শেষ খবর

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widge

Responsive Advertisement

বদলে গেছে আদালত পাড়ার অনিয়মের চিত্র ও প্রেক্ষাপট

মাহবুব আলম : আদালত পাড়ার অনিয়ম নিয়ে অনেক দিন থেকেই চলছিলো বিভিন্ন রকম আলোচনা ও সমালোচনা। আদালত এলাকায় অনিয়ম, কর্তব্য অবেহেলার ছিলো না কোন অন্ত। তম্মধ্যে সিসি ক্যামেরার অন্তরালে মহানগর দায়রা জজ্ব, বিশেষ জজ্ব, জেলা জজ্ব ও চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এবং কোর্ট গারদ খানায় কর্তব্যে অবহেলা হচ্ছে অন্যতম।

অতীতের এইসব প্রশাসনিক দুর্বলতা ও বিভিন্ন প্রকার অনিয়মের কারণে তৎকালীন শীর্ষ সন্ত্রাসী বুড্ডা, বাচ্চু ও কাজল হাজিরায় এসে বিভিন্ন সুবিধা আদায়ের ফাঁকে কোর্ট থেকে পালনে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী মুকিম গাজীর ছোট ভাই লাল গাজীর সহযোগিতায় গারদ এর ভেতরের অফিসারের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ফাাঁকা গুলি করতে করতে কোর্ট থেকে পলায়নে সক্ষম হয়। যদিও পরবর্তীতে সকলেই আইনের বেড়াজালে বন্দী হয়েছে কিন্তু অতীতের এইসব পরিস্থিতির সাথে বর্তমানের ব্যবধান আকাশ-পাতাল, যার সম্পুর্ন কৃতীত্ব‌ই বর্তমানের কর্তব্যরত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর। ওদিকে বর্তমানে কোর্টের সংখ্যার পাশাপাশি গারদের সংখ্যাও বেড়েছে। অতীতে গারদ ছিল একটি বর্তমানে তিনটি।

বর্তমানে প্রতিটি গারদ খানার সামনে ও পাশে রয়েছে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরার পাহারা। এছাড়াও বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত সচেতন ও কর্তব্য পরায়ন ডিসি, এডিসি, উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, সর্বোপরি প্রতিটি গারদের অফিসার ইনচার্জের বলিষ্ঠ ভূমিকা লক্ষ্যনীয়। এছাড়াও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যগনসহ গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীদের পাশাপাশি সম্মানিত আইনজীবীদের কঠিন ও কঠোর নজরদারি বিশেষ ভাবে লক্ষ্যনীয়। কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ, দায়িত্বশীল এএসআই, এসআই ও পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় বর্তমানে কর্তব্য অবহেলা বা কোন প্রকার অনিয়ম চোখে পরে না বললেই চলে। এককথায় যেনো বদলে গেছে আদালত পাড়ার চেহারাটাই। এর পরও যারা অনিয়ম করেছে বা করছে তাদেরকে যথাপযুক্ত শাস্তি পেতে হয়েছে ও হচ্ছে বলেও জানা গেছে। সূত্র জানায়, সামান্য কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের বিশ্বাস ভঙ্গ করে চুরির মাধ্যমে অনিয়ম দুর্নীতি করে যাচ্ছে যা বদলে যাবে, অপেক্ষা শুধু সময়ের।

উল্লেখ্য ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির একটি দক্ষ অনুসন্ধানী দল বেশ কিছুদিন ধরে আদালত পাড়া পর্যবেক্ষন করে যাচ্ছে। তারা প্রতিনিয়ত খতিয়ে দেখছেন আদালত পাড়ার দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়গুলোকে।

এবিষয়ে উল্লেখ্য পুর্বে সবচেয়ে বেশি অনিয়ম ছিলো জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট গারদে কিন্তু অধুনায় দেখা যায় নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদের দায়িত্ব প্রাপ্তির পর থেকে তা অনেকটাই স্বচ্ছ এবং নিরাপদ। 

বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারাও বর্তমান পরিস্থিতিতে আস্থা প্রকাশ করে বলেন, "আদালত পাড়ার বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি চলমান থাকলে আশা করা যায় যে ভবিষ্যতে আর কোনো প্রকার অঘটন তথা আসামীর পলায়ন বা নিয়মনীতি ভাঙ্গার আশংকা নেই।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ