শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

থানায় ইফতারবাদ নামাজ ও হাসতে হাসতে সাংবাদিকদের যা বললেন মামুনুল হক


হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেফতারের পর তেজগাঁও থানায় নেয়া হয়। সেখানেই তিনি ইফতার ও মাগরিবের নামাজ আদায় করেন। তার ইফতার ও নামাজের ব্যবস্থা করেছেন থানা পুলিশ। আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তেজগাঁও জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাহমুদ খান এ তথ্য জানান।

মাহমুদ খান বলেন, দুপুরে গ্রেফতারের পর তেজগাঁও ডিসি স্যারের কার্যালয় থেকে তেজগাঁও থানায় মামুনুল হককে আনা হয়। যেহেতু তিনি রোজা ছিলেন সেহেতু থানা পুলিশ তার ইফতারের ব্যবস্থা করে। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে মামুনুল হককে নেয়া হবে কি-না জানতে চাইলে মাহমুদ খান বলেন, আমাদের তেজগাঁও বিভাগের ঊর্ধ্বতন স্যারেরা থানায় আসবেন।

এরপর সিদ্ধান্ত হবে তাকে আজকে ডিবিতে নেয়া হবে কি-না। তেজগাঁও থানা সূত্র থেকে জানা যায়, ইফতারের আগে মামুনুলের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর ইফতার শেষে তিনি থানাতেই নামাজ আদায় করেন। সন্ধ্যার পর থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ডিবিতে হস্তান্তর করা হবে।


গ্রেফতারের পর হাসতে হাসতে সাংবাদিকদের যা বললেন মামুনুল হক:
হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মামুনুল হক হাঁসতে হাঁসতে বলেন আমি নির্দোষ। আমাকে কেন ধরা হয়েছে বুঝতে পারছিনা। জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল সোনারগাঁওয়ের রয়্যাল রিসোর্টে ধরা পড়ার পর থেকেই মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক।

ঘটনার পর থেকেই পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রেখেছিলো। গ্রেফতারের পর তাকে তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনারের কা’র্যালয়ে নেওয়া হয়। এই বিষয়ে তেঁজগাও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ বিফ্রিংয়ে বলেন, ২০২০ সালে মোহাম্মদপুরে ভাঙচুরের ঘটনায় সুনির্দিষ্ট মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে সেই ভাঙচুরের ঘটনায় মামুনুল হকের সম্পৃক্ততা আছে। মামুনুল হক নিজেও সেই ঘটনাটি স্বী’কার করেছেন বলে জানান তিনি। অন্য মামলার বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং আগামীকাল তাঁকে আদালতে তোলা হবে বলেও জানান ডিসি তেজগাঁও।

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


মাস্ক খুলে মুচকি হাসেন মামুনুল.....
হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একটি টিম। রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে তাঁকে গ্রেফতারের পর ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনারের (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়।

পরে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয় তেঁজগাও থানায়। ডিসি’র কার্যালয় থেকে বের করে গাড়িতে তোলার সময় মামুনুল হকের ছবি তোলার চেষ্টা করেন গণমাধ্যমকর্মীরা। এই সময় তিনি মুখের মাস্ক খুলে মুচকি হাসেন। অনেকটাই নির্ভার দেখাচ্ছিলো তাঁকে। হেঁটে গাড়ি পর্যন্ত যেতে যেতে ফিসফিস করে কিছু একটা ‘পড়ছিলেন’ তিনি।

এর আগে ডিসি’র কার্যালয়ে নেয়ার সময় তাকে তসবীহ্ জপতে দেখা যায়। এদিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গণমাধ্যমকে ডিসি হারুন-অর-রশিদ জানান, ২০২০ সালে মোহাম্মদপুরে ভাঙচুরের ঘটনায় সুনির্দিষ্ট মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয় সেই ভাঙচুরের ঘটনায় মামুনুল হকের সম্পৃক্ততা আছে। মামুনুল হক নিজেও সেই ঘটনাটি স্বীকার করেছেন বলে জানান তিনি।


অবশেষে ক্ষমা চাইলেন মামুনুল হক
হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক ব্যক্তিগত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে ক্ষমা চান তিনি।

মামুনু হক বলেন, আমি সবার কাছে দোয়া চাই। আমার ব্যক্তিগত অসাবধনার কারণে যে ক্রটি-বিচ্যুতি হয়েছে। আমার অসাবধানতা এবং যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করার কারণে যে ক্ষতির সম্মুখীন ব্যক্তিগতভাবে হয়েছি, সেই জন্য আমি নিজেই মর্মাহত।

আমার কারণে আজকে সেখানে অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের কাছে আমি হাত জোড় করে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। মামুনুল হক আরও বলেন, বিশ্বের মুসলমান ভাইদেরও তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। একের পর এক মামলা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অনেক মানুষকে হয়রানি করা হবে।

অথচ প্রকৃত যারা দোষী, যারা গিয়ে হামলা কালো, সেই সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে রাষ্ট্র নীরব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ তাদের নাম-পরিচয় দিবালোকের মতো পরিষ্কার। ইনশআল্লাহ, ইতোমধ্যে তাদের ব্যাপারে আমি এজাহা’র দায়ের করেছি। আরও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ