
দিনাজপুর জেলার গ্রাম-গঞ্জের মায়েদের এমনই বিশ্বাস ডাক্তার বসন্ত কুমার রায়কে ঘিরে। তাই মায়েদের নিকট ডাক্তার বসন্ত কুমার রায় সাক্ষাত দেবতার স্বরূপ।
নর এর মধ্যে যে নারায়নের বাস, সেই নারায়নের সেবা করাটা ক'জনেরই বা ভাগ্যে জোটে? মানব সেবা করার জন্য প্রয়োজন হয় মানব জাতির প্রতি অগাধ প্রেম, শ্রদ্ধার। প্রয়োজন হয় সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আর মুক্ত হৃদয় নিয়ে মানব জাতির সেবা করার প্রবল উচ্ছাস। যা ডাক্তার বসন্ত কুমার রায়ের মধ্যে সবটুকুই বিদ্যমান।
বর্তমানে দিনাজপুরে যেখানে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ফি ৫শত থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত, সেখানে বসন্ত বাবুর ফি হচ্ছে মাত্র ২০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। জীবনের চাওয়া পাওয়া আর লাভ লোকসানের হিসাব তিনি কোনদিনই করেননি। এভাবে চিকিৎসা জীবনের ৫০টি বছর অতিবাহিত করেছেন। একই ভাবে সমাজের মানুষের সেবা করে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করেন। ডাক্তার বসন্ত কুমার রায়কে নিয়ে গ্রামগঞ্জে অনেক মানুষের মধ্যে রহস্যের কল্প কাহিনীও লুকিয়ে আছে। সকাল থেকে রাত্রী ১০টা পর্যন্ত তার চেম্বারে উপচে পড়া ভিড় থাকে। রোগীরা সবাই শিশু।
বর্তমানে দিনাজপুরে যেখানে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ফি ৫শত থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত, সেখানে বসন্ত বাবুর ফি হচ্ছে মাত্র ২০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। জীবনের চাওয়া পাওয়া আর লাভ লোকসানের হিসাব তিনি কোনদিনই করেননি। এভাবে চিকিৎসা জীবনের ৫০টি বছর অতিবাহিত করেছেন। একই ভাবে সমাজের মানুষের সেবা করে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করেন। ডাক্তার বসন্ত কুমার রায়কে নিয়ে গ্রামগঞ্জে অনেক মানুষের মধ্যে রহস্যের কল্প কাহিনীও লুকিয়ে আছে। সকাল থেকে রাত্রী ১০টা পর্যন্ত তার চেম্বারে উপচে পড়া ভিড় থাকে। রোগীরা সবাই শিশু।
দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে চিকিৎসার জন্য তার নিকট ছুটে আসে নিজের শিশুদের নিয়ে। পিতা স্বর্গীয় মধুসুধন রায় ও মাতা অহল্ল্যা মালা'র জীবিত ২ সন্তানের মধ্যে বসন্ত কুমার বড় এবং ছোট ভাই ডাক্তার তরুন কুমার রায়। বসন্ত কুমারের বাড়ি দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সামনের গলির ভিতর বসন্ত লেন। সেখানে নিচতলায় তার চেম্বার ও ডিসপেন্সারি। উপরতলায় তিনি পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। বসন্ত কুমার রায়ের ৩ সন্তানের মধ্যে ২ কন্যা ঢাকায় শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এবং এক পুত্র অধ্যাপনা পেশায় নিয়োজিত। স্ত্রী কল্পনা রায় পেশায় একজন গৃহীনি। ডাক্তার বসন্ত কুমার রায় সহজ সরল জীবন যাপনে অভ্যস্ত।
পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জের সুন্দরদিঘী গ্রামে এক কৃষক পরিবারে ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন ডাঃ বসন্ত কুমার। তিনি দেবীগঞ্জ হাই স্কুলে লেখা পড়া করেন এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৬৭ সালে ডাক্তারী পাশ করেন। তারপর থেকেই তিনি চিকিৎসার মাধ্যমে মানব সেবা করে আসছেন। তিনি জানান তার ভবিষ্যত পরিকল্পনা একটাই তা হল মানব সেবা করা। সমাজের দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের মানুষদের স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ করে দেয়া। তিনি জানান, তাঁর জীবনের আদর্শ স্বামী বিবেকানন্দের অনুসৃত পথে চলা।
জয় হোক মানবতার! জয় হোক ডা:বসন্ত রায়ের। আমরা তাঁর মঙ্গল কামনা করি।
0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা