পাসপোর্ট সেবা প্রদানে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ব্রাহ্মণবাড়িয়া
![]() |
| (ছবি: ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিস, ইনসাইডে উপ-পরিচালক শামীম আহমেদ; সংগৃহীত) |
বিশেষ প্রতিবেদন : গতকাল ২২শে আগষ্ট রোজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের একটি বিশেষ প্রতিনিধিদল ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিস ঘুরে দেখেন। তারা জানান আবেদন জমা কাউন্টার, ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়ার রুম, পাসপোর্ট বিতরণ কাউন্টারসহ প্রতিটা ক্ষেত্রে সেবা গ্রহীতাগন অত্যন্ত সুশৃংখলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ও সকলেই নিজ নিজ পাসপোর্ট যথাযথ নিয়মেই গ্রহণ করছেন।
প্রতিনিধি দল জানান, বেশ কয়েকজন আবেদনকারীদের কাছে প্রশ্ন করা হলে তারা সকলেই মত প্রকাশ করেন যে তাদেরকে কোনভাবে হয়রানি শিকার বা ভোগান্তিতে হয়নি, এমনকি কোনো দালালের খপ্পরেও পরতে হচ্ছে না কাউকে। এছাড়াও আবেদনকারীগন জানান, ডিজিটাল বাংলাদেশের সম্পুর্ন সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে তারা তাদের আবেদন ফরম নিজ নিজ এলাকা থেকে অনলাইনে পূরণ করে, অনলাইনে, আবার কেউ কেউ ব্যাংকে সরকারের নির্ধারিত ফি জমা দিয়েছেন। অফিসে আসার পরে তাদের কারো সাথে কোন রকমের লেনদেন করতে হয়নি, পেতে হয়নি বিরক্তিকর ঝামেলা। অফিসের সকলেই যার যার অবস্থান থেকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন বলেও সকলে মতামত প্রকাশ করেন। একাধিক গ্ৰাহকরা বলেছেন, "হ্যাঁ ভাই ৩০/৪০ জনের পিছনে পরেছি, আধা ঘন্টার বেশী সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, তবে সুশৃংখল কাজের জন্য যা যা প্রয়োজন তার সবই খুবই স্বাভাবিক দেখতে পাচ্ছি।
এছাড়াও অফিসের অভ্যন্তরে ও বাইরে দীর্ঘ সময় সরেজমিনে অনুসন্ধান করেও কোন দালাল বা অবাঞ্ছিত লোকের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে প্রতিনিধি দল তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেন।
অতঃপর তারা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বর্তমান উপরিচালক জনাব শামীম আহমেদের সাথে তার অনন্য সেবার কথা জানতে চাইলে তিনি জানান, "আমিও অফিসে যোগদানের পর কিছু অনিয়ম টের পাই এমতাবস্থায় এর হাল নিরসনে চিন্তা ভাবনা করি। অতঃপর বিশেষ করে দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজটি পড়ার পরে আরও উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রধান কার্যালয়ের সাথে কথা বলে ও নির্দেশে পুলিশ সুপার মহোদয়কে চিঠি লিখি। উনার সহযোগিতায় বর্তমানে অফিসের আশেপাশের এলাকা সম্পূর্ণ দালাল নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছি, এই অফিস পাসপোর্ট সেবা গ্ৰহনের জন্য এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং সেবার গুণগত মান বজায় রাখতে আমার দরজা সব সময় উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। গ্ৰাহকদের জন্য দরজার সামনে লিখে রাখা আছে, "কোন অনুমতির প্রয়োজন নেই, অফিস প্রধানের দরজা সকলের জন্য উন্মুক্ত, শুধুমাত্র সিরিয়াল ঠিক রেখে সারিবদ্ধ ভাবে প্রবেশ করুন'।"
প্রতিনিধি দল উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বেশ কয়েকজন আবেদনকারীরা নতুন পাসপোর্ট করার পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন সমস্যা; যেমন: পুরাতন পাসপোর্টের সাথে আইডি কার্ডের নামের মিল নেই, বানান ভুল, বয়স ভুল, পিতা/মাতার নাম সঠিক নয়। পূর্বের ভিন্ন ভিন্ন নাম/পরিচয়ে একাধিক পাসপোর্ট গ্রহণ ইত্যাদি সমস্যা নিয়ে অফিস প্রধানের কক্ষে প্রবেশ করছেন এবং অফিস-প্রধান শামীম আহমেদ সাহেব তাদের সমস্যার সমাধানের তরিৎ ব্যবস্থা নিয়ে চলছেন নিজেও। পাশাপাশি তিনি সবাইকে ভবিষ্যতে ভুল তথ্য সম্বলিত পাসপোর্ট গ্রহণ না করার পরামর্শও দিচ্ছেন অত্যন্ত আন্তরিক ভাবে।
(তথ্য অনুসন্ধানে তথ্য চলমান)

0 মন্তব্যসমূহ
Do good not be good.
- সাফকথা