১৯৮৬
সালে নটরডেম কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট করে এমবিএ-এর পর একটা কোরিয়ার ফার্মে আছে টুটুল। ভুতের গলির টুটুল বলে,
একটি শিশু তার জাতিকে বলছে যে সে মরে গেলে তার বই বিক্রি করে খেতে! ....!!অথচ তাদের মরে যাবার কথা নয়! তাদের মধ্যে থাকবে উজ্জীবনের কথা। শিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশ্য গাইলো,
"ও দীপু খালা, আমি মরলে বইগুলা বেইচা খাইয়ো'গো রুটি কলা ......।"
.... আহারে ক্ষুধা!
মা কাকড়াকে খেয়ে শিশু কাকড়ারা বড়ো হয়, কি ভয়ংকর তাই না?
আমরা যেন সেই কাকড়াদের থেকেও নিকৃষ্ট হয়ে গেলাম না!?
আমরা আমাদের শিশুদের মধ্যে আজ মৃত্যুর অভিমান! আমাদের বন্দোবস্ত ঠিক নয়। ঠিক করা খুবই প্রয়োজন।
আমরা আমাদের শিশুদের মৃত্যু যন্ত্রনা দিয়ে দিলাম", আফসোস করে বললেন গুরুজন।
আর কিছু বলতে চাই না। শুধু দেশের বোদ্ধাদের প্রতি আকুল আবেদন,
"আপনারা এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আর্তনাদ শুনে এখনও চুপচাপ বসে থাকবেন না, প্লিজ। আপনারা কি বোঝেন না যে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থী সমাজ, মানসিক যুদ্ধে ওরাই হবে 'কিশোর গ্যাং'। আপনারা কি মনে করেন না যে একটা অশিক্ষিত প্রজন্ম পৃথিবীর জন্য, একটি জাতির জন্য ভয়ানক বোঝা। কি লাভ বোঝা হয়ে বেঁচে থেকে?"
ওরা বোঝে আমরা কি বুঝি?
বলি, "অবুঝ শিশুরাও যা বোঝে মাননীয়া শিক্ষামন্ত্রী কি তা বোঝেন না!?"
+দেশপত্র
ও দীপু খালা গানটির কপি দেওয়া হোলোঃ-
Pink Floyd-এর 1979-এ রিলিজড "Another break of the wall" গানটিকে পৃথিবীর সঙ্গীতের ইতিহাস মনে করা হয়। তার সবচেয়ে বড়ো কারণ ছিল গানটি ইংলিশ জাতির শিশু বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে তৈরি ছিলো বলে ।
তৎকালীন শিক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী পিংক ফ্লয়েড গেয়েছিল, "hay teacher, leave the kids alone, all in all their just another break of the wall ....."
যার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে বাংলাদেশের শিশুরা "দিপু খালা" গানটি গেয়ে।
এদেশের কচি কচি শিশু প্রাণ বলছে মৃত্যুর হুমকি তার কান্নায়, গানে।"
যার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে বাংলাদেশের শিশুরা "দিপু খালা" গানটি গেয়ে।
এদেশের কচি কচি শিশু প্রাণ বলছে মৃত্যুর হুমকি তার কান্নায়, গানে।"
শাহজাহানপুরের তিমির চৌধুরী সেলুনের বাদলকে বললেন, "দাদা, পোলাপাইনের গানডা শুনছেন? বূকটা ফাইট্কা গেলো দাদা, নিজেরো তো একটা ছেলে ঘরে বসা। দাদা ....."।
একটি শিশু তার জাতিকে বলছে যে সে মরে গেলে তার বই বিক্রি করে খেতে! ....!!অথচ তাদের মরে যাবার কথা নয়! তাদের মধ্যে থাকবে উজ্জীবনের কথা। শিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশ্য গাইলো,
"ও দীপু খালা, আমি মরলে বইগুলা বেইচা খাইয়ো'গো রুটি কলা ......।"
.... আহারে ক্ষুধা!
মা কাকড়াকে খেয়ে শিশু কাকড়ারা বড়ো হয়, কি ভয়ংকর তাই না?
আমরা যেন সেই কাকড়াদের থেকেও নিকৃষ্ট হয়ে গেলাম না!?
আমরা আমাদের শিশুদের মধ্যে আজ মৃত্যুর অভিমান! আমাদের বন্দোবস্ত ঠিক নয়। ঠিক করা খুবই প্রয়োজন।
আমরা আমাদের শিশুদের মৃত্যু যন্ত্রনা দিয়ে দিলাম", আফসোস করে বললেন গুরুজন।
আর কিছু বলতে চাই না। শুধু দেশের বোদ্ধাদের প্রতি আকুল আবেদন,
"আপনারা এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আর্তনাদ শুনে এখনও চুপচাপ বসে থাকবেন না, প্লিজ। আপনারা কি বোঝেন না যে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থী সমাজ, মানসিক যুদ্ধে ওরাই হবে 'কিশোর গ্যাং'। আপনারা কি মনে করেন না যে একটা অশিক্ষিত প্রজন্ম পৃথিবীর জন্য, একটি জাতির জন্য ভয়ানক বোঝা। কি লাভ বোঝা হয়ে বেঁচে থেকে?"
ওরা বোঝে আমরা কি বুঝি?
বলি, "অবুঝ শিশুরাও যা বোঝে মাননীয়া শিক্ষামন্ত্রী কি তা বোঝেন না!?"
+দেশপত্র
ও দীপু খালা গানটির কপি দেওয়া হোলোঃ-
0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা