
জে. এইচ. রিপন : ইঞ্জিন চালিত রিক্সা বন্ধের ঘোষণা এসেছে। বারবার আসে। লোকাল থানা, জনপ্রতিনিধি, পুলিশের কর্তা, মন্ত্রী, এমনকি প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত।
বিআরটিএ মিডিয়া দেখলেই বলে, না দেখলেও বলে-- কারণ: নীতিমালা নামক তসবির মালা তারা গেঁথে রেখেছেন। জপলে পূণ্য হয় যদি!
যাইহোক, এ আদেশ কখনওই বেশিদিন টেকেনি।
রাজনৈতিক কর্মী আর প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আবারও চলে। কখনও আগের চেয়ে বেশি করে চলে।
* যখন এই রিকশার মাল আমদানি হয়-- তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করেন?
সরকার রাজস্ব পায়!
ঢাকায় নিষিদ্ধ বেবি- টেম্পু, ঢাকায়ই এখনও চলে। সিটি করপোরেশনের মধ্যেই চলে।
আপনি কি জানেন?
লেগুনা, গণভবনের সামনে দিয়ে চলে, আপনাদের নজরে আসে এগুলো বৈধ না অবৈধ?
রিক্সাগুলো মটর লাগালে রিস্কি হয়, শতভাগ সত্য।
চায়না বা দেশি অটোগুলোও কি অতটা ঝুঁকির?
কত লোকের করোনাকালীন কর্মসংস্থান হয়েছে এতে জানেন?
আপনার বা পৃথিবীর কোন সরকারের সাধ্য আছে এত লোককে কাজের সুযোগ করে দেয়ার?
তাহলে পেটে লাথি মারছেন কেন?
যুক্তি দিবেন--দুর্ঘটনার?
আপনার বাস-ট্রাক, পিকআপের গতি আর আচরণ ঠিক করেন!
মোটরসাইকেলের আচার-আচরণ-বিচরণ ঠিক করেন। দুর্ঘটনা এমনিতেই কমবে।
জনসংখ্যা যেহেতু নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি তাই শৃঙ্খলা আনেন-- আপত্তি নাই।
গণপরিবহনে কি করোনা ঝুঁকি বেশি নাকি রিকশায় বেশি?
আদেশ যখন দিবেন, কার্যকর আদেশ দেন।
ফাওফাও গরিব মারার আদেশ দিয়ে পুলিশ আর দলবাজদের টাকা কামাইয়ের জায়গা করে দিয়েন না।
দুইদিনের দুনিয়া, গরিবেরও জীবন আছে। প্রশাসনিক ক্ষমতা নাই, অভিশাপ দেয়ার ক্ষমতা আছে অনেক বেশি।
ওটা আল্লাহ সরাসরি নেন।
আপনাদের আদেশ সরাসরি বাস্তবায়ন হয় অনেক কম, কখনও একেবারেই না।
সাংবাদিকরা প্রায়ই ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের ভাষা, সরকারি আদেশ অমান্য করায় রিকশা আটক, জরিমানা, জেল...
আপনাদের রিপোর্টে এই বাস্তবতা ও সঙ্গত প্রশ্নও উঠে আসা উচিত।
নয়তো আপনাকে সরকারি চাকর মনে হবে।
মনে রাখবেন, আপনি পাবলিকেরও চাকর না।
কাছে যাবার ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে তাই আপনার কাজ সহজ-- শুধু তুলে ধরতে জানাটা দরকার।
এ যুগে সরকার কখনও জনগণের শত্রু নন। তাই, যু্ক্তি ও আইন মানতে তারা বাধ্য থাকেন সবসময়।
(এফবি লিংক:)
0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা