
নিজস্ব প্রতিনিধি : গত ০৫/০২/২০২৬ইং তারিখ নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অফিশিয়াল পেজ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের মাদক ও নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে একটি ফেসবুক স্টাটাস প্রকাশিত হয় (নীচে লিংক সংযুক্ত করা হয়েছে) যার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নাই সরেজমিনে অনুসন্ধান চালিয়ে এমনটাই প্রমাণিত হয়েছে।
উল্লেখ্য যে প্রকাশিত ওই ঘটনাটি মিথ্যা ও মনগড়া এমন তথ্য পাওয়ার পরে অনুসন্ধানী প্রতিবেদক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িওয়ালা সহ একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর সাথে কথা বলে এবং সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে নিয়ে আসে। অতঃপর তারা নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অফিশিয়াল পেজ থেকে প্রকাশিত ঘটনার সাথে মিলিয়ে দেখতে গিয়ে হতবাক হয়ে যায়! দেখা যায় সিসি ফুটেজের সময় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দীর সাথে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ঘটনার আদৌও কোন মিল নাই। এছাড়াও অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য যা পুলিশ বিভাগকে মারাত্মক ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ০৫/০২/২০২৬ইং তারিখ রাত প্রায় সোয়া তিনটার দিকে (সিসি ফুটেজ সংযুক্ত করা হোলো) সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ উক্ত থানাধীন সাহেবপাড়া সাকিনস্থ নার্সারি গলির জনৈক আবু তাহেরের বাড়ির ৩য় তলার ভাড়াটিয়া মোঃ রাসেল গাজী নামক জনৈক মাছ ব্যবসায়ীর বাসায় একটি অভিযান চালায়।
পুলিশ প্রথমে রাত সোয়া তিনটার দিকে একবার; পরবর্তী ভোর ছয়টার দিকে দ্বিতীয়বার যায় তার সিসি ফুটেজঃ
উক্ত বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, সেদিন অভিযানে গিয়ে পুলিশ প্রথমে বাড়ির বাড়িওয়ালা দোতলার যে ফ্লাটে থাকেন সেখানে নক করে তাকে অবগত করে এবং তাকে সাথে নিয়ে তিন তলায় যায়। অতঃপর তিনতলার যে ফ্লাটে ভাড়াটিয়া রাসেল গাজী সপরিবারে বাস করেন তার দরজায় নক করলে পরে রাসেল গাজীর স্ত্রী শিউলি বেগম দরজা খুলে দেন এবং পুলিশের প্রশ্নের উত্তরে জানান যে বাসায় সে একা, রাসেল গাজী বাসায় নাই। এরপর পুলিশ বাহিনী কোনো নারী পুলিশ সদস্যের সহায়তা না নিয়েই ফ্লাটে ঠুকে অভিযান চালানোর নামে পুরো ফ্ল্যাটটি তছনছ করে অবশেষে আলমারির ভিতর থেকে নগদ টাকা উদ্ধার করে।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ সবাইকে হতবাক করে উদ্ধারকৃত টাকা একটি ব্যাগে ভরে নিয়ে যায় কিন্তু ওখানে কতো টাকা এবং টাকা ছাড়াও অন্যকিছু নিয়ে যাচ্ছে কিনা সে সম্পর্কে কাউকে কিছু অবগত না করেই চলে যায়।
সরেজমিনে গিয়ে বাড়িওয়ালা ও অন্যান্য সকলের সাথে কথা বলে আরোও জানা যায়, পুলিশ টাকা নিয়ে যাবার পরে আবার ভোর ছয়টার দিকে ফিরে আসে (সিসি ফুটেজ সংযুক্ত করা হয়েছে) এবং পুনরায় বাড়িওয়ালাকে নক করে বাসা থেকে বের করে নিয়ে তিনতলায় গিয়ে উক্ত ব্যাগ থেকে টাকা বের করে গুনতে দেয়।
বাড়িওয়ালা ও অন্যান্যরা যা জানানঃ
বাড়িওয়ালাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, "গুনে দেখি দুই হাজার কম ছয় লাখ টাকা...!" ঠিক ওই মূহুর্তেই রাসেল গাজীর স্ত্রী শিউলি বেগম প্রতিবাদ করেন যে ওখানে টাকা বেশী ছিল এবং একাধিক এক হাজার টাকার বান্ডিল ছিলো যা গুনতে দেয়া টাকার মধ্যে দেখা যায় নাই।
শিউলি বেগম, বাড়িওয়ালা আবু তাহের ও তার পরিবারের সদস্যরাসহ অন্যান্য ভাড়াটিয়ারা জানান যে পুলিশ তার ওই কথায় কোন কর্নপাত না করে টাকা গোনা শেষ হোলে বাড়িওয়ালার কাছ থেকে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে কাগজে সাক্ষর নিয়ে টাকাগুলো পুনরায় ব্যাগে ভরে নিয়ে চলে যায়।
এবিষয়ে রাসেল গাজীর স্ত্রী শিউলি বেগম, বাড়িওয়ালা আবু তাহের ও অন্যান্যরা সাংবাদিকদের কাছে প্রশ্ন করেন যে এ কেমন জুলুম? পুলিশ রাত সোয়া তিনটার দিকে এসে যখন ব্যাগে ভরে টাকা নিয়ে গেলো তখন তা না গুনিয়ে পুনরায় ভোর ছয়টার সময় ফিরে এসে গুনিয়ে সবার সই-সাক্ষর যে নিয়ে গেলো রিকভারি নিশ্চিত করতে, এটা কি কোনো আইনে আছে? অথচ আমরা সবাই মুখ বন্ধ করে পুলিশ যেভাবে যেভাবে বলেছে ঠিক সেভাবে সেভাবেই করেছি একমাত্র ভয়ে, কারণ পুলিশ পারে না এমন কোন কাজ নেই।
উপস্থিত সকলে বলেন, চোখের সামনে একজন নারী একা ঘরে অথচ কোন নারী পুলিশ সদস্য ছাড়াই এতোগুলো পুরুষ পুলিশ ঢুকে গিয়ে পুরো ঘর তছনছ করে কিছু না পেয়ে আলমারিতে টাকা পাওয়ার পরে সেই নারীকে এলোমেলো কথাবার্তা বলে নাজেহাল করে টাকাগুলো নিয়ে গিয়ে আবার ফিরে এসে যেভাবে যা করলো তাতে করে ওই পুলিশ যদি অযথাই আমাদেরকেও মিথ্যা মামলার আসামি বানায় আমাদের কি কিছু করার আছে?
রাসেল গাজীর স্ত্রী শিউলি বেগম বলেনঃ
এরপর এই ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে সাংবাদিক প্রথমে কথা বলে অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ সদস্য এসআই মোঃ আতাউর রহমানের সাথে। তবে তিনি তার দায়িত্ব এড়িয়ে গিয়ে সরাসরি বলেন যে আমার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আগাগোড়া ছিলেন এবং যা যা ঘটেছে তা তার নির্দেশেই ঘটেছে। যদিও ঘটনাস্থলে যারা ছিলেন তাদের মতে কথাটি শতভাগ সত্য নয়।
অতঃপর মুঠোফোনে একাধিকবার কথা হয় ওসি আব্দুল বারিকের সাথে। তিনিও রহস্যজনক কারণে প্রথম থেকেই এবিষয়টি এড়িয়ে যান এবং ভালো কাজ করার পরে তা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হচ্ছে এমন কথা বলেন কিন্তু সরেজমিনে উপস্থিত থাকা লোকজনের সাক্ষ্য ও সিসি ফুটেজ প্রমাণ করে যে পুলিশ সেদিন রাত প্রায় সোয়া তিনটার সময় গিয়ে রাসেল গাজীর বাসা থেকে টাকা উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময় কাউকে কিছু না বলেই চলে যায় এবং পুনরায় ভোর ছয়টার দিকে ফিরে গিয়ে বাড়িওয়ালাকে পুনরায় নক করে ডেকে বের করে তার হাতে ৫ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা গোনানোর পরে তা রিকভারি দেখাতে সকলের সই-সাক্ষর নিয়ে যায়।
এদিকে এই ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে যা প্রকাশ করা হয়েছে তা নীচে হুবুহু তুলে ধরা হলোঃ
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক ১০,১০০ (দশ হাজার একশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রয়ের নগদ ৬,০০,০০০/-(ছয় লক্ষ) টাকা উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার।
......................................................................................
নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী মহোদয়ের নির্দেশনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মহম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএম-এর নেতৃত্বে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আতাউর রহমান, এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ শাহ আলম, এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আশরাফ উজ্জামান ও এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ হাবিবুর রহমানসহ একটি চৌকস অভিযানিক দল ০৫/০২/২০২৬ খ্রি : ভোর আনুমানিক ০৪.১০ ঘটিকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজি টু মৌচাক বোতল ফ্যাক্টরি রোডে অবস্থিত জনৈক নাদিম আহমেদ এর বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ মনিরুল ইসলাম এর বসতঘরে অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযান পরিচালনা করে ভাড়াটিয়া ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। তারা হলেন : ১। মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩৭), পিতা-মোঃ মজিবুর রহমান, মাতা-পারুল বেগম এবং তার স্ত্রী ২। নুপুর বেগম (৩৫), স্বামী- মোঃ মনিরুল ইসলাম, পিতা-মোঃ মনিরুজ্জামান, মাতা-রোকেয়া বেগম; উভয়ের স্থায়ী ঠিকানা-গ্রাম শংকরপাশা, থানা- নলছিটি, জেলা-পটুয়াখালী; বর্তমান ঠিকানা-মৌচাক বোতল ফ্যাক্টরি গলি, জনৈক নাদিম আহমেদের বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। অতঃপর গ্রেফতারকৃত আসামিদের হেফাজত হতে ১০,১০০ (দশ হাজার একশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারপূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। আসামিদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাদের সঙ্গে মাদক ব্যাবসা পরিচালনা করে একই থানাধীন সাহেবপাড়া সাকিনস্থ নার্সারি গলির জনৈক আবু তাহেরের বাড়ির ৩য় তলার ভাড়াটিয়া মোঃ রাসেল গাজী অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে সে পালিয়ে যায়। তিনি হলেন মোঃ রাসেল গাজী (৩৮), পিতা-মীর হোসেন গাজী, মাতা-নূরজাহান বেগম, স্ত্রী-শিউলি বেগম, স্থায়ী ঠিকানা-দশমিনা, থানা- দশমিনা, জেলা-পটুয়াখালী। তার স্ত্রী শিউলি বেগম জানান, তার স্বামী একজন মাদক ব্যবসায়ী। ইতঃপূর্বেও তার বিরুদ্ধে মাদকের দুইটি মামলা রয়েছে। তার স্ত্রীর উপস্থাপন মতে, মাদক বিক্রয়ের নগদ ৬,০০,০০০/- (ছয় লক্ষ) টাকা উদ্ধারপূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিরা ও পলাতক আসামি মিলে দীর্ঘদিন যাবৎ ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ০১টি মামলা রুজু করে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
(সুত্রঃ
https://www.facebook.com/share/p/1CMgGVFGh3/)
অতঃপর মুঠোফোনে একাধিকবার কথা হয় ওসি আব্দুল বারিকের সাথে। তিনিও রহস্যজনক কারণে প্রথম থেকেই এবিষয়টি এড়িয়ে যান এবং ভালো কাজ করার পরে তা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হচ্ছে এমন কথা বলেন কিন্তু সরেজমিনে উপস্থিত থাকা লোকজনের সাক্ষ্য ও সিসি ফুটেজ প্রমাণ করে যে পুলিশ সেদিন রাত প্রায় সোয়া তিনটার সময় গিয়ে রাসেল গাজীর বাসা থেকে টাকা উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময় কাউকে কিছু না বলেই চলে যায় এবং পুনরায় ভোর ছয়টার দিকে ফিরে গিয়ে বাড়িওয়ালাকে পুনরায় নক করে ডেকে বের করে তার হাতে ৫ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা গোনানোর পরে তা রিকভারি দেখাতে সকলের সই-সাক্ষর নিয়ে যায়।
এদিকে এই ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে যা প্রকাশ করা হয়েছে তা নীচে হুবুহু তুলে ধরা হলোঃ
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক ১০,১০০ (দশ হাজার একশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রয়ের নগদ ৬,০০,০০০/-(ছয় লক্ষ) টাকা উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার।
......................................................................................
নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী মহোদয়ের নির্দেশনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মহম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএম-এর নেতৃত্বে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আতাউর রহমান, এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ শাহ আলম, এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আশরাফ উজ্জামান ও এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ হাবিবুর রহমানসহ একটি চৌকস অভিযানিক দল ০৫/০২/২০২৬ খ্রি : ভোর আনুমানিক ০৪.১০ ঘটিকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজি টু মৌচাক বোতল ফ্যাক্টরি রোডে অবস্থিত জনৈক নাদিম আহমেদ এর বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ মনিরুল ইসলাম এর বসতঘরে অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযান পরিচালনা করে ভাড়াটিয়া ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। তারা হলেন : ১। মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩৭), পিতা-মোঃ মজিবুর রহমান, মাতা-পারুল বেগম এবং তার স্ত্রী ২। নুপুর বেগম (৩৫), স্বামী- মোঃ মনিরুল ইসলাম, পিতা-মোঃ মনিরুজ্জামান, মাতা-রোকেয়া বেগম; উভয়ের স্থায়ী ঠিকানা-গ্রাম শংকরপাশা, থানা- নলছিটি, জেলা-পটুয়াখালী; বর্তমান ঠিকানা-মৌচাক বোতল ফ্যাক্টরি গলি, জনৈক নাদিম আহমেদের বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। অতঃপর গ্রেফতারকৃত আসামিদের হেফাজত হতে ১০,১০০ (দশ হাজার একশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারপূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। আসামিদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাদের সঙ্গে মাদক ব্যাবসা পরিচালনা করে একই থানাধীন সাহেবপাড়া সাকিনস্থ নার্সারি গলির জনৈক আবু তাহেরের বাড়ির ৩য় তলার ভাড়াটিয়া মোঃ রাসেল গাজী অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে সে পালিয়ে যায়। তিনি হলেন মোঃ রাসেল গাজী (৩৮), পিতা-মীর হোসেন গাজী, মাতা-নূরজাহান বেগম, স্ত্রী-শিউলি বেগম, স্থায়ী ঠিকানা-দশমিনা, থানা- দশমিনা, জেলা-পটুয়াখালী। তার স্ত্রী শিউলি বেগম জানান, তার স্বামী একজন মাদক ব্যবসায়ী। ইতঃপূর্বেও তার বিরুদ্ধে মাদকের দুইটি মামলা রয়েছে। তার স্ত্রীর উপস্থাপন মতে, মাদক বিক্রয়ের নগদ ৬,০০,০০০/- (ছয় লক্ষ) টাকা উদ্ধারপূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিরা ও পলাতক আসামি মিলে দীর্ঘদিন যাবৎ ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ০১টি মামলা রুজু করে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
(সুত্রঃ
https://www.facebook.com/share/p/1CMgGVFGh3/)
0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা