শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

এই আকালের সময় যেন এক পশলা বৃষ্টি।


নাজমুল হুদা : স্যালুট কীর্তিমান চার জন বাংলাদেশি-আমেরিকানকে, বিনামূল্যের এই ভ্যাকসিন পাওয়ার নেপথ্যে যারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

কার্ডিওলজিস্ট প্রফেসর ডা. চৌধুরী হাফিজ আহসান, কার্ডিওলজিস্ট প্রফেসর ডা. মাসুদুল হাসান, নেফ্রলজিস্ট প্রফেসর ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ সাদেক ও সাবেক সিনিয়র ইউএন অফিসিয়াল মাহমুদ উস শামস চৌধুরীর ব্যক্তিগত উদ্যোগের ফসল এই ভ্যাকসিন প্রাপ্তি।

প্রফেসর ডা. মাসুদুল হাসান বলছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল বাইডেন প্রশাসনের ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটিতে ঢোকা। কাজটি খুবই কঠিন ছিল আমাদের জন্যে। কমিটিতে ঢুকতে না পারলে খুব বেশিকিছু করার সুযোগ ছিল না। সিনেটর ক্যাথরিনের ব্যক্তিগত কার্ডিওলজিস্ট ডা. হাফিজ। ক্যাথরিনের মাধ্যমে আমরা ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের শরণাপন্ন হই। কমলা হ্যারিস ও ক্যাথরিনের আন্তরিক সহযোগিতায় কমিটিতে ঢোকাতে সক্ষম হই প্রফেসর ডা. হাফিজকে। তিনি ভ্যাকসিন পাবে এমন দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। প্রথম তালিকায় বাংলাদেশের নাম ছিল না। ১৮১টি দেশের মধ্যে মাত্র ১৮টি দেশের তালিকায় স্থান পায় বাংলদেশ।

তিনি বলেন, ‘সেসময় বাংলাদেশকে ২৫ লাখ ডোজ মডার্না ও এক লাখ ছয় হাজার ডোজ ফাইজারের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এখন দেওয়া হলো ৩০ লাখ ডোজ মডার্নার ভ্যাকসিন। যা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছে গেছে।’

‘কোভ্যাক্সের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ভ্যাকসিন দেওয়ার যে ১৮টি দেশের তালিকা করেছে, এবার তার মধ্যে মাত্র দুটি দেশ ভ্যাকসিন পেয়েছে। বাংলাদেশ ৩০ লাখ ডোজ আর ইউক্রেন ১০ লাখ ডোজ’, বলছিলেন প্রফেসর হাসান।

বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোভ্যাক্সের কী পরিমাণ ভ্যাকসিন পাবে, এই প্রশ্নের উত্তরে প্রফেসর ডা. মাসুদুল হাসান বলেন, ‘ভ্যাকসিনের আবেদনে আমরা পরিমাণ উল্লেখ করিনি। যেহেতু আমরা ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটির সদস্য, সেহেতু যুক্তরাষ্ট্র কোভ্যাক্সের আওতায় যতবার ভ্যাকসিন দেবে, ততবারই বাংলাদেশ পাবে।’

বাংলাদেশ সরকারের সূত্র বলছে কোভ্যাক্স থেকে ভর্তুকি-মূল্যে বাংলাদেশ ভ্যাকসিন কিনছে, আর আপনারা বলছেন বাংলাদেশ বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাচ্ছে—এ বিষয়ে প্রফেসর ডা. মাসুদুল হাসান বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে এলে সাংবাদিকরা ভ্যাকসিন পাওয়ার বিষয়টি জানতে চেয়েছিলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেসময় বলেছিলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। আমেরিকা ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা বলে আমাদের মুলা দেখাচ্ছে। তখন আমরা বলেছিলাম, আমেরিকা আশ্বস্ত করেছে ভ্যাকসিন দেবে। তারপর জুনে আমরা প্রথম চালান এবং দ্বিতীয় চালান পেলাম জুলাইয়ে। ভ্যাকসিনের সব যোগাযোগ হয়েছে আমাদের সঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোভ্যাক্সের আওতায় বাংলাদেশ যে ভ্যাকসিন পাচ্ছে, তা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। ভর্তুকি-মূল্যে কেনার প্রসঙ্গ আসছে না এখানে। আমাদের কাছে সব তথ্য প্রমাণ আছে।’

বাংলাদেশের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রফেসর ডা. মাসুদুল হাসান বলেন, ‘আমরা স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি আরও কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ৪০০ ভেন্টিলেটর পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটি এক হাজারটি ভেন্টিলেটর পেয়েছিল। যার ৪০০টি পেয়েছে বাংলাদেশ, আর ৬০০টি পেয়েছে ভারত। যার ১৫০টি বারডেমে পৌঁছে গেছে। বাকি ২৫০টি দিল্লি এয়ারপোর্টে আছে। বাংলাদেশ সেখান থেকে দু-একদিনের মধ্যে সংগ্রহ করবে। এক্ষেত্রে শুধু পরিবহন খরচ বাবদ প্রতিটির জন্য ১০০ ডলার করে খরচ বাংলাদেশের।

*দেশের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করা এই মানুষগুলোর নাম আমাদের জানা উচিৎ বলে স্ট্যাটাসটা দিলাম। আমাদের জন্য ক্ষ্যাপাটে হয়ে কাজ করা ডাঃ জাফরুল্লাহরা বরাবরই অবহেলিত এবং লাঞ্ছিত হয়েছেন। মিডিয়া কাপিয়েছে শাহেদ সাবরিনারা। ডঃ ইউনুসের সাফল্যে আনন্দিত হলেই কিছু যুক্তিবাদী নেমে পড়ে তাকে খাটো করার প্রাণান্তকর চেষ্টায়। এই করোনায় ডঃ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ বেসরকারি সহায়তা করার রেফারেন্স লিংক বহুবার দেয়ার পরেও একটি সস্তা প্রশ্ন করে, 'তিনি এই মহামারী'তে দেশের মানুষের জন্য কি করেছেন?' এটা ঠিক আমি তাকে দলবল সহ একটি মাস্ক কাউকে হস্তান্তরের ছবি দেখিনি। ভ্যাক্সিনের পেটেন্ট রাইট সার্বজনীন করার জন্য পৃথিবীর শীর্ষ প্রস্তুতকারক দের সাথে লড়াই চালিয়ে যাওয়া প্রভাবশালী গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন ডঃ ইউনুস। এসব প্রসংগ উঠলে যুক্তিবাদীরা আচমকা তাহাজ্জুদি হয়ে তাকে সুদখোর বলে গালাগাল শুরু করে। যেন এই আপাদমস্তক সুদনির্ভর অর্থনীতির দেশে তার ব্যাংক'ই একমাত্র সুদ গ্রহণকারী। এই ভদ্রলোকই প্রথম কোন জামিনদার কিংবা মর্টগেজ ছাড়া ঋন দিয়েছেন দরিদ্রদের। লক্ষ কোটি টাকা ব্যাংক ডাকাতির সুযোগ না থাকায় আদায়ের হারও সবার চাইতে বেশি। স্বাভাবিকভাবেই এই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ব্যায় এবং সুদের হার বেশি। আনসিকিউরড ক্রেডিট কার্ডের বকেয়ায়ও সুদের হার বাৎসরিক ত্রিশ পার্সেন্ট। অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা হজম করার আগ পর্যন্ত শরীয়া ব্যাংকিং এর কথা বললে এরাই অন্যদের পাকিস্তান পাঠিয়ে দিত। পাকিস্তানে আম পাঠানোর পর তাদের কয়বার বমি হয়েছে তা অবশ্য জানা সম্ভব হয়নি। বিষয়টা এখন পরিণত কুটনীতির দৃষ্টান্ত হিসাবে ঘোরাফেরা করছে নিউজফিডে। উপরের চার বাংলাদেশীর ছবি আমার কাছে নেই তাই দিতে পারিনি। নীচের ছবিগুলোর প্রাসঙ্গিকতা আছে মনে হয়েছে বলে দিয়ে দিলাম।

তথ্য লিংক:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ