শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

বিশ্ববেহায়াদের বাড়ীঘর মেলে কানাডার বেগম পাড়াতে




কানাডার টরেন্টোর বেগমপাড়াতে বিলাাসবহুল আলিশান বাড়ি বানিয়ে বসবাস করছেন বাঙ্গালীরা, বাড়ির সংখ্যাও হাজারের অধিক হবে।

এখানে বেগমরা থাকেন যাদের স্বামীরা বাংলাদেশের কোষাগার লুটপাট করে পাঠাচ্ছেন তাদের কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা।

যারা এক যুগের অধিক সময় ধরে বাংলাদেশটাকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ বানিয়ে জনগণের লাখো কোটি টাকা পাচার করে প্রায় হাজারের অধিক বিলাশ বহুল আলিশান বাড়ি বানিয়েছে তাদের সৌজন্যে এলাকাটির নাম হয়ে গেছে ভাবীপল্লী! এখানে বসবাসকারীরা সরকারের মন্ত্রী সাংসদ দলীয় নেতা, আমলা ও সরকারি কর্মকর্তা যাদের মধ্যে অনেক প্রকৌশলীও আছেন।  

এসব দস্যুরা বছরের পর বছর দেশের টাকা লুটেপুটে খাচ্ছে কিভাবে!? বাংলাদেশের সরকারের এই প্রকারের নিরবতায় প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটিতে ধিক্কারের জন্ম হয়েছে।

তাদের পরিচয় বা তথ্য বাংলাদেশ সরকারের অজানা হলে সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা ব্যার্থতার দ্বায় কি কোনো ভাবেই এড়াতে পারেন? 
অবশ্য বলা বাহুল্য যে এখন সরকার এদের পরিচয় গোপন রাখতে বাধ্য কারন সবাই নিজেরা নিজেরাই বটে।

দেশের জনগণ যাতে করে সেই দস্যুদের জানতে পারে সে জন্য সরকার‌ই এখন স্বচেষ্ট।

আমরা অবশ্য তথ্য সংগ্রহ করে যাচ্ছি।আপনাদের অবগত করছি যে, ইতিমধ্যেই বাংলাদেশী কমিউনিটি থেকে এদের ধিক্কারসহ 'বাদ' বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এসব দেশদ্রোহী বিশ্বাসঘাতক সরকারের আশ্রয় প্রশ্রয়েই এতদূর এগিয়েছে বলে সবাই মনে করেন। সবার মতে, এমন ঘটনা অন্য দেশে হলে সরকারের পদত্যাগ ও জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতেই হোত, কারন পাচারকৃত টাকাতো দেশের জনগনের। 

বেহায়ার তালিকা প্রকাশ করার ব্যবস্থা থাকলে বিশ্ব বেহায়া হিসেবে ওরা শ্রেষ্ঠত্ব হওয়ার সুযোগ ছিল। আর আশ্রয় প্রশ্রয়ে দাতার প্রধান ডাকাতিতে নোবেল পেয়ে যেতেন প্রতিযোগিতা ছাড়াই।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ