এ ঘটনার একটু পর ঘটনাস্থলে আসেন বামনা থানার ওসি মো. ইলিয়াস হোসেন। তিনি ঘটনাস্থলে এসেই মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের গালমন্দ শুরু করে লাঠিচার্জের নির্দেশ দেন। সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা লাঠিচার্জ শুরুর আগেই ওসি ইলিয়াস হোসেন উত্তেজিত হয়ে ওই এএসআইয়ের বাম গালে একটি চড় মারেন। প্রকাশ্যে এক পুলিশ সদস্যের গালে অপর পুলিশ সদস্যের চড় দেওয়ার এ দৃশ্য দেখে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অতঙ্ক দেখা দেওয়ায় তারা মানববন্ধন বাদ দিয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। তবে এ ঘটনায় থেমে থাকেনি পুলিশ। এরপরও তারা মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের ওপর লঠিচার্জ করে। আর চড় খাওয়া ওই এএসআই’ও ওসি ইলিয়াস হোসেনের নির্দেশনা পালন করে লাঠিচার্জ করেন। এ ছাড়াও ওসি ইলিয়াস হোসেন তার অধনস্ত পুলিশ সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন বলেও জানান প্রতক্ষদর্শীরা।
শারীরিকভাবে লাঞ্চনার শিকার ওই সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বলেন, ‘আমি মানসিকভাবে খুব হতাশায় ভুগছি। পারিবারিক এবং সামাজিক দিক দিয়ে চরম লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছি। তাই এ বিষয়ে আমি কথা বলতে চাচ্ছি না।’ এ বিষয়ে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াস হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মফিজুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা জেনেছি। এ ঘটনার আমরা তদন্ত করব। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

1 মন্তব্যসমূহ
আইনের বিধান
উত্তরমুছুনবামনা থানার ওছি জুনিয়র সহকর্মী কে থাপ্পড় মেরে বাংলাদেশ দন্ড বিধির ৩২৩ ধারার অপরাধ করেছে।ঘটনার সাক্ষী উপস্তিত কয়েক শত মানুষ এবং হাজার হাজার টিভি দরশক । এই অপরাধের নুন্যতম শাস্তি ৬ মাস কারাদণ্ড।
Do good not be good.
- সাফকথা