নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার পুরনো জয়পাড়া ইউনিয়ন, রাইপাড়া, সুতারপাড়া ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের একটি গ্রাম নিয়ে ২০০০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সীমানা জটিলতা ও ভোটার তালিকা নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলা হয়। ২০১৩ সালে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগে চরলটাখোলা গ্রামের মৃত আবদুল হালিমের ছেলে আবদুস সোবাহান ও কাঁঠালিঘাটা গ্রামের মৃত ফায়জুদ্দিন বেপারির ছেলে মজিবর রহমান সীমানা জটিলতা নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন। নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়। বাদীরা মামলাগুলো ২০১৯ সালে তুলে নেয়ায় ৯০ দিনের মধ্যে পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর গঠিত বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশের কপি ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার হাতে পৌঁছায়। সেই অনুসারে নির্বাচন কমিশন একই বছরের ১৪ অক্টোবর পৌরসভার ভোটের দিনক্ষণ ঠিক করে। তফসিল অনুসারে ১২ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষদিন, ১৫ সেপ্টেম্বর বাছাই, প্রত্যাহার ২০ সেপ্টেম্বর ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ সেপ্টেম্বর এবং ১৪ অক্টোবর নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়। তারপরও নির্বাচন হয়নি।
এদিকে দোহার নির্বাচন অফিস কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, যে কোনো সময় নির্বাচন হলে আমাদের সব প্রস্তুতি রয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সীমানা নির্ধারণের কাজ করছে বলে জানতে পেরেছি।

0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা