্রথম বিজয়" "কর্নফুলি টানেলের বিজয় দিবস" উদযাপন করতে, পদ্মা সেতুর চেয়ে বড়ো বিজয়! ইতিহাসেও, তার কোনো মিডিয়া পার্টনার নাই! নাই আয়োজন...

২৮ তারিখ তিনি সারাদিন এই কাজ শেষ করে সন্ধ্যে বেলায় যখন পাখিরাও নীড়ে ফেরে তখন সোমাদের খবর পাঠালেন নিউজ করতে, তার সারাদিনের কর্মসূচি প্রকাশ করতে বললেন, কিন্তু কেমন জানি মৃয়মান, কারণ মিডিয়া সাংবাদিক তারা। এদেশের বানিজ্যিক সাংবাদিকতার মাঠ গরম করে রেখেছে যে মিডিয়া সাংবাদিকতা তাদের চাই ছবি, ভিডিওজ, লক্ষ শটে হাজার হাজার মানুষ দেখাচ্ছে, ব্যাকগ্ৰাউন্ডে মিডিয়া সাংবাদিক জানেন‌ বা জানেন‌ই না হয়তো, ওই সব মানুষের আইডেনন্টিটি দেখলে মুশকিল..., কোনো দিন দেখা হবে না তাই বা কে বলেছে!? ! 

মোট কথা মিডিয়া তথা ভিডিও ভিত্তিক সাংবাদিকতার জন্য গাড়ি থেকে নারী রিপোর্টার পর্যন্ত বিশাল আয়োজন লাগে ফুটবল খেলার মতো একটা বল দিয়ে বাইশজন এমন সস্তা খেলা নয়, ক্রিকেট খেলার মতো, তো এই আয়োজনের প্রয়োজনে তাদের দাওয়াত, হাদিয়া, পূর্ব শর্ত থাকে বলেই চলে, তবে মূল ধারার সাংবাদিকের একপিস ছবি চাই, আর কাগজ কলম, দুই তিনজন মিলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ...

উল্লেখ্য নয়তো প্রশ্ন করতে হয় যে তবে কি ২৮ অক্টোবর এশিয়ার প্রথম টানেল উদ্বোধনের অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের মিডিয়া এড়িয়ে গেছে!?

২৮ তারিখের সমাবেশ এর যথেষ্ট কারণ নয় বলেই অধিকাংশ এডিটররা বলেন।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নির্বাচন সামনে নিয়ে যে রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছে, এটা যে চলবে তা সাধারণ মানুষ প্রায় সবাই আগে থেকেই জানতেন। অনেকেই এটাও জানতেন বলে জানিয়েছেন যে বর্তমান হাইব্রিড ও দুর্নীতিবাজ আওয়ামী নেতা ও মিডিয়া আসলে কে কতটা সৎ ও বিশ্বস্ততার মধ্যে আছেন, তিনি তাও জানেন, তাই, রাজনীতির নামে সাধারণ মানুষের মধ্যে হানাহানির রাজনীতি থেকে তিনি নিজেকে খুব সরিয়ে চলছেন। 

🔴 হাস প্রসঙ্গ:

প্রসঙ্গত: পিটার হাস বাংলাদেশের নির্বাচনকে সামনে নিয়ে বাংলাদেশের জন্য অনেক সময় দিচ্ছেন স্বশরীরেও। দেশের অভ্যন্তরিন বিষয় নিয়েও সরাসরি কথা বলেছেন গণমাধ্যমে, প্রশ্ন হচ্ছে: এসব কি তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে জিজ্ঞেস করেই করেছেন? এই প্রশ্নের উত্তর গণমাধ্যম পিটার হাসকে কি করেছে?

🔘 "জানলে, জানাবেন প্লিজ।"

একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের নিজস্বতার প্রশ্নে আন্তর্জাতিক আইনে এমন‌ও নির্ধারিত আছে কিনা যে একটি দেশে নিয়োজিত অন্য একটি দেশের কোনো একজন দুত যিনি অন্য দেশের নাগরিক‌ও বটে, তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন কর্মের কারণে, যা তার ভিন দেশ, -সেই দেশের কোনো অভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারে কিনা? 

একটি দেশের ব্যাংকিং ও আর্মি যার ভিতরে অত্যন্ত সেনসেটিভ সেক্টরস নিহিত এবং এবিষয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা সাপেক্ষ ছাড়া অভ্যন্তরে প্রবেশ করা কি আদৌও সম্ভব হতে পারে?

হতে পারে না বলেই পিটার হাসের সাথে যেসব আন্তর্জাতিক সংস্থা বৈঠক করেছেন তারা সাংবাদিকের দুটি মোক্ষম প্রশ্ন সযত্নে এড়িয়ে উত্তর দিয়েছেন। নিচে পিটার হাসের বাংলাদেশের বিষয়ে সর্বশেষ অতিউৎসাহী হয়ে করা বিদেশী ব্যাংকিং সেক্টরের প্রতিনিধি নিয়ে বৈঠক সংক্রান্ত একটি পত্রিকার নিউজ হুবুহু তুলে ধরা হয়েছে:

🔘 ইপেপার কূটনৈতিক‌ প্রতিবেদক, ঢাকায় আজকের পত্রিকায় : ১৫ নভেম্বর ২০২৩ইং, ২২:৫৩মিঃ-এ প্রকাশ:

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এর কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন।

গুলশানে রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে আজ বুধবার মধ্যাহ্নভোজ ও আলোচনায় অংশ নেন কর্মকর্তারা। 

এ সময় বাংলাদেশের উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সংশ্লিষ্টতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয় দুই সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে। 

বিশ্বব্যাংকের আবাসিক পরিচালক আব্দুলায়ে সেক ও আইএমএফ-এর আবাসিক প্রতিনিধি জয়েন্দু দে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজ ও আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন। 

নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ ও রাজনৈতিক সংলাপের তাগিদ দেওয়ার প্রেক্ষাপটে এই দুই উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের বৈঠকটি হলো। 

বাংলাদেশের দুই উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার মিশনপ্রধানদের সঙ্গে রাষ্ট্রদূত কী কথা বলেছেন, এমন প্রশ্নের জাবাবে মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র স্টিফেন ইবেলি বলেন, ‘কূটনীতিকেরা বিভিন্ন সংস্থা, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে থাকে। বাংলাদেশকে ‘ভালোভাবে বোঝা’ ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নত করার ক্ষেত্রে এমন আলাপ সহায়ক হয়।’

বিশ্বব্যাংকের মিশন প্রধান আব্দুলায়ে সেক সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারসহ অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রদূতের আমন্ত্রণে আইএমএফ-এর আবাসিক প্রতিনিধিসহ একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রাধিকারগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

(কপিড)

🔘 বাংলাদেশের বিষয়ে বিদেশের অতিউৎসাহী হয়ে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপগুলোর বিচার বিশ্লেষণ করে বালাদেশের মিডিয়া কি কি করে? বর্তমানের মিডিয়ার মোড়লরা যার লোক, সে জানে ও যে জানে সে জানেই...

বাংলাদেশের মিডিয়া কেনো আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে কর্নপাত করছে না? এই প্রশ্নটা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করার কোনো প্রয়োজন নেই বলে সাধারণ মানুষ‌ও মনে করেন। 

সাধারণ মানুষ মনে করেন, শেখের বেটিতো তার দলের দুর্নীতির কথা তো আজীবন বলেছেন‌ই, বঙ্গবন্ধুও বলেছেন, কিন্তু তিনিরা তাদের দেশের মেধাবী শিক্ষিত সন্তানদের সবসময় পাশে রেখেছেন, অর্থাৎ পত্রিকা ও মিডিয়া। 

একটি পরিসংখ্যান মতে দেখা গেছে মূল ধারার অনেক সাংবাদিকরাই বলেছেন যে আসলে ডিজিটাল আইন এই ডিজিটাল মিডিয়া ব্যাবসার জন্য দরকার আছে, সাংবাদিকতা একটা ভিন্ন জিনিস, হাইকোর্ট‌ও মনে করেন, তিনি সাংবাদিকদের বিচারের অধিকার রাখতে আজ্ঞা নন বলে সম্মান দেন। সাংবাদিক জাতির বিবেক। তাদের ডিজিটাল মিডিয়ার বাজেট লাগে না, তারপরও কখনও কখনও মূল ধারার সাংবাদিকের ওই আইনে হেনস্থা হতে হয়, জান তক্ দিতে হয় বড়ো বড়ো মিডিয়া সাংবাদিক নেতাদের অপছন্দের কারণে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেখা গেছে মিডিয়া সাংবাদিক একচেটিয়া বানিজ্যিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, প্রতিদিন তাদের নতুন আইটেম চাই, নতুন ভাবনা মাথায় এলেই হয় উপায় নাই কিন্তু তাই বলে, নতুন ভাবনা এসেছে বলেই এ আর রহমানের "কারার ঐ লৌহ কপাট' গান নিয়ে মাতলামি না করাই ভালো ছিলো, এ আর রহমানের মতো মেধাবী এখনও যে বোঝেন না কেনো!? তা ভেবে মূল ধারার সাংবাদিকতা হতবাক, যদি এই দ্মাম্ভিকতায় মহামালিক ক্ষুব্ধ হন, আমরা জানি এ আর রহমান একজন কালের জিনিয়াস স্রষ্ঠাবিধূর , ...

সে যাই হোক, নির্বাচনকে সামনে রেখে সকল মিডিয়ার উচিৎ দারুন দাবড়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পাকড়িয়ে কাজকাম করা। পিটার, পিটারের বস, তার বস, তার বস... লাগাতার সাক্ষাৎকার চলছে না, কেনো!? সাধারণ মানুষ প্রতিবন্ধী মিডিয়া বলে!!! 

কেনো মিডিয়া এখনও ওই ১৬০ জন বিদেশী নেতাদের পাকরায় না তথা সরাসরি সাক্ষাৎকার নেয় না? অনেকেই এর কারণ ভেবে ক্ষুব্ধ হন।

কেনো ড. ইউনুসকে মিডিয়া এই বিষয়টায় প্রশ্ন করলো যে আপনি কোন আইনের বলে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার জন্য ১৬০ জন বিদেশী নেতাদের সমালোচিত মতামতের একটা চিঠি এনে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে হাজির করে সারা বিশ্বের কাছে তাঁকে ও আমাদেরকেও খাঁটো করেছেন!? তিনি তো শুধু আওয়ামী লীগের নেতাই নন, তিনি প্রতিটি বাঙালীর মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী‌ও বটে।

প্রধানমন্ত্রীকে কি ডেকে বলতে হবে? বাজেট দিয়ে!? নাকি সামনে নির্বাচন তাই নেতারা দেবে...! 

ওদিকে মানুষ মরে ও পুলিশ, সাংবাদিক মরে, মিডিয়া নতুন নতুন নিউজ করে, তাদের দরকার নতুন, নতুন আইটেম প্রতি মুহূর্তে, আরও নতুন...

আমরা বলি, নতুন নয়, আরও ভালো কিছু করি চলেন, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া আমার সোনার বাংলা, আমার বাংলার সবার, আমার, আপনার নৈতিকতার প্রশ্নে আরও বলিয়ান হ‌ই, এই আহ্বান জানাই সবার‌ইকে। সবার আগে দেশ। দলের চেয়ে দেশ বড়ো, আমরা সবাই অবশ্যই পরিবর্তন চাই, আমরা অবশ্যই নতুন চাই কিন্তু সেটা কি?  

বাংলাদেশের কোনো মিডিয়া, কোনো সাংবাদিক আশা করি নিশ্চ‌ই কেউ চান না যে এই দেশে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হোক। সাধারণ মানুষ চাঁদাবাজির আতংকে পরুক নতুন করে আবার...

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে কার্যত কোনো সরকার তথা কোনো বাঙ্গালী মায়ের গর্ভে জন্ম নেয়া সেই রকম মেধাবী রাজনীতিক‌‌ সন্তানরা জন্ম নিতে পেরেছেন তেমন কোন প্রমাণ নেই আমাদের। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের নেতা, পোস্ট পদবী মানেও কিন্তু কঠিন স্গট্রাল ইন পলিটিক্স, সেই মর্মে তেমন ভাবে দেশপ্রেমের প্রমাণ রাখতে পেরেছেন যারা তারা নমিনেশন নামক টিকেট পায় না, টেকা দিলেও দেয় না ন্যায্যকথা বলবেই, -এই ভয়ে।

৫৩ বছরের মধ্যে এরশাদ সরকারের নয় বছর আর শেখ হাসিনার ১৫ বছর ছাড়া বাংলাদেশের আজীবন লিডার শীপের ক্রাইসিস ছিলো, প্রধানত দুই কারণে ১) অভিজ্ঞতার অভাব; ২) সুশিক্ষার কমতি। 

🔘 তেমন ভাবে কেউই প্রমাণ করতে পারেন নি যে সে সাধারণ মানুষের জন্য সাকসেসফুল ন্যাশনাল জিনিয়াস। 

আমি আশা করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের সাকসেসনেসকে অবজ্ঞা করবেন না, তিনি সুশিক্ষিত পারিবারিক সুত্রে। তিনি সেই মানসিকতার বলেই র‌ওশন এরশাদকে তার জায়গায় রেখে এরশাদের সাথেও সবচেয়ে কম জুলুম করেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে। আর খালেদা জিয়ার তো কোনো ভাবেই উচিত হবে না এরশাদের বদনাম করা, কেননা তিনি এরশাদ সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় আসার পরে এরশাদের‌ই রেখে যাওয়া ত্রাণ(৫৩ বছরের ইতিহাসে এরশাদ ছাড়া কেউ কিছু রেখে যেতে পারেননি পরের প্রজন্মের জন্যে) তার ভুক্ষানাঙ্গা দলের সবাইকে নিয়ে নিজেরা খেয়েও জনগণকে পরবর্তী বন্যায় দিয়েছেন। নাকি মিথ্যা কথা? তাহলে খারাপ বললে ব‌উ ভাত দিবে? আর যদি বলেন, দিচ্ছে তো! তাহলে বলবো, আমরাও দেখেছি একদিন সুবর্ণা মুস্তাফাও সংসদে এসেছিলেন, কতগুলো পুরুষের মতো দেখতে নপুংশক সমকমীরাও কপালে টিপ দিয়েছিলেন, আমরা কি চিনি না!?

ইতিহাস সাক্ষী, সেই আমলে খালেদা জিয়ার ক্ষমতা শেখ হাসিনার হাতে নেবার সময় এমনকি শেখ হাসিনাও যে এরশাদের রেখে যাওয়া অন্তত উটের পঁচা মাংসের‌ও ভাগ পান নাই....., পাওয়ার তথ্য আছে, এটাই হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের নয় বছরের বাস্তব চিত্র। লিটারেচারে তাকে কোন প্রনাউনে ভূষিত করে, তা আরেকদিনের কথা, ভিন্ন এপিসড!

🔘 ৫৩ বছরের মধ্যে এরশাদ সরকারের পতনের পর...

তারপর তো লাগাতার বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা সরকার। এর মধ্যে‌ লংজিবিটি'র দিক দিয়ে কে কতোটা মেধাবী? ১৫ বছর বেশী সময়। 

বিশ্বটাকে মাঠ বানিয়ে সবচেয়ে বেশী খেলাই এদেশে শেখ হাসিনা খেলেছেন, ইতিহাস মতে কিন্তু এবারের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফলাফলের মতো প্রায় প্রতিটি খেলাতেই তাকে পরাজিত হয়েও নতুন ম্যাচ নিতে হয়েছে, ১৫টি বছর। এই নতুন নতুন ম্যাচ খেলতে গিয়ে তিনি এই দেশের অনেক উন্নন করেছেন, 

🔴 যে অস্বীকার করবে সে জনমকানা, সেই কানায় কয় আরেক কানারে...

সর্বোপরি, "এখানে সবাই আমরা আমরাই", সম্পাদক সাহেব বললেন তার সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে।

সম্পাদন আরও বললেন, "মোর্শেদ ভাই, এই যে কথাগুলা এইগুলা এতোক্ষণ যে আমরা সবাই আলোচনা করলাম এগুলা আপনে আপনার ফেইসবুক স্টাটাসে দিতে পারেন যেহেতু আপনার 'কলমেরকালি ও কাগজ', অসুবিধা নাই। ওইটা তো পত্রিকা না আন্তর্জাতিক ম্যাচ আর এসব কথা সবাই পড়েও না। তাছাড়া স্টাটাস আইনে আপনি ভালো কিছু করলেই চলে, ওখানে আন্তর্জাতিক নিয়ম চলে। আমরা এক্ষেত্রে সুপারিশ করতে চাই, বাংলাদেশে ফেইসবুক সংক্রান্ত যতো মামলা আছে তার পূর্ব শর্ত হতে হবে ফেইসবুক কোম্পানিও কমিউনিটি বিরোধী বলে শান্তি দিয়েছে বলে সিদ্ধ হতে হবে। এক্ষেত্রে কমিউনিটি নিয়ে ফেইসবুক কোম্পানি বাংলাদেশের সাথে বর্তমানেও কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি যে করছে তাও ঠিক হয়ে যাবে। 

লক্ষ্য করুন, যেহেতু ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়া মোবাইল ফোনের সিকিউরিটিতে বাঙ্গালী জাতির প্রতিটি ফেইসবুক আইডি, অত‌এব পৃথিবীর যেকোনো দেশের ফেইসবুক আইডির চেয়ে উন্নত নিরাপত্তা পায় না কেনো? 

ডিকলেয়ার দেবে কে? তাই।

পৃথিবীর যেকোনো প্রযুক্তি বা জাতি এক বাক্যে স্বীকার করবে যে পৃথিবীতে বাংলাদেশের ফেইসবুক আইডি গুলো সবচেয়ে নিরাপদ; দ্বিমত পোষণ করলে, কারণ দর্শান, welcome..."

পাশে থেকে জেলা পর্যায়ের একজন সাংবাদিক, যিনি উপস্থিত সবার সিনিয়র তাকে দুটো কথা বলতে বললে তিনি বলেন, "চোরের দল গত ১৫ বছর কেনো, স্বাধীনতার সাথে সাথেই লুটপাট শুরু করে দিয়েছে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে কিন্তু এমনটা কথা ছিলোনা। তবে এদেশের চোরেরা সব চুরি করে নিয়ে গেলেও একটা জিনিস রেখে গেছে, তা হচ্ছে পরিচয়। 

বাংলাদেশের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে নেয়া মোবাইল সিম কার্ড নেয়ার সিষ্টেমটা, যা পৃথিবীতে অদ্বিতীয়। আর একথা বর্তমান জামানার একটি শিশুও বোঝে যে একটি সিম চিপে একটা জাতির সবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট মানে কি!!! একটা মানুষের ফিঙ্গারপ্রিন্ট থাকা মানে তার হারাবার কোনো উপায় নেই, সেই সিম চিপ যদি নষ্ট‌ও হয়ে যায় তার পরেও তার পাস্ট লোকেশন, আশেপাশের লোকেশন সহ অনেক কিছু রিট্রিড করা যায় এক চাপে। প্রতিটি বাঙ্গালীর ন্যাশনাল সিকিউরিটি সিস্টেমে তার সাথে সংযুক্ত হয়েছে ডিজিটাল আইডি কার্ড, পৃথিবীর সর্বাধুনিক নিরাপত্তা দেয়া যাবে কয়েকজন ভালোমানুষের কয়েকজন কিশোর যুবক আইটি নিয়ে বসলেই। এরপর সংযুক্ত হয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়া পৃথিবীর সর্বাধুনিক পাসপোর্ট ব্যাবস্থা, 'ই-পাসপোর্ট', ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়া মানি এক্সচেঞ্জ ব্যাংকিং তাহলে বাঙালী পরিচয় কেনো সবচেয়ে বেশী প্রাধান্য পাবে না।

এসব বিশ্বের সর্বাধুনিক ডিজিটাল সিকিউরিটি সিস্টেমের মধ্যে বাংলাদেশের প্রচলিত ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে সিমকার্ড নেয়ার সিষ্টেমটার কারণে বাংলাদেশের প্রতিটি বাঙালী ইন্টারন্যাশনাল ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে নাম্বার ওয়ান সিকিউরিটি সিস্টেম মেইটেন করা একটা জাতির সন্মান পাওয়া উচিত।"

🔘 প্রশ্ন হচ্ছে, নয় কেনো?

সবার শেষে তিনি বললেন,‌ "আমাদের এই কথাগুলো জাতির সাধারণ মানুষের জন্য খুব ভালো কথা ছিলো কিন্তু দোকানদারী করতে গেলে এসব কথা চলে না মিডিয়া সিন্ডিকেট ভিত্তিক সাংবাদিকতায়, এই যে বিভিন্ন মিডিয়ায় ২৮ তারিখের হাজার হাজার ছবি ভিডিও আপলোড করেছে ছবির তাদের প্রত্যেকের আইডিন্টিফিকেশন কোনো একদিন বেরিয়ে আসবে না, তাদের কে বলেছে? আপনি যদি বলে থাকেন তাহলে আপনি প্রযুক্তির টেষ্ট‌ই পান নাই।"

সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সম্পাদক সাহেব বললেন, "ভাই, এসব কথা আগে মূল ধারায় সম্পাদক সাহেবরা নিজেদের কলমে লিখতেন। এখন তো প্রায় ৮০% সম্পাদকদের এক ঘন্টায় দেড় পৃষ্ঠার বানান ভুল না করে গরুর রচনা লিখতে বললে পারে না। আমার বাড়ি কুমিল্লা, আমি কারে চিনি না? এইসব কথা এখন আর সম্পাদকীয় কলামে সম্পাদকরা দেশের প্রধান সমীপে চিঠি লিখে বলে দেয় না, হেতেরা দোকানদার না...

ধনবাদান্তে, নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান, "চলো বদলে যাই 🌹🇧🇩

-এডমিন 

সাফকথা

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ