মঞ্জুর মোর্শেদ : ঢাকা নবাবগঞ্জের বান্দুরা টার্মিনালের ঐতিহ্য এন মল্লিক পরিবহনের কবর রচনার পরে এখন সেই মাটিতে কেউ চাঁদা না দিয়ে হেঁটে গেলেও জালালের বিশেষ বাহিনী মুহূর্তে হাজির হয়ে এখানে কেনো, এইসব সাতপাঁচ জেরা শুরু করে, কথার ফাঁদে আটকিয়ে, যদি বোঝে নগদ টাকা আছে, তবে বন্দি করে নিয়ে তথাকথিত নেতার বিচারে জরিমানা আদায় বাদ ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা আজকাল হরহামেশাই ঘটে, -এই কথাগুলো দোহার থেকে বান্দুরা বাজারে তাগাদার টাকা উঠাতে আসা জুতার ব্যবসায়ী আবু সাঈদ বলেন।
হঠাৎ বান্দুরা টার্মিনালে কি ঘটে গেলো এই তথ্য জানতে এই পথে গত ৫০ বছর যাবৎ যারা চলাফেরা করেন এবং পরিবহন শ্রমিক তাদের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়।
গুলিস্তান টু বান্দুরা রুটের পেসেঞ্জার ও শ্রমিকদের মতে হঠাৎ চরম দুর্ভোগ, হয়রানি, অর্থনৈতিক ক্ষতি, সময়, মান সন্মান, নিরাপত্তাহীনতার হাহাকারে ও অভিশাপে যেনো আমরা অভিশপ্ত এখন! চারিদিকে দেখা যায় শুধু জালালের সন্ত্রাসীদের আর তারা খোঁজে চাঁদা ও ফিটিং। যুবতী ও কিশোরী মেয়েরা কোনো কোনো দল দেখলে দোড়ে পালাতে চায়। যদিও ব্যর্থতাই বাধ্যতামূলক হয় সেই সব জঙ্গলী দৃশ্য থেকে পালাতে গেলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কিশোরী বলে, "আজকাল এই বাস টার্মিনালে ওঠা নামার সময় প্রায়ই কিছু যুবক এসে হঠাৎ ভির সৃষ্টি করে শরীরের বিভিন্ন জায়গা জোর করে ..." বলতে বলতে মেয়েটা মাটির দিকে তাকিয়ে থেমে গেলো। দোহার থেকে আসা এক বৌদি আড়ি পেতে শুনে নিজেই কাছে এসে জিজ্ঞেস করে, দাদা সাংবাদিক, আমাদের সংবাদকর্মীরা হ্যা সুচক জানালে সে বলেন, মেয়েটা ঠিকই বলেছে দাদা। গত কয়েক মাস ধরে এই টার্মিনালে দলে দলে কিছু ছেলে পেলেরা ঘোরে। হঠাৎ দুই একজন মেয়েকে ঘিরে ফেলে বাসের দরজার মুখে। মেয়েদের শরীরে হাত চালিয়ে মূহুর্তে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।
কথার সাথে সময় মিলিয়ে দেখা যায় এটা এবার জালাল গ্ৰুপের ডাক নেয়ার পরের ঘটনা। সবার সব কথার পর একটাই আফসোস আওয়ামী নেতা জালাল কসাই হঠাৎ কোথা থেকে এসে সব কিছু ছো মেরে নিজেদের করে নিয়েছে। এই দেশে কেউ কিছু বলার মতো হিম্মত রাখে না। বনেদি মল্লিক পরিবারকে এরা যেভাবে ধ্বংস করেছে তা দেখে এমনিতেই আতংকে থরথর করে কাঁপে সবাই!
আমাদের অনুসন্ধানী রিপোর্টসরা জেনে এসে বলেন, বলতে গেলে বান্দুরা এখনো অজপারাগাঁ, ঢাকা সিটির কোল ঘেষা, ঢাকা-১ আসনের অন্তর্ভুক্ত একটা ছোট্ট সুজলা, সবুজ এলাকা। বান্দুরায় করোনার মাঝামাঝি একটা দখল দারি ঘটে গেছে যা করোনার চেয়েও ভীতিকর। এই দখলের যুদ্ধে অর্থনৈতিক ক্ষতিগ্ৰস্থ একমাত্র এন মল্লিক পরিবার এবং টাকার পরিমাণ কোটি কোটি, বৈধ টাকা। অধিকার বঞ্চিত, যাত্রা পথের আরাম হারাম, নিরাপত্তাহীনতা, ভাড়ার সুবিধা, হেল্পার কন্ডাকটারদের সু আচরণ ইত্যাদি হারা হয়েছে সাধারণ যাত্রিরা। আর পরিবারের জীবন থেকে ভালো থাকার সব আশা ভরসা চিরতরে হারিয়েছে এখানকার পরিবহন শ্রমিকরা, এমন মন্তব্যের পক্ষে ছাড়া বিপক্ষে বলেছে কাউকে পাওয়া যায় নি।
বান্দুরার পথে চলা সাধারণ মানুষের প্রিয় আর শ্রমিকদের অন্নদাতা দয়ালু মল্লিক পরিবারের এন মল্লিক পরিবহনের নয়টি গাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে সবার চোখের সামনে ছারখার করার পর থেকে যেনো পুরো এলাকা থেকেই শান্তি উধাও! অত্র এলাকার কেউই ওর পর থেকে কসাই বাহিনীর ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না।
এই এলাকার পার্রলামেন্ট মেম্বার, বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, দরবেশ নামে জনপ্রিয়, জনাব সালমান এফ রহমান।
সালমান এফ রহমান একজন তুখর তাই ঢাকা ১ আসনের প্রতি ইঞ্চি জমিতে তিনিই তিনি, তারপরও কদাচিৎ দুএকটা রাইভেল মিলেলেও, তাদের আচরণ কেনো জানি ক্ষমতাহীন স্থুলপ্রাণীর মতো দেখা যায়! কারণ জানতে চাইলে এলাকাবাসি অবাক হয়ে বলেন, কেনোনা এদেশে এখন ক্ষমতা মানেই একা দরবেশের, -একথাটিতে সবাই একমত। ইউপি চেয়ারম্যানদের ভূমিকা ও আচরণ দেখলে আগের আমলের জমিদারদের হাতের লাঠির মতো মনে হয়। জমিদার সাহেবরা তাদের আমলে নিজে না গিয়ে তাঁর লাঠি পাঠিয়ে দিলে সেই নির্জিব লাঠি জমিদারদের ভূমিকা পালন করে আসতো যেমন, এই এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানরাও ঠিক যেনো তাই। তাদের কথা মানেই বুঝে নিতে হবে, এটাই নেতার হুকুম, আর এই নিয়মেই চলতে হবে ঢাকা-১ আসনবাসী হলে।
এই এলাকার পার্রলামেন্ট মেম্বার, বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, দরবেশ নামে জনপ্রিয়, জনাব সালমান এফ রহমান।
সালমান এফ রহমান একজন তুখর তাই ঢাকা ১ আসনের প্রতি ইঞ্চি জমিতে তিনিই তিনি, তারপরও কদাচিৎ দুএকটা রাইভেল মিলেলেও, তাদের আচরণ কেনো জানি ক্ষমতাহীন স্থুলপ্রাণীর মতো দেখা যায়! কারণ জানতে চাইলে এলাকাবাসি অবাক হয়ে বলেন, কেনোনা এদেশে এখন ক্ষমতা মানেই একা দরবেশের, -একথাটিতে সবাই একমত। ইউপি চেয়ারম্যানদের ভূমিকা ও আচরণ দেখলে আগের আমলের জমিদারদের হাতের লাঠির মতো মনে হয়। জমিদার সাহেবরা তাদের আমলে নিজে না গিয়ে তাঁর লাঠি পাঠিয়ে দিলে সেই নির্জিব লাঠি জমিদারদের ভূমিকা পালন করে আসতো যেমন, এই এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানরাও ঠিক যেনো তাই। তাদের কথা মানেই বুঝে নিতে হবে, এটাই নেতার হুকুম, আর এই নিয়মেই চলতে হবে ঢাকা-১ আসনবাসী হলে।
তবে সবাই একটি বিষয়ে স্তব্ধ। এক স্কুল শিক্ষক বলেন, "সালমান এফ রহমান যেনো না জানতে পারেন, জালাল বাহিনীর কুকীর্তির কথা, এটা তারা কি করে সম্ভব করছে, দরবেশ একজন এমপিই নয়, এই এলাকার সবাই জানে তিনি সব জানেন বলেই তিনি সালমান এফ রহমান থেকে দরবেশ। অথচ তিনি জানার পরেও জালাল বাহিনী এমন কিছু করতে পারে একথা আমি একা নয়, এই এলাকার কেউই ভাবতে রাজি নয়। তবে এতো বড়ো বিষয়টি তাঁর কাছে যাদুর শক্তিবল ছাড়া কি করে আড়াল করা যেতে পারে, -এটা কারোই বোধগম্য নয়। এছাড়াও দেখা গেছে কোনো এক অজানা কারণে এই বিষয়টিকে সবাই এড়িয়ে যেতে চায়! সবার মধ্যেই এবিষয়ে যেনো কিসের একটা গোপন ভয়ের আশংকা দেখা গেছে -সংবাদ কর্মীরা এমনই জানিয়েছেন।
জানা গেছে, কিছু দিন আগে এমপি সাহেব অভিযোগ পেয়ে জালালকে দলীয় পদ থেকে বিতাড়িতও করেছেন কিন্তু সবার মনের প্রশ্ন, সালমান এফ রহমানের দল থেকে বহিষ্কার করার পরেও জালাল কোথায় এতো শক্তি ও সাহস পাচ্ছে যে সে ঐ এলাকায় এখনো প্রকাশ্যে দখল, চাঁদাবাজি, গুন্ডাগারদি সবকিছু করে বেড়াচ্ছে! কেউ কেউ প্রশ্ন করেছেন-এমন কি অলৌকিক ক্ষমতা হাসিল করেছে জালাল যে সে দরবেশের মতো নেতার এলাকার একজন সাধারণ কসাই থেকে পাতি নেতা, তবুও নিজে ও তার বাহিনীরা প্রকাশ্যে বলে বেড়ায় যে এলাকা দরবেশের নয় আমাদের, তিনি কেবল এমপি, বাকি সব আমরাই!
নবাবগঞ্জ বান্দুরায় আওয়ামী হঠাৎ নেতা জালাল উদ্দিন জালাল ওরফে জালাল কসাইয়ের উদয় করোনাত্বর সময়। এসেই বাসস্টেন্ড কবজা করে বছরে নিট জিপি, কাষ্টম, চাঁদা এই তিন প্রকৃয়ায় ৩০ কোটি টাকা আদায় করার কাজ চালু করেছে, যা চলছেই।
জানা যায়, এই জালাল উদ্দিন জালাল কসাইয়ের সাথে রয়েছেন আরো একজন আওয়ামী সাইনবোর্ডধারী নেতা। যদিও তার কোনো কালেই পরিবহনের সাথে কোনো সম্পর্ক ছিলোনা, গাড়ি নাই কিন্তু এখন তিনিও এখানকার মালিকপক্ষ! এই বহিরাগত দুই জন সাথে করে এনেছেন তাদের বহিরাগত দল, যারা পরিবহনের কেউ না, এখন শুধু চাঁদা তোলে আর প্রয়োজনে মারধর করে।
এখানে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে, যেহুতু জালাল-পলাশ-সেন্টু কোনোকালেই পরিবহন সেক্টরের কেউ ছিল না তাই পরিবহন সেক্টরে হঠাৎ ঢুকে বছরে কোটি কোটি টাকা বের করে নিতে বাধ্য হয়েই বাইরে থেকে ভাড়া করে লোক আনতে হয়েছে, কারণ এখানে তারা কেউ না, তাই তাদের কেউ নেই। শ্রমিক, গাড়ি কিছুই তাদের নয়!
শ্রমিকরা বলেন হঠাৎ এই তিন জন এসে কলাকোপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ চালু করেন এন মল্লিক পরিবহন থেকে পরিবারের বিরুদ্ধে। সাথে থাকে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন। তরুন ২৪ ঘন্টা আলটিমেটাম দিয়ে মল্লিক পরিবারের কাছ থেকে ৬০ লাখ টাকা দাবি করার পর যে হুমকি দিয়েছিলেন তার ফলে নার্গিস মল্লিক স্বপরিবারে এলাকা থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এখনো বসবাস বিপদজনক বলে জানান তিনি। নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান কিসমত , যুগ্ম আহায়ক অ্যাডভাকট শাফিল উদ্দিন মিয়া, বক্স নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াদুদ, ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলী মোঃ রমজান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউর রহমান রেজা, শোল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান তুহিনুর রহমান তুহিন, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি জাহিদ হায়দার উজ্জ্বল, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য শাহীন খান, হাজী আব্দুল মান্নান , বান্দুরা বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মৃণাল মিয়া প্রমুখরা হঠাৎ যেনো কোথা থেকে এসে ছেয়ে ফেলে বান্দুরা টার্মিনাল। প্রেক্ষাপটটির বর্ণনা দিতে গিয়ে নবাবগঞ্জ নিবাসী একজন রিটায়ার্ড সরকারী কর্মকর্তা 'আর্মী-কার্ফিউ' কথাটি উদাহরণ হিসেবে টেনেছেন।
আমাদের প্রতিদিনের কষ্টের রোজগার তারা কাইটা নিয়া যায় জিপি, কমিশন, চাঁদা, কাষ্টম, নেতাদের
অনুষ্ঠান, জন্মদিন, একে সাহায্য, তাকে চিকিৎসা, এইসবের নামে কিন্তু তারা তো আমাদের পরিবহনের কেউ না! চিনিও না! আবার দিতে দেরি হলে জোর করে টেনে নেয়, রুটিন মাইরের সিষ্টেম আছে! আমরা যেনো বান্দুরা পরিবহন শ্রমিকরা হঠাৎ বিদেশে চলে এসেছে।
অনুসন্ধানে মিলেছে বান্দুরা বাস স্ট্যান্ডটিকে কেন্দ্র করে পরিবহন বিভাগের বিভিন্ন কাজ করে প্রায় ৪০০ শ্রমিক তাদের পরিবার রুজিরুটি কামাতো, -এই হিসাবটি মিলেছে মল্লিক পরিবহনের ৯টি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার কয়েকমাস আগে তারা যে রেজিস্ট্রার খাতা মেইনটেইন করতো সেখান থেকে।।
মূলতঃ পুরোনো আমল থেকেই এই রুটের মোট বিনিয়োগের ৯০ শতাংশই ছিলো এন মল্লিক পরিবারের একার, যা তছনছ করে, দখল নিয়ে যা করছে তাতে করে মল্লিকদের ভিটাতে ঘুঘু চড়াতে জালালদের খুব বেশী সময় লাগবে বলে মনে করেন না কেউই!
বাস স্ট্যান্ডের মুখের এক চায়ের দোকানদার প্রচন্ড আক্ষেপ করে বলেন, "আমরা গবির তাই জন্ম সুত্রেই ভয় পাই। ভাই এ কোন বিচার!? যারা আজীবন পেসেন্জারদের ছাড় দিয়েছেন, শ্রমীকদের সন্তানসম ভালোবেসেছেন, যাদের কাছে এলাকার গরীব দুঃখী মানুষেরা তাদের বিপদ-আপদে গিয়ে কোনো দিন খালি হাতে ফিরে আসে নি, সেই মহান দানশীল মল্লিকদের বর্তমান যে হাল তা দেখলে মনে হয় তারা নিজেদের দেশে আর বুঝি বেশী দিন থাকতে পারে না। পলাশ-জালালদের কাছ থেকে বাঁচতে হলে পালিয়ে যেতে হবে, আজ নয়তো কাল, এইটাই কি সমাজের বিচার!? বলেন, এই কথা আল্লাহ ছাড়া কাকে বলবো, আর কোন বিপদে পরবো....।
অনুসন্ধানে মিলেছে বান্দুরা বাস স্ট্যান্ডটিকে কেন্দ্র করে পরিবহন বিভাগের বিভিন্ন কাজ করে প্রায় ৪০০ শ্রমিক তাদের পরিবার রুজিরুটি কামাতো, -এই হিসাবটি মিলেছে মল্লিক পরিবহনের ৯টি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার কয়েকমাস আগে তারা যে রেজিস্ট্রার খাতা মেইনটেইন করতো সেখান থেকে।।
মূলতঃ পুরোনো আমল থেকেই এই রুটের মোট বিনিয়োগের ৯০ শতাংশই ছিলো এন মল্লিক পরিবারের একার, যা তছনছ করে, দখল নিয়ে যা করছে তাতে করে মল্লিকদের ভিটাতে ঘুঘু চড়াতে জালালদের খুব বেশী সময় লাগবে বলে মনে করেন না কেউই!
বাস স্ট্যান্ডের মুখের এক চায়ের দোকানদার প্রচন্ড আক্ষেপ করে বলেন, "আমরা গবির তাই জন্ম সুত্রেই ভয় পাই। ভাই এ কোন বিচার!? যারা আজীবন পেসেন্জারদের ছাড় দিয়েছেন, শ্রমীকদের সন্তানসম ভালোবেসেছেন, যাদের কাছে এলাকার গরীব দুঃখী মানুষেরা তাদের বিপদ-আপদে গিয়ে কোনো দিন খালি হাতে ফিরে আসে নি, সেই মহান দানশীল মল্লিকদের বর্তমান যে হাল তা দেখলে মনে হয় তারা নিজেদের দেশে আর বুঝি বেশী দিন থাকতে পারে না। পলাশ-জালালদের কাছ থেকে বাঁচতে হলে পালিয়ে যেতে হবে, আজ নয়তো কাল, এইটাই কি সমাজের বিচার!? বলেন, এই কথা আল্লাহ ছাড়া কাকে বলবো, আর কোন বিপদে পরবো....।
একজন ড্রাইভার বললেন ম্যাডামের আমলে আমাদের জমার জন্য পাগল হতে হোতো না, জমা না দিয়ে কতো গাড়ি চালাইছি আল্লাহ জানেন ভালো, আর তখন লাইনে আমাদের কাছে কেউ চান্দা চাইবো স্বপ্নেও ভাবতো না কেউ কোনো দিন। তখন আমাদের কামাই ছিলো আমাদের নিজেদের পরিবারের একার হক। আর এখন আমাদের সেই কামাইয়ের জন্য স্ট্যান্ডে গিয়া গাড়ির ইগনেশনে চাবি ঢুকানোর আগে থেকেই দেওয়া শুরু করতে হয় চাঁদা! এখন এই টার্মিনালে গাড়ির বাম্পার ঢোকার আগেই দাঁড়াইয়া যায়, "চাঁদার টাকা না দিয়ে একচুল হিলার কোনো উপায় নাই!
(চলবে...)

0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা